• মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রুয়েটে বিএইটিই ইভ্যালুয়েশন টিমের তিন দিনব্যাপী পরিদর্শন শুরু রামেক ছাত্রদলের কমিটিতে বিতর্কিতদের পদ, ক্ষোভে বিক্ষোভ মাদক নির্মূলে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান রাজশাহী জেলা প্রশাসকের রাজশাহী নগরীতে নারীসহ মাদক কারবারী গ্রেফতার ৮ রাজশাহী সিটি কলেজ ছাত্রদলের কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ চারঘাট সীমান্তে বিপুল পরিমান ভারতীয় জেডি মদ জব্দ নওগাঁর পত্নীতলায় রাকাবের উদ্যোগে ‘প্রকাশ্যে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ, ৩৩ লক্ষাধিক টাকার ঋণের চেক হস্তান্তর কুষ্টিয়ায় পাথরবোঝাই ট্রাক খাদে উল্টে চালক-সহকারী নিহত শয়তানের নিঃশ্বাস চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার ইসলামপুরে যমুনার ভয়াবহ ভাঙন ঝুঁকিতে নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের সরকারি বাঁধ

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক নিজেই এখন রুগি

দিনকাল বিডি / ১৬৯ Time View
প্রকাশঃ সোমবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২২

বাগেরহাট প্রতিনিধি ।।

কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিজেই এখন রুগী । চিকিৎসক সহ জনবল সংকট আর অব্যাবস্থাপনায় ধুঁকছে কচুয়া উপজেলা চিকিৎসা সেবার কার্যক্রম ।

সরেজমিনে হাসপাতালে গেলে দেখা যায় নাগরিকদের জন্য তথ্য প্রদানের বোর্ড গুলো অস্পষ্ট হয়ে পরে আছে । কর্তৃপক্ষের সঠিক ব্যাবস্থাপনার অভাবে পানির তীব্র সংকট সৃষ্টি হয়েছে । দীর্ঘদিন ধরে অপরিস্কার খোলা পুকুরের পানি খাওয়ানো হচ্ছে রোগীদের ।এতে করে ডায়রিয়া আক্রান্ত ও অন্যান্য রোগীরা রয়েছে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে।সরকারি পানির লাইনটিও ত্রুটির কারনে বন্ধ হয়ে আছে।

ওয়ার্ল্ড ভিশনের মাধ্যমে প্রাপ্ত সৌর চালিত পানির সাপ্লাইটির ব্যাটারী চুরি হওয়ার পর থেকে পরিত্যাক্ত অবস্থায় পরে আছে ।

হসপিটালের বাইরা অপরিস্কার ও ঝোপঝাড় জঙ্গলে পরিনত হয়ে আছে।

এছারা হসপিটালের ভিতরে কোর্য়াটার ভবন গুলোও পরে আছে জরাজীর্ণ অবস্থায়।হসপিটালের ভিতরে গেলে আঁতকে ওঠার মতো অবস্থা তৈরি হয় । ২০২০ সালে ৩১শয্যা ঘোষিত পরিত্যাক্ত ভাঙ্গা জরাজীর্ণ ভবনে মারাত্মক ঝুঁকি পূর্ণ অবস্থায় গর্ভবতী মায়েদের সেবা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

এছাড়াও হাসপাতালে কোন মেডিক্যাল টেকনোলজিষ্ট ল্যাব না থাকায় কোন রোগীর ল্যাব টেষ্ট হচ্ছে না । নেই কোন আধুনিক এক্সরে মেশিন । তেল সংকট সহ নানা সমস্যার কারনে জেনারেটর বন্ধ হয়ে আছে ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলে রাতে তৈরি হয় ভূতুড়ে পরিবেশ।

এম্বুলেন্সে পার কিলোমিটারে আসা-যাওয়া বাবদ ২০ টাকা নির্ধারণ করা থাকলেও রোগীদের কাছ থেকে বেশি টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।তবে কর্তৃপক্ষ ভবনের সমস্যার বিষয়াদি স্বাস্থ্য প্রকৌশলী বিভাগে একাধিকবার চিঠি দিয়েছেন বলে জানা যায়।

লক্ষাধিক জনগণের স্বাস্থ্যসেবার জন্য ২৯ জন ডাক্তারের স্থলে টিএইচএ এবং আরএমও সহ কাগজপত্রে রয়েছে মাত্র ৬ জন ডাক্তার কিন্তু বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা । কারন এর মধ্যে ২ জন ডাক্তার আছে অ-অনুমোদিত অনুপস্থিত।

কচুয়া হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে টিএইচএ এবং আরএমও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যাস্ত থাকে সেক্ষেত্রে উপস্থিত ডাঃ জাকারিয়া ও ডাঃ আ.স.ম মাহামুদুল আলোম চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকেন।

এছাড়াও ২৯ জনের মধ্যে কনসালটেন্ট ১০ জন সেবা দেওয়ার কথা থাকলেও ডেপুটি হিসাবে দায়িত্বে আছে ডাঃজিনিয়া, ডাঃজান্নাতুল, ডাঃহুমাইরা পারভীন, ডাঃ রাসেল মোস্তাফিজ, ডাঃমোস্তাফিজুর রহমান স্বাধীন সে হিসাবে ২৯ জনের মধ্যে ১৯ পদের বিপরীতে সাধারণ জনগন সেবা পাচ্ছে মাত্র ৪ জনের।বাকি ১০ জনের বিপরীতে সেবা পাচ্ছে ৫ জনের তাও নিয়মিত নয়। এতে করে ১ লাখের বেশি জনসংখ্যার জন্য কতটুকু চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত হচ্ছে ভাবার বিষয়।

৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীতি হলেও আগের লোকবল দিয়েই চলছে সেবা কার্যক্রম।স্টাফ নার্স ৩০ জনের ৩ জন বিএসসি ট্রেনিং এর জন্য খুলনায় আছেন, মাতৃসনদ ছুটিতে আছেন ২ জন।এছাড়াও মিডওয়াইফারী ৬ জনের ১ জন আছে মাতৃসনদ ছুটিতে।২ জন আয়ার ১ জন ডেপুটেশনে চিতলমারীতে রয়েছে।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়,এখানে ল্যাব টেকনোলজিষ্টের ৩টি পদের সবগুলোই রয়েছে খালি। মাঠকর্মী ২৫ জনের জায়গায় রয়েছে ১৫ জন। এইচ আই পদে ২ টির একজনও নেই।এ এইচ আই পদে ৫ জন থাকার কথা থাকলেও আছে ৩ জন।এমএলএসএস পদে ৪ জন থাকার কথা থাকলেও আছে ২ জন।ওয়ার্ড বয় পদে ৩ জন থাকার কথা থাকলেও ১ জনের পদ শূন্য।সবমিলিয়ে ৬০ এর অধিক পদে জনবলের সংকটে রয়েছে।হাসপাতালের কিছু কিছু কর্মকর্তা কার্যক্রম ভালো চলছে বললেও বাস্তবে বহুবিধ সমস্যা নিয়ে প্রায় অচলাবস্থায় রয়েছে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।

রোগীরা পাচ্ছে না প্রকৃত সেবা ফলে আসপাশের বেসরকারি ক্লিনিক সহ দুর দুরান্তে চিকিৎসার জন্য দৌড়ঝাঁপ করতে হচ্ছে তাদের।সেবার মান ভালো না থাকায় বর্তমানে রোগী শূন্য অবস্থায় দেখা যায়।

এছাড়াও হাসপাতালের পুরাতন ভবন রিপিয়ারিং এর ৯৫% কাজ শেষ হয়েছে জানালেও সেখানে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বাজেট অনুযায়ী কাজে অনেক ঘারতী রয়েছে।পুরাতন জানালা,দরজা গ্রীলে রং করে ব্যাবহার করা হয়েছে।

এবিষয়ে জানার জন্য হাসপাতালে গেলে টিএইচএ ও আরএমও কাউকে হাসপাতালে পাওয়া যায়নি। তাদের সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে জানাযায়, টিএইচএ ১ মাসের অর্জিত ছুটিতে আছেন এবং আরএমও ৫ দিনের ট্রেনিংএ আছেন। তবে আরএমও ডাঃ মনি শংকর পাইকের সাথে মুঠোফোনে কথা হয় তিনি বলেন” আমার কাছে কাজের সিডিউল আছে আমি ট্রেনিং শেষে আসলে দেখাতে পারবো। আমি সহ অফিসের স্টাফরা দেখভাল করছে।আমরা কাজ এখনো হ্যান্ডওভার করিনি অর্থাৎ কাজ শেষ হয়নি।যেখানে যেখানে সিডিউল ব্যার্থ হয় অবশ্যই সেখানে ধরা হবে।কোথাও ব্যার্তয় ঘটলে আবার নতুন করে করা হবে বলে জানান।সংস্কারের বাজেট সম্পর্কে তিনি বলেন,সম্ভবত ৩৫ লাখের বেশি।অন্য কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন ট্রেনিং


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category