এম, এ কাশেম জেলা প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :: উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই সদর পৌরসভা ও বারইয়ারহাট পৌরসভায় গত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের কে কেন্দ্রে প্রবেশ তো দুরে থাক বাড়ি-ঘরে ও থাকতে দেয় হয়নি।
আর বিএনপি’র নেতা-কর্মী এবং সাধারণ ভোটারদের কে কেন্দ্রে ও প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি ভোট দেয়া তো দুরের কথা।
আর সেই কারণে যদি বিএনপি’র প্রার্থীরা অথবা দলের কোনো নেতায় যদি সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আদালতে একটা মামলা ঠুকে দিতো তাহলে আজ তা কাজের কাজ হতো।
সারাদেশের মতো চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডাঃ শাহাদাত হোসেন ওই রকম বিরুপ পরিস্থিতির শিকার হওয়ার পর আদালতে মামলা দায়ের করেন। ওই সময় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকায় আদালত সত্য-মিথ্যা যাচাই করে কোনো রায় দিতে পারেনি ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী ও নেতাদের ক্ষমতার চাপের কারণে।
কিন্তু, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে বেসামাল হয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এবং সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পলায়নের পর বিচার বিভাগ স্বাধীন ভাবে কাজ করতে গিয়ে গত পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের বিতাড়িত করে একক ভাবে পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর হয়ে যাওয়া দের অবৈধ ঘোষণা করা হয়। এবং তৎ সময়ে আওয়ামী বিরোধী প্রার্থীদের দায়েরকৃত মামলা আমলে নিয়ে এর সত্যতা সাপেক্ষ রায়ের ভিত্তিতে তাদের কে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
তার- ই নীরিখে আদালত কর্তৃক নির্দেশনা মোতাবেক আগামী দশ দিনের মধ্যে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব ভার গ্রহণ করতে ও বলা হয়। সেই হিসেবে অভিজ্ঞজনরা বলছেন, বলতে দ্বিধা নেই যে, মীরসরাই সদর পৌরসভা ও বারইয়ারহাট পৌরসভায় বৈষম্যের শিকার বিএনপি’র প্রার্থীরা অথবা তাদের পক্ষে দলের কোনো নেতা যদি আদালতে মামলা ঠুকে দিতেন তাহলে আজ তারা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের মতো দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়ে ক্ষমতার চেয়ারে গিয়ে বসার সুযোগ লাভ করতে পারতেন।
কিন্তু, তাদের ভুলের কারণে-ই তারা আজ ওই সুযোগ টি হারাতে বসেছে।
সূত্র জানায়, গত নির্বাচনে বারইয়ারহাট পৌরসভায় বিএনপি দলীয় মেয়র প্রার্থী ছিলেন দিদারুল আলম মিয়াজি। এবং তার আগের নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী ছিলেন মঈন উদ্দিন লিটন।
সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক অপসারিত মেয়র এর দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)।