
এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :: বিগত আওয়ামী সময়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা মীরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস কে যেনো নিজেদের দলীয় কার্যালয় বানিয়ে ফেলেছিলো! আওয়ামী লীগ ও তাদের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের দায়িত্ববান নেতারা ঘন ঘন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় দখলে রাখার মতো বৈঠক করতো, গল্প গুজবে মেতে থেকে সময় পার করার পাশাপাশি নিজেদের ফায়দা ও হাসিল করে নিতো। আর তাতে তৎসময়ের নির্বাহী কর্মকর্তা অখুশি হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। ফলে-তাতে তিনি বেজায় খুশি ছিলেন মর্মে অনেকে তাকে একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বদলে দলীয় নেতা/নেত্রী- ক্যাডার বলতে ও দ্বিধা করছেন না। তখন বিএনপি'র দায়িত্ববান নেতারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের ধারে কাছে ও তেমন একটা ভিড়তে পারতেন না!
অবশ্য, তিনি এখানকার সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী হওয়ায় তখন কেউ বলতে না পারলে এখন কিন্তু অনেকেই বলে যাচ্ছেন তিনি এখানে থাকাবস্থায় একজন নির্বাহী কর্মকর্তার আদলে একজন আওয়ামী দলীয় নেতা/নেত্রী-ক্যাডারের ভুমিকা পালন করেছেন।
তিনি এখান থেকে বদলি হয়ে গেছেন বলে অনেকেই তা নিঃসংকোচে বলে যেতে পারছেন।।
এদিকে সেই আগের সেই নির্বাহী কর্মকর্তা বদলি হয়ে যাওয়ার পর বর্তমানে যিনি এখানে দায়িত্বে এসেছেন তার কাছে যাওয়ার মতো আওয়ামী লীগের তেমন কোনো নেতা নেই। আর সশুন্যস্থান টা পুরন করে যাচ্ছেন বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের অঙ্গ সংগঠন এর কিছু ননেতারা! অবশ্য, জামায়াতে ইসলামী থেকে বিএনপি'র একটু বেশি। এর কারণ হিসেবে জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে কোনো ধরনের গ্রুপিং না থাকলে ও বিএনপি'র মধ্যে রয়েছে একাধিক। আর ওই একাধিক গ্রুপিয় নেতারা সাধারণ নেতা-কর্মী বেষ্টিত হয়ে আলাদা আলাদা ভাবে তার সাথে দেখা-সাক্ষাত/বৈঠক করতে গিয়ে মানুষ কে বিগত দিনের আওয়ামী লীগের কথা মনে করিয়ে দেয়ার অবস্থার সৃষ্টি করে চলেছে!