এম, এ কাশেম জেলা প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :
বর্তমান দেশ-গ্রামের বিভিন্ন স্থানের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান নিয়ে যখন তর্ক-বিতর্ক এবং সমালোচনার ঝড় বইয়ে যাচ্ছে তখন চট্টগ্রামের মীরসরাই পৌর সদরের 'ফেনাফুনী' এলাকায় অবস্থিত মানবিকতার উজ্জ্বলতায় পরিচালিত এমন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের খবর পাওয়া যায়। যেখানে স্বল্প সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী অধ্যয়ন রত: থাকার পর ও প্রতিষ্ঠানটির মানবিকতার উজ্জ্বলতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে এলাকার অনেক অসহায়-দরীদ্র পরিবারের ছেলে-মেয়ে কে ফ্রি তে লেখা-পড়া করার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়ে আসছেন মাসের পর মাস এবং বছরের পর বছর যাবত।
অথচ, সরকারের তরফ থেকে এবং এলাকার ধর্নাঢ্য ব্যাক্তি বিশেষ যৎ সামান্য হলে ও যদি বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতার হস্ত প্রসারিত করেন তাহলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান টি আরো অনেক পরিবারের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে পারতো।
তথ্যসূত্র মতে- বিগত ১৯৯৭ সালের ৫ জানুয়ারি মীরসরাই পৌরসভা এলাকার বাদামতলী ইসমাইল কার্পেট ইন্ডাস্ট্রিজ এর পশ্চিম সন্নিকট 'ফেনাফুনী' এলাকার বাসিন্দা, মীরসরাই উপজেলার প্রবীণ সাংবাদিক, মীরসরাই সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ ছায়েফ উল্লাহ্ এলাকায় শিক্ষা প্রসারের মনোভাব নিয়ে তার নিজ বাড়ি সন্নিকটে 'তামরীজ একাডেমি' নামে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান টি চালু করেন।
প্রথম প্রথম ছাত্র-হছাত্রীর সংখ্যা যা-ই ছিলো বর্তমানে বলতে গেলে একেবারেই কম। এর কারণ হিসেবে জানা গেছে, মাসের পর মাস এবং বছরের পর বছর যাবত নিজের থেকে টাকা খরচ করে শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং অন্যান্য স্টাফদের বেতন সহ নানাবিধ: কিছু ম্যান্টেড করা দুরহ ব্যপার। তথাপি, কোনো রকম জোড়া তালি দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান টির কর্ণধার সাংবাদিক মুহাম্মদ ছায়েফ উল্লাহ্।
বর্তমানে উক্ত 'তামরীজ একাডেমী'তে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা মাত্র ৩০ জন! এতো অল্প সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে ও তিনি এলাকার দরীদ্র-অভাবী একাধিক পরিবারের ছেলে-মেয়েকে ফ্রি তে লেখা-পড়া করে যাওয়ার সুযোগ দিয়ে যাচ্ছেন।
প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার সাংবাদিক মুহাম্মদ ছায়েফ উল্লাহ্ জানান, ব্যবসায়িক মানসিকতা নিয়ে যদি প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে যেতাম তাহলে প্রতিষ্ঠানটির ব্যাপকতা বৃদ্ধি পেতো এবং নিজে ও লাভবান হতে পারতাম। কিন্তু, তা না করে এলাকায় শিক্ষার প্রসার ঘটানোর মানসিকতা বজায় রাখতে গিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির ও উন্নতি সাধন করাতে পারলাম না।
তিনি মনে করেন, সরকারি ভাবে বিভিন্ন সুযোগ-সূবিদা প্রদানের আওতায় আনলে এবং ধর্নাঢ্য ব্যাক্তি বিশেষরা যদি উদার মনোভাব পোষন করে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতার হস্ত প্রসারিত করেন তাহলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে।