• মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রুয়েটে বিএইটিই ইভ্যালুয়েশন টিমের তিন দিনব্যাপী পরিদর্শন শুরু রামেক ছাত্রদলের কমিটিতে বিতর্কিতদের পদ, ক্ষোভে বিক্ষোভ মাদক নির্মূলে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান রাজশাহী জেলা প্রশাসকের রাজশাহী নগরীতে নারীসহ মাদক কারবারী গ্রেফতার ৮ রাজশাহী সিটি কলেজ ছাত্রদলের কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ চারঘাট সীমান্তে বিপুল পরিমান ভারতীয় জেডি মদ জব্দ নওগাঁর পত্নীতলায় রাকাবের উদ্যোগে ‘প্রকাশ্যে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ, ৩৩ লক্ষাধিক টাকার ঋণের চেক হস্তান্তর কুষ্টিয়ায় পাথরবোঝাই ট্রাক খাদে উল্টে চালক-সহকারী নিহত শয়তানের নিঃশ্বাস চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার ইসলামপুরে যমুনার ভয়াবহ ভাঙন ঝুঁকিতে নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের সরকারি বাঁধ

আইসিইউ সংকটে শিশু মৃত্যুর পর রামেক শিশু হাসপাতাল চালুর উদ্যোগ

দিনকাল বিডি ২৪ / ৭৫ Time View
প্রকাশঃ মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী:

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)
সংকটে শিশুদের মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসার পর অবশেষে দীর্ঘদিন
বন্ধ থাকা রাজশাহী শিশু হাসপাতাল চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
আগামী তিন মাসের মধ্যে হাসপাতালটি আংশিকভাবে চালু করা
হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের
স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রামেক হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে
স্বাস্থ্যসচিব বলেন, প্রথম ধাপে শিশু হাসপাতালে বহির্বিভাগ
(আউটডোর) সেবা চালু করা হবে। পরবর্তীতে আগামী
অর্থবছরে ধাপে ধাপে অন্যান্য সেবাও চালু করা হবে।
প্রায় আট বছর আগে নগরের বন্ধগেট এলাকায় ৩৫ কোটি টাকা
ব্যয়ে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট রাজশাহী শিশু হাসপাতালের নির্মাণকাজ
শুরু হয়। তিন বছর আগে নির্মাণকাজ শেষ হলেও সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষ হাসপাতালটি বুঝে না নেওয়ায় এতদিন সেবা
কার্যক্রম শুরু হয়নি। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় হাসপাতালের
বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও সামগ্রী চুরির ঘটনাও ঘটেছে।
এদিকে শিশু হাসপাতালটি চালু না থাকায় রামেক হাসপাতালের
শিশু বিভাগে রোগীর চাপ চরমে পৌঁছেছে। ২০০ শয্যার বিপরীতে
প্রায় ৭০০ শিশু রোগী ভর্তি থাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে
হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। রাজশাহী ছাড়াও রংপুর ও খুলনা
বিভাগের রোগীরাও এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন।
রামেক হাসপাতালে শিশুদের জন্য মাত্র ১২টি আইসিইউ শয্যা
রয়েছে। এই সীমিত শয্যার জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা তালিকা তৈরি হয়,
যেখানে ৩০ থেকে ৫০ জন রোগী সিরিয়ালে থাকেন। ফলে জরুরি
চিকিৎসা পেতে দেরি হওয়ায় ঝুঁকি বাড়ছে।
বর্তমানে শিশুদের মধ্যে হামের মতো সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব
বাড়ায় আইসিইউর চাহিদা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন শিশু
হাসপাতালেও ১২টি আইসিইউ শয্যা থাকার কথা রয়েছে, যা চালু
হলে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
রামেক পরিদর্শনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা.
প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় স্বাস্থ্যসচিব

জানান, শুধু শিশু হাসপাতালই নয়Ñসদর হাসপাতাল ও বক্ষব্যাধি
হাসপাতালসহ যেসব স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো প্রস্তুত
রয়েছে, সেগুলো দ্রুত চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।#


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category