
এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি :: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) এর যুবলীগের এক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদককে পুলিশের হেফাজত থেকে ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে পাওয়া সংবাদে প্রকাশ। আর ওই ঘটনায় বুধন্তি ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধা ও হামলার চালানোর অভিযোগে মামলা ও দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, গত ১৫ মে বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে বুধন্তি ইউনিয়নের ইসলামপুর ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন চন্দ্র দাস সঙ্গীয় ফোর্স সহ বুধন্তি বাসস্ট্যান্ডের ইউনুস মিয়ার দোকানে অভিযান চালান। এ সময় তারা সাবেক যুবলীগ সভাপতি আইনুল ইসলামের ছেলে ও বুধন্তি ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহাগ মিয়াকে আটক করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আটকের পর পরই বুধন্তি গ্রামের মৃত শহীদ মিয়ার ছেলে ও বুধন্তি ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান (প্রকাশ মাটি খেকো মিজান) ঘটনাস্থলে গিয়ে উপস্থিত হন। তিনি অতর্কিত ভাবে পুলিশ সদস্যদের ধাক্কা দেন এবং সোহাগ মিয়াকে ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেন।
পরে ১৭ মে শনিবার ইসলামপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাদী হয়ে মিজান সহ ৪জন কে আসামী করে ফৌজদারি ১৮৯৮ এর ১৫৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধা ও ধাক্কা দিয়ে আক্রান্ত করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
পুলিশ আর ও জানায়, ওই যুবদল নেতা মিজানর বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে ও চাঁদাবাজি সহ একাধিক মামলা রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ই আগস্টের পর থেকে মিজান বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। এ ছাড়া ও এলাকায় তার একটি পরিচিতি রয়েছে যে তিনি ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পুনর্বাসক।
এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং পুলিশ পলাতক আসামি যুবদল নেতা মিজান ও যুবলীগ নেতা সোহাগ কে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালা