• বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।। সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর ৫ প্রবাসীর মরদেহ দাফন নওগাঁর মান্দায় ভালাইন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল কালাম আজাদের ব্যাপক গণসংযোগ রাজশাহীতে ডিবির অভিযানে পালিয়েছে কুখ্যাত মাদক কারবারী মাসুম ভারতীয় সিরাপসহ প্রাইভেট কার জব্দ, গ্রেপ্তার ১২ রাজশাহীতে পথকুকুরের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন কাজল রেখা রাজশাহীতে ৫২ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারী গ্রেপ্তার বাঘায় বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, ২২ বছরের নারীকে কিশোরী দেখিয়ে থানা থেকে ছাড়ার দাবি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে মেয়েরা, ৩৯ কলেজে কেউ পাস করেনি নওগাঁর মান্দায় এমপির সঙ্গে প্রসাদপুর দলিল লেখক সমিতির নতুন কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়

চট্টগ্রামের বিএনপি নেতারা হালুয়া রুটির ভাগাভাগির খপ্পরে পড়ে কি ভুলে যাবে কি অতিতের সেই দুঃসহ দিন-রজনী গুলোর কথা?

দিনকাল বিডি ২৪ / ১০৮ Time View
প্রকাশঃ শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৪

এম, এ কাশেম, জেলা প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :: পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের বিগত শাসনামলে দেশের প্রায় সব এলাকার অবস্থা এক-ই হলে ও দেশের প্রধান চালিকাশক্তি বন্দর নগরী চট্টগ্রামে বিএনপি’র নেতা-কর্মীদের ওপর হায়েনার মতো অত্যাচার+নির্যাতন এবং গ্রেপ্তার-হয়রানীর ‘খড়গ’র স্ট্রিম রোলার সবচেয়ে বেশি চালানো হয়েছিলো বলে প্রতীয়মান। চট্টগ্রামের কোথাও বিএনপি ও এর অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের কোনো নেতা-কর্মী-ই রেহাই পায়নি আওয়ামী’খড়গ’ থেকে।
সাবেক এমপি, মন্ত্রী, কেন্দ্রীয় নেতা থেকে শুরু করে ক্লিন ইমেজ ধারী কোনো নেতা-ই রেহাই পায়নি আওয়ামী অত্যাচার-নির্যান থেকে। এবং তাদের আজ্ঞাবহ পুলিশের গ্রেপ্তার-হয়রানীতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলো প্রায় সকল বিএনপি নেতা-কর্মীরা।
অথচ, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে বিএনপি ও এর অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের কিছু নেতা-কর্মী নামধারীরা রিতি মতো হালুয়া রুটি ভাগাভাগির মতো হীন কর্মে ব্যস্ত হয়ে পড়ে অতিতকে মনে হয় ভুলে যেতে বসেছে! তাদের ওই অবস্থা দেখে দলের তৃণমূল পর্যায়ের সাধারণ নেতা-কর্মীরা একেবারেই হতাশ।
অন্যান্য নেতা-কর্মীদের মতো বিগত ২০১৩ সালের আওয়ামী জামানার ওই দিনে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি’র সভাপতি, বর্তমান আহবায়ক, সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সংসদ সদস্য এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন এর উপদেষ্টা, গোলাম আকবর খোন্দকার দলীয় অন্যান্য নেতা-কর্মীদের নিয়ে গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালনকালে চট্টগ্রাম মহানগরীর নুর আহমদ সড়কস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল বের করে এগিয়ে যেতে থাকলে আওয়ামী আজ্ঞাবহ পুলিশ তাকে সহ বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার সাথে গ্রেপ্তার হওয়া অন্যান্য নের্তৃবূন্দদএর মধ্যে যাদের নাম-পরিচয় পাওয়া গেছে তারা হলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র যুগ্ন আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, রাউজান উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি অধ্যাপক জসিম উদ্দীন চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এডভোকেট খোরশেদ আলম, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সদস্য মোঃ শাহীন, গোলাম আকবর খোন্দকারের ব্যক্তিগত সহকারী অর্জুন কুমার নাথ প্রমুখ।
এ ছাড়া, চট্টগ্রামের উত্তর বারইয়ারহাট পৌরসভা এলাকা থেকে শুরু করে পুরো চট্টগ্রামের কোথাও বিএনপি বা এর অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নিবেদিত এমন কোনো নেতা-কর্মী বাকি ছিলো না যে, আওয়ামী হায়েনাদের হাতে হামলা বা অপমান অপদস্থের শিকার হয়নি। এবং দল নিবেদিত এমন কোনো নেতা-কর্মী খুঁজে পাওয়া যাবে না যে, আওয়ামী আজ্ঞাবহ পুলিশ এর হাত থেকে মামলা-হামলা এবং গ্রেপ্তার-হয়রানির শিকার হয়নি। অথচ, বিএনপি এখনো ক্ষমতায় না আসলে ও আওয়ামী লীগের পতন ঘটার পর থেকে এক ধরনের হালুয়া রুটির ভাগাভাগির খপ্পরে পড়ে তারা অতিত সময়ের দুঃসহ দিন-রজনী গুলোর কথা বেমালুম ভুলে গেছে বলে অবস্থাদৃষ্টে তা-ই মনে হওয়ার কথা! নয়তো বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালানো, মিথ্যে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার-হয়রানি চালানো এবং অপমান অপদস্থের ‘খড়গ’ চালানো সেই সব আওয়ামী গুন্ডারা এলাকায় অবাধে অবস্থান করে যায় কি ভাবে? এবং আওয়ামী আজ্ঞাবহ অতি উৎসাহি সেই সব পুলিশরা বহাল তবিয়তে থাকে কি ভাবে (?) সেই প্রশ্ন এখন সবার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category