• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবার মান বাড়াতে কমিশনারের নির্দেশনা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দায় কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত নওগাঁ জেলা জামায়াতের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন আমির মাহফুজুর রহমান নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য হলেন প্রভাষক আবু সাঈদ কুষ্টিয়ায় মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল বরাদ্দ ফুলবাড়ী উপজেলার মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাণীনগরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু কৃষকের ঘরে আসছে নতুন সোনালী ফসল রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।।

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য: চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাজার এখন মুনাফাখোর/ দু’নম্বরী ব্যবসায়ীদের দখলে

দিনকাল বিডি ২৪ / ১১৭ Time View
প্রকাশঃ সোমবার, ১১ মার্চ, ২০২৪

এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম থেকে : চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাজার গুলো এখন মুলত: মুনাফাখোর/দু’নম্বরী ব্যবসায়ীরা দখলে নিয়েছে। তারা তাদের খেয়াল খুশি মতো যে কোনো জিনিসাধির দাম বাড়িয়ে ক্রেতা সাধারণের কাছ থেকে আদায় করে নিচ্ছে। বাজার গুলোতে এমন কোনো জিনিস নেই যে, তারা মুসলমানদের পবিত্র মাস ‘মাহে রমজান’ মাস কে সামনে রেখে সিন্ডিকেট করে মানুষের মরার ওপর খাঁড়ার ঘাঁ সৃষ্টি করে নিজেরা রাতারাতি লাখোপতি বনে যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর। কেউ কেউ ইতিমধ্যে হয়ে ও গিয়েছে তা।

দীর্ঘদিন যাবত চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাজারে এ অবস্থা চলে আসলে ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন একেবারেই নিরব-নিথর হয়ে রয়েছে!
চট্টগ্রামের বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজারে ওই রকম মুনাফাখোর/দু’ম্বরী ব্যবসায়ীদর ওই রকম ব্যবসা কান্ড সম্পর্কে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন একাধিকজন।
অভিযোগের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদক বারইয়ারহাট বাজারে গিয়ে এর সত্যতা খুঁজে পান্।

বাজারে গিয়ে দেখা যায়, রমজান মাসে রোজাদার মুসলমানদের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসাধির মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য, চনাবুট প্রতি কেজি ১৩০/১৪০- ১৭০/১৮০ টাকা, বুট ফাইল ৮০/৯০ টাকা, চিনি ১৪০/২৬০ টাকা, মুড়ি ৮০/৮৫ টাকা, গাজর ৫০/৬০ টাকা, শশা ৬০/৭০ টাকা, টমেটো ৫০/৬০ টাকা, খেজুর প্রকার ভেদে ২৫০/৪৫০-৫০০ টাকা, তোকমা ৩০০/৩৫০ টাকা, ইসুপগুল ৩০০০/৩০৫০ টাকা। এবং আনুপাতিক হারে প্রায় সব জিনিসাধির দাম আকাশচুম্বী।

দরীদ্র মানুষের পক্ষে ক্রয় করা একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
সবচেয়ে আশ্চর্যজনক ঠেকছে শাক্ এর বিষয়ে।এখন ২০ টাকা শাক এর মুঠো বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা করে! বেশি দিন আগের কথা নয়, অল্প কয়েকদিন আগে ও যেখানে বিভিন্ন শাক এক মুঠো বিক্রি করা হতো ১০-১৫ এবং সর্বশেষ ২০ টাকা করে সেখানে গতকাল রোজা কে সামনে রেখে তা বিক্রি করা হচ্ছে ৫০ টাকা প্রতি মুঠো!!!

বাজার মনিটরিং এবং কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না নেয়ার কারনে মুনাফাখোর/দু’নম্বরী ব্যবসায়ীরা নিজেদের খেয়াল খুশি মতো বিভিন্ন জিনিসের দাম আদায় করে নিচ্ছে ক্রেতা সাধারণের কাছ থেকে।

এমন অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাওয়ার পর পত্রিকায় ‘শিরোনাম’ হয়ে আসলে ও কি স্ব স্ব বাজারের বাজার কমিটি, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং পৌরসভার মেয়র সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা কি ঘুমিয়ে থাকেন নাকি কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিতে এগিয়ে আসেন তা দেখার বিষয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category