• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
নাচোলে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত পার্বতীপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহিত দিবস পালিত,আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাজশাহী মহানগর বিএনপির জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন ও বেলুন উড়িয়ে দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবার মান বাড়াতে কমিশনারের নির্দেশনা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দায় কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত নওগাঁ জেলা জামায়াতের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন আমির মাহফুজুর রহমান নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য হলেন প্রভাষক আবু সাঈদ কুষ্টিয়ায় মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল বরাদ্দ ফুলবাড়ী উপজেলার মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

কলাপাড়ায় যাত্রীবাহী বাস থেকে সাড়ে ২৬ মন মাছ জব্দ

দিনকাল বিডি ২৪ / ১০৮ Time View
প্রকাশঃ শনিবার, ৬ জুলাই, ২০২৪

মোঃ ফোরকান, পট্য়াখালী জেলা প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় যাত্রীবাহী ৩টি বাস থেকে ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির সাড়ে ২৬ মন সামুদ্রিক মাছ জব্দ করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
তিন বাসের চালককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা। সমুদ্রে মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও মহীপুর, আলীপুর, কুয়াকাটা মৎস্য ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট বেপরোয়া। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে দশটায় শেখ কামাল সেতুর টোল প্লাজায় এ অভিযান পরিচালনা করে পরিবহন থেকে এসব মাছ জব্দ করেন ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কৌশিক আহম্মেদ।

এসময় অবৈধভাবে মাছ পরিবহনের দায়ে ৩ বাসের চালককে ১০ হাজার টাকা করে মোট ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দকৃত মাছ বিভিন্ন এতিমখানা ও হতদরিদ্র মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়। এসময় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা ও থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযান সুত্রে জানা যায়, ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কৌশিক আহম্মেদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আব্বাস, অন্তরা ও মীমজাল পরিবহন থেকে ২০০ কেজি ইলিশ, ২০০ কেজি পোয়া, ১৮০ কেজি ডাডি ও ৪৮০ কেজি লইট্যা মাছ জব্দ করা হয়।

এব্যপারে সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গরা বলেন, প্রতিবছর সরকার ছাবছিডারি দিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। জেলেদের ভিজিএফ চাল সঠিক ভাবে বন্টন হলে হয়তো ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞায় গভীর সমুদ্রে যেত না তারা। আর তখন সমুদ্রের মাছ ধরাও পরতোনা। বেচে যেত ছোটবড় বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ। দেশের মানুষের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হতো। মাছের ঘাড়তি লাঘব হতো। তাই আমাদের জেলেদের ন্যায্য পাওনা যাতে সঠিক ভাবে পৌঁছে দেওয়া হয় সে ব্যপারে খেয়াল নেয়া দরকার। এবং অসাধু মৎস আড়ৎগুলোকে জরিমানার আওতায় আনা দরকার বলে মনে করেন তারা।

তবে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার ওপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও সমুদ্র থেকে এসব মাছ শিকার করছে কিছু অসাদু জেলেরা ও কুয়াকাটা, মহিপুর, আলীপুর মৎস্য ব্যবসায়ীর সিন্ডিকেট।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category