• বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
পোরশায় এমপি কতৃক তিনটি এইচবিবি রাস্তা উদ্বোধন নাটোরে ৭ বছরের শিশুকে ২১ বছর উল্লেখ করে মামলা করায় বাদির বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ পুঠিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, বিক্ষোভে দুই ড্রাম ট্রাকে আগুন রাজশাহী বিআরটিএ অফিসে ঘুষের অভিযোগ, সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি চরমে পুঠিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১,বিক্ষোভে দুই ড্রাম ট্রাকে আগুন রাজশাহীতে মদ-ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডল-সহ মাদক কারকবারী গ্রেফতার -৫ মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে মানব পাচারের অভিযোগ, কম্বোডিয়ায় বিক্রি ৬ যুবক পার্বতীপুরে মিড ওয়াইফ ওয়ারী ডে পালন চারঘাট প্রেস ক্লাবের আয়োজনে প্রতিষ্ঠাতা রাঙ্গা’র স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল, প্রধান অতিথি ছিলেন এমপি আবু সাঈদ চাঁদ নওগাঁর আত্রাইয়ে এক বৃদ্ধার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রাজশাহী বিআরটিএ অফিসে ঘুষের অভিযোগ, সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি চরমে

দিনকাল বিডি ২৪ / ১৭ Time View
প্রকাশঃ মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী আঞ্চলিক বাংলাদেশ রোড
ট্রান্সপোর্ট অথোরিটি (বিআরটিএ) কার্যালয়ে ড্রাইভিং
লাইসেন্সসহ বিভিন্ন সেবা পেতে ঘুষের অভিযোগ উঠেছে।
সেবাগ্রহীতাদের দাবি, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে টাকা না দিলে পরীক্ষায়
পাস করা বা প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে শতাধিক ড্রাইভিং লাইসেন্সের
আবেদন জমা পড়লেও সপ্তাহে মাত্র এক-দুই দিন পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষায়
অংশ নিতে এলে আবেদনকারীদের বায়োমেট্রিক, লিখিত ও ব্যবহারিক
পরীক্ষার ধাপ পেরোতে হয়। তবে এসব প্রক্রিয়ায় ঘুষ ছাড়া অগ্রসর হওয়া
কঠিন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
নগরীর তাহসিনুল আমিন রাহী বলেন, পরিচিত ব্যক্তি বা অর্থের
বিনিময়ে সহজেই কাজ সম্পন্ন হলেও সাধারণ আবেদনকারীদের
দীর্ঘদিন ভোগান্তি পোহাতে হয়। একই অভিযোগ করেছেন নগরীর
কাজলা এলাকার হিরা ও সাদ্দাম। তাঁদের দাবি, টাকা দিলে দ্রুত লাইসেন্স
পাওয়া যায়, আর না দিলে নানা অজুহাতে আবেদন আটকে দেওয়া হয়।
একাধিক সূত্র জানায়, একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে ৩ হাজার থেকে ১৫
হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয়। হালকা লাইসেন্সের জন্য সর্বনিম্ন ৩
হাজার এবং ভারি লাইসেন্সের জন্য প্রায় ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া
হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে মাসে প্রায় অর্ধকোটি টাকার
লেনদেন হয় বলেও দাবি সূত্রগুলোর।সূত্র আরও জানায়, কয়েকজন কর্মকর্তা ও
কর্মচারীর যোগসাজশে একটি সিন্ডিকেট এসব কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ
করছে। বিশেষ করে সহকারী পরিচালক পদ শূন্য থাকায় পরিস্থিতি আরও
জটিল হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। মোটরযান
পরিদর্শক সমুন হোসেন বলেন, এ বিষয়ে কিছু জানেন না তিনি। আর
সহকারী পরিচালকের দায়িত্বে থাকা প্রকৌশলী মোঃ শাহজামান জানান,
অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।#


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category