সোহেল রানা,যশোরঃ যশোরের শার্শায় এক দিনের ব্যবধানে আবারো ব্যক্তি মালিকানায় লাগানো গাছ নিজেদের দাবি করে জেলা পরিষদ কাটা গাছ উদ্ধার করে জিম্মায় নিয়েছে। উদ্ধারকৃত গাছ ঝিকরগাছা ব্যাংদহ ডাক বাংলোয় রাখা হয়েছে।
ভুক্তভোগি সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ডিহি ইউনিয়নের সাড়াতলা-ছুটিপুর সড়কের গৌকর্ণ গ্রামের মৃত শফি উদ্দিন শাফার ছেলে লিটন বসত বাড়ির পাকা রাস্তা লাগুয়া নিজ জমিতে বেশ কয়েক বছর আগে মেহগনি গাছ লাগান। গাছের পাশে ঘর থাকায় সমস্যা হওয়াতে তিনি তার লাগানো একটি মেহগনি গাছ বাড়ির ঘরের কাজ করাবেন বলে কেটে রোববার সকালে ভ্যানযোগে চেরাই করার উদ্দেশ্যে সাড়াতলা বাজারের অদূরে রফিকুলের স’মিলে নিয়ে আসেন।
দুপুর ১২ টার দিকে যশোর জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার এমএ মঞ্জুর সরকারি রাস্তার গাছ (জেলা পরিষদ) দাবি করে স’মিলের পাকা রাস্তার পাশে রাখা একটি মেহগনি গাছ উদ্ধার করে নিজ জিম্মায় নেন।এ সময় তিনি লাল কালি দিয়ে গাছটিতে জেলা পরিষদের নাম্বারিং করেন। সার্ভেয়ারকে বারংবার নিজের জায়গায় লাগানো গাছ দাবি করলেও তাকে গাছ দেওয়া হয়নি বলে ভূক্তভোগি জানান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কাঠ ব্যবসায়ি বলেন, মেহগনি গাছটি ৬-৭ সেফটির মত হবে। যার বাজার মূল্য প্রায় ৪ হাজার টাকা।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে যশোর জেলা পরিষদ সার্ভেয়ার এমএ মঞ্জুর বলেন, গৌকর্ণ গ্রামের লিটন নামে একজনের নিকট থেকে রোববার সরকারি রাস্তার জেলা পরিষদের একটি কাটা মেহগনি গাছ উদ্ধার করে জিম্মায় নেওয়া হয়েছে। গাছটি ঝিকরগাছা ব্যাংদহ ডাক বাংলোর কেয়ারটেকারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে ডাক বাংলোতে রাখার জন্য। তিনি আরো বলেন,শনিবার একই গ্রামের হাজী মোহাম্মদ আলী কাঠ ব্যবসায়ীর নিকট বেঁচা জেলা পরিষদের রাস্তার শিশু গাছের তিনটি গুড়ি উদ্ধার করে ডাক বাংলোতে রাখা হয়েছে। শুনেছি গাছ বিক্রির টাকা হাজী সাহেব গ্রামের একটি মসজিদের উন্নয়নকাজে ব্যয় করবেন। বিষয় দুটি চেয়ারম্যান স্যার অবগত আছেন। পরবর্তীতে তিনি সিদ্ধান্ত নিবেন।