এম, এ কাশেম জেলা প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা চলাচলের ওপর সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/ কর্তৃপক্ষের সু'নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকার পর ও সড়কে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সার দৌরাত্ম্য চরমে ঠেকছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা পালনের নিমিত্তে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট ভিত্তিক ট্রাফিক পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ নিয়োজিত থাকলে ও তারা কোনো এক অজ্ঞাত কারণে তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো না নেয়ার কারণে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা চালকদের দৌরাত্ম্য দিন দিন বৃদ্ধি পেয়ে তা চরমে গিয়ে ঠেকছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হলো- দেশের প্রধান বন্দরনগরী চট্টগ্রামের প্রবেশদ্বার মীরসরাই উপজেলার বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজার এলাকা থেকে সামান্য দেড় কিলোমিটার উত্তরে ধুমঘাট ব্রীজ থেকে দক্ষিণে বড় দারোগার হাট এবং তা থেকে আরো দক্ষিণে সীতাকুণ্ড উপজেলার দক্ষিণ সর্বশেষ প্রান্ত চট্টগ্রাম শহরের প্রবেশদ্বার 'সিটি গেইট' পর্যন্ত উক্ত ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা চলাচল করতে দেখা যায়!
সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা চলাচলের ওপর সু'নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা আরোপ থাকার পর কতিপয় রাজনৈতিক দলীয় নেতাদের আশির্বাদ পুষ্ট হয়ে উক্ত ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা চালকরা অত্যন্ত প্রভআব বিস্তারের মাধ্যমে চালিয়ে যাচ্ছে তা! বন্দরনগরী চট্টগ্রামের প্রবেশদ্বার মীরসরাই উপজেলার উত্তর শেষপ্রান্ত ধুমঘাট ব্রীজ থেকে দক্ষিণে বড় দারোগার হাট পর্যন্ত ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়ক ধাবড়িয়ে চালিয়ে যাচ্ছে। একদিকে সড়কের পাশ দিয়ে চলাচল রত: ও রাস্তা পারাপারের জন মানুষ গুলোর জীবন সংহার সহ শরীরের বিভিন্ন স্থান একেবারেই অকেজো করে দেয়ার যান্ত্রিক দানব ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা।
অন্যদিকে-দ্রুতগামী অন্যান্য গাড়ি গুলোর সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে চালক সহ যাত্রীদের জীবন নাশ সহ সারাজীবন শারিরীক ভোগান্তিত ফেলে দেয়ার মাধ্যমে উক্ত ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা।
মীরসরাই উপজেলার মধ্য জোরারগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ও বারইয়ারহাট বিশ্বরোড এ দায়িত্ব রত ট্রাফিক পুলিশরা নিয়োজিত থাকলে ও তাদের সামনে দিয়ে বাধাহীনভাবে চলাচল করে যাচ্ছে উক্ত ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা। সংক্ষিপ্ত হাইওয়ে পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশরা কেনো তা দেখে ও নিরবতা পালন করে যাচ্ছে তা অত্যন্ত রহস্য জনক বলে সবার দৃষ্টিতে ঠেকছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বারইয়ারহাট বিশ্বরোডস্থ ট্রাফিক মোড় থেকে দক্ষিণ দিকে চলাচল করে ওই সব ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা।
শুধু তাই এ এলাকার সড়ক ফোর লেনের আওতায় পড়লে উক্ত ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা গুলো উল্টো পথে ও চলাচল করে যাচ্ছে!
অথচ, তাতে ও যেনো ট্রাফিক পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের করনিয় কিছু-ই নেই!!
অবশ্য, মাঝে-মধো উক্ত ট্রাফিক পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের কতিপয় দু'নম্বরী কর্তা বিশেষ এর টাকার প্রয়োজন দেখা দিলে তারা নামখাওয়াস্ত দু'একটি রিক্সা আটক করে সংশ্লিষ্ট থানায় নিয়ে টাকা নিয়ে আবার মুহুর্ত্বের মধ্যে ছেড়ে ও দেয়!
শুধুমাত্র বারইয়ারহাট বিশ্বরোডস্থ ট্রাফিক মোড় এবং ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে বেশ কয়েকজন গুরুতর: আহত হয়।
আহতদের মধ্যে কয়েকজন হাজার হাজার টাকা খরচ করে ও বিভিন্ন ভাবে শারীরিক যন্ত্রণআয় ভুগছেন বলে স্ব, স্ব এলাকার একাধিক জন এ প্রতিনিধি কে জানান।
প্রায় সবার- ই এক দাবি- মহাসড়কে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা চলাচল বন্ধ করে দিতে হবে।