• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবার মান বাড়াতে কমিশনারের নির্দেশনা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দায় কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত নওগাঁ জেলা জামায়াতের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন আমির মাহফুজুর রহমান নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য হলেন প্রভাষক আবু সাঈদ কুষ্টিয়ায় মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল বরাদ্দ ফুলবাড়ী উপজেলার মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাণীনগরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু কৃষকের ঘরে আসছে নতুন সোনালী ফসল রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।।

চট্টগ্রামের সর্বোত্র বিদ্যুৎ এর লাইন কাটা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ: অথচ, বিদ্যুৎয়ের দেখা মেলাও ভার

দিনকাল বিডি ২৪ / ১১১ Time View
প্রকাশঃ সোমবার, ১ জুলাই, ২০২৪

এম এ কাশেম জেলা প্রতিনিধি চট্টগ্রাম:
বর্তমান সময়ে বিদ্যুৎ (কারেন্টে) এর বিষয় নিয়ে দেশের সর্বোত্র চলছে তুলকালাম কান্ড! শোনা যাচ্ছে বিদ্যুৎয়ের বকেয়া বিল এর জন্য নাকি লাইন কেটে দেয়া হচ্ছে! চট্টগ্রামের সর্বোত্র যখন বিদ্যুৎ সরবরাহ একেবারেই নিন্মে তখন বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ তখনো গভীর ঘুমের ঘোরে আচ্ছন্ন।
নিয়মের বাইরে বিল বকেয়া রাখা একধরনের ঘোরোতরো অন্যায়/ অপরাধ যেমনি ঠিক তেমনি বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিক মতো না করতে পারা ও অন্যায়- অপরাধের সামিল বলে অভিজ্ঞজনদের মতামত।

চট্টগ্রামের সর্বোত্র প্রতি চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে গড়ে প্রতিদিন ৬/৭ বিদ্যুৎ পাওয়া যেনো ‘সানার হরিণ’ পাওয়ার মতো অবস্থা হয়েছে। ইতিমধ্যে চট্টগ্রামের দু’টি সরকার বড় প্রতিষ্ঠান এর লাইন কেটে দিয়ে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ একটি নাটক এ্য রিহার্সাল করে গেলো বলে অনেকেই মনে করেন।
অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যাক্তিরা মনে করেন, বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ সাধারণ গ্রাহকদের লাইন কেটে দিলে সমালোচনায় পড়ে যাবে। এমন কি গ্রাহকদের আন্দোলন-বিক্ষোভের মধ্যে ও পড়ে যেতে পারে। আর তাই তারা আইওয়াশ হিসেবে সাধারণ গ্রাহকদের আন্দলোন ও ক্ষোভ- বিক্ষোভ’র দাবানল থেকে বাঁচতে আগে ভাগে উক্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানের লাইন কাটার বুদ্ধি এপ্লাই করে তারা তাদের আগামীর পথ পরিস্কার করে ফেলে তার শুরু করেছে সাধারণ গ্রাহকদের।

প্রাসঙ্গিক বিষয়ে একাধিক জন জানান, নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি বিল বাকি রাখা অন্যায় হিসেবে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে পারেন/ পারবেন ও। তার আগে চাহিদা মাফিক নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। কিন্তু, দেশের অন্যান্য স্থানের কথা বাদ দিলে ও চট্টগ্রামের সর্বোত্র কি বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ সেই ব্যবস্থা করতে পেরেছেন? গ্রাহকদের সেবা দিতে না পেরে উল্টো গ্রাহকদের ওপর বিদ্যুৎ হীন অন্ধকারে রাখার পর ও লাগামহীন বিদ্যুৎ বিল করে গলায় কাঁটা বিদ্ধ হওয়ার মতো অবস্থা সৃষ্টি করে পরবর্তীতে লাইন কেটে দিয়ে জরিমানার নামে পকেট কাটার ‘খড়গ’ চালানো কোনো অবস্থাতেই কোনো গ্রাহক মেনে নিবে না/ নিতে পারে ও না।

বোদ্ধা মহল বলেন, আর তাই স্বভাবতই প্রশ্ন জাগার কথা যে, বিদ্যুৎ না থাকলে ও তো বিল আসে! আর তাই সেই বিদ্যুয়ের মিটার রেখে ও কি লাভ? সুতরাং, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ দিতে না পারলে একেবারেই চিরদিনের জন্য লাইন কেটে দেয়া-ই ভালো। বিল বাকি ইস্যু সৃষ্টিতে লাইন কাটার নামে জরিমানা আদায় করার নাটকিয় ভাব বন্ধ করতে হবে নয়তো গ্রাহকরা কর নিয়ে ঠিক করবে।
অভিজ্ঞ জনরা বলেন, আচ্ছা ঠিক আছে তারা না হয় বকেয়া বিল ইস্যুতে গ্রাহকদের লাইন কেটে দিবে। কিন্তু, সেই গ্রাহকরা যখন-ই সব বিল পরিশোধ করে দিবেন তখন কি তাদের লাইন ঠিক করে পূনরায় সংযোগ দিয়ে দিবেন?

না, তা মোটেই নয়! ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে জানা গেছে বিল বকেয়া থাকার অজুহাতে লাইন কেটে দেয়ার পর যদি বকেয়া সব বিল পরিশোধ করা হয় তখন তারা লাইন ঠিক করে সংযোগ দেয় না! টাকা বুজে নেয়ার পর বলা হয় লাইন ঠিক করে সংযোগ দিতে হলে জরিমানার টাকা ও প্রেমেন্ট করে দিতে হবে। জানা গেছে, তারা গ্রাহক মোতাবেক ১০/২০ হাজার থেকে আরো বেশি ও চার্জ করে বসে। যারা তাদের কথা মোতাবেক টাকা দিতে পারে সাথে সাথে তাদের সংযোগ দিয়ে দেয়। আর টাকা দিতে না পারে বা জোগাড় করতে দেরী হয় ততোদিন পর্যন্ত তারা অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকতে হয়!!!

তার পর ও অনেকেই জানার বিষয় মনে করে প্রশ্ন রাখছেন-কয় মাসের বিল বকেয়া থাকলে লাইন কেটে দেয়া হয় বা হবে?
সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগ/কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের জানার বিষয়টি সম্পর্কে জানাবেন কি ?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category