• শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
উ‌দ্বেগজনক হা‌রে বাড়‌ছে সাইবার ক্রাইম । রাজশাহী প্রেসক্লাব থেকে সেচ্ছায় অব্যাহতি নিলেন রেজাউল করিম ও শামসুল রহমান রাজশাহী প্রেসক্লাব থেকে সেচ্ছায় অব্যাহতি নিলেন রেজাউল করিম ও শামসুল রহমান নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: রাজশাহী প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাধারণ সদস্যপদ থেকে সেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছেন রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. রেজাউল করিম এবং সাধারণ সম্পাদক শামসুল রহমান। শনিবার (৪ এপ্রিল) এক লিখিত পত্রের মাধ্যমে তারা এ সিদ্ধান্ত জানান। পত্রে রেজাউল করিম উল্লেখ করেন, গত ৩০ মার্চ প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে অভিযোগ করা হয়, তিনি একটি মানববন্ধন থেকে প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে সম্মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই বলে দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ ও দাবি উপস্থাপন করা তার সাংবিধানিক অধিকার। তার ওপর সংঘটিত হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত ওই মানববন্ধনে কেবল ন্যায়বিচার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। সেখানে প্রেসক্লাবের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়Ñএমন কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। চিঠিতে তিনি তার ওপর হামলার ঘটনায় প্রেসক্লাবের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা না নেওয়া এবং সামাজিক মাধ্যমে তাদের পরিচয় বহাল রাখাকে গঠনতন্ত্রবিরোধী বলে উল্লেখ করেন। রেজাউল করিম আরও অভিযোগ করেন, প্রেসক্লাবের বর্তমান কার্যক্রমে গঠনতন্ত্র যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না এবং একপাক্ষিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে নীতিগত অবস্থান থেকে তিনি কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাধারণ সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান। তিনি বলেন, পত্রটি গ্রহণের পর থেকে রাজশাহী প্রেসক্লাবের সঙ্গে তার কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক থাকবে না। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে রেজাউল করিম বলেন, আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে মানববন্ধনে অংশ নিয়ে আমার ওপর সন্ত্রাসী হামলার বিচার দাবি করেছি। সেখানে কোনোভাবেই প্রেসক্লাবের সম্মানহানিকর বক্তব্য দেইনি। নোটিশটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও একপাক্ষিক বলে মনে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমার ওপর হামলার ঘটনায় ন্যায়বিচার চাওয়াই যদি অপরাধ হয়, তাহলে বিষয়টি দুঃখজনক। বরং প্রশ্ন হচ্ছে,সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না। উল্লেখ্য, মোঃ রেজাউল করিম বর্তমানে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নেত্রকোণায় হামের উপসর্গে ৭১ জন হাসপাতালে, ৪ জনের অবস্থা সংকটাপন্ন বাঘায় ৭৪০ জন কৃষক পেল সার-বীজ, প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের টাকা পেল ২৪৩জন হাম প্রতিরোধে রাজশাহীতে বিশেষ কর্মসূচি, টিকা দেবে রাসিক হাম মোকাবিলায় প্রস্তুত রাজশাহী, বললেন রাসিক প্রশাসক যানবাহনের হর্নে অতিষ্ঠ রাজশাহী নগরী, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি রাজশাহীতে বিপুল পরিমান ফেনডিলসহ দুই মাদককারবারি গ্রেফতার মহাদেবপুরে ৩০ কোটি টাকার ব্রিজ কোনো কাজে আসছে না সংযোগ সড়কের অভাবে যাতায়াত বন্ধ এলাকাবাসীর ভরসা সেই বাঁশের সাঁকো মান্দায় পাটবীজ ও সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ গুণী প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হলেন উলিপুরের মাহবুবার রহমান

দিনকাল বিডি / ৪৩৪ Time View
প্রকাশঃ বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫


কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ ‎কুড়িগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ গুণী প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ার পর এবার রংপুর বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী প্রধান শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন উলিপুর উপজেলার বজরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মাহবুবার রহমান।

‎বুধবার(১৭ সেপ্টেম্বর) রংপুর বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের উপপরিচালক এর পক্ষে সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম মন্ডলের স্বাক্ষরিত এক আদেশে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৫ উদযাপন ও গুণী শিক্ষক নির্বাচন উপলক্ষে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

‎জানা গেছে, বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৫ উদযাপন ও গুণী শিক্ষক নির্বাচন উপলক্ষে রংপুর বিভাগীয় প্রতিযোগিতা মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি ও রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোঃ শহিদুল ইসলাম এনডিসি এর সভাপতিত্বে সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়। এসময় শিক্ষকের শিক্ষাগত যোগ্যতা, ব্যক্তিগত পারদর্শিতা, শিক্ষকের বিভিন্ন কলাকৌশল, স্থানীয় অভিভাবকদের সঙ্গে জানাশোনা, পেশাগত দক্ষতা, প্রশ্ন তৈরির দক্ষতা, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর প্রতি পাঠদান পদ্ধতি, শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত প্রোফাইল তৈরি, ঝরে পড়া হার রোধে নিয়মিত হোম ভিজিট, উপস্থিতি বৃদ্ধিতে শিক্ষকের বিশেষ ভূমিকা, শিক্ষকের ইনোভেশন, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল কাজে উদ্ধুদ্ধকরণ, বিদ্যালয়ে উন্নয়নমূলক কাজে সহায়তা করাসহ নানা বিষয়ে উক্ত কমিটি যাচাই-বাছাই শেষে বজরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মাহবুবার রহমানকে বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ গুণী প্রধান শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

‎এ বিষয়ে শ্রেষ্ঠ গুণী প্রধান শিক্ষক মাহবুবার রহমান বলেন, জেলার পর এবার বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী প্রধান শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি। এই অর্জন আমাকে সামনের দিনে এই ধরনের কার্যক্রমে আরও বেশি উদ্বুদ্ধ করবে। আমি যেন এভাবেই কাজ করে যেতে পারি, সেজন্য সকলের নিকট দোয়াপ্রার্থী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category




Recent Posts

Recent Comments

No comments to show.

রাজশাহী প্রেসক্লাব থেকে সেচ্ছায় অব্যাহতি নিলেন রেজাউল করিম ও শামসুল রহমান নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: রাজশাহী প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাধারণ সদস্যপদ থেকে সেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছেন রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. রেজাউল করিম এবং সাধারণ সম্পাদক শামসুল রহমান। শনিবার (৪ এপ্রিল) এক লিখিত পত্রের মাধ্যমে তারা এ সিদ্ধান্ত জানান। পত্রে রেজাউল করিম উল্লেখ করেন, গত ৩০ মার্চ প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে অভিযোগ করা হয়, তিনি একটি মানববন্ধন থেকে প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে সম্মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই বলে দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ ও দাবি উপস্থাপন করা তার সাংবিধানিক অধিকার। তার ওপর সংঘটিত হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত ওই মানববন্ধনে কেবল ন্যায়বিচার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। সেখানে প্রেসক্লাবের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়Ñএমন কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। চিঠিতে তিনি তার ওপর হামলার ঘটনায় প্রেসক্লাবের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা না নেওয়া এবং সামাজিক মাধ্যমে তাদের পরিচয় বহাল রাখাকে গঠনতন্ত্রবিরোধী বলে উল্লেখ করেন। রেজাউল করিম আরও অভিযোগ করেন, প্রেসক্লাবের বর্তমান কার্যক্রমে গঠনতন্ত্র যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না এবং একপাক্ষিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে নীতিগত অবস্থান থেকে তিনি কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাধারণ সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান। তিনি বলেন, পত্রটি গ্রহণের পর থেকে রাজশাহী প্রেসক্লাবের সঙ্গে তার কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক থাকবে না। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে রেজাউল করিম বলেন, আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে মানববন্ধনে অংশ নিয়ে আমার ওপর সন্ত্রাসী হামলার বিচার দাবি করেছি। সেখানে কোনোভাবেই প্রেসক্লাবের সম্মানহানিকর বক্তব্য দেইনি। নোটিশটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও একপাক্ষিক বলে মনে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমার ওপর হামলার ঘটনায় ন্যায়বিচার চাওয়াই যদি অপরাধ হয়, তাহলে বিষয়টি দুঃখজনক। বরং প্রশ্ন হচ্ছে,সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না। উল্লেখ্য, মোঃ রেজাউল করিম বর্তমানে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।