• বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।। সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর ৫ প্রবাসীর মরদেহ দাফন নওগাঁর মান্দায় ভালাইন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল কালাম আজাদের ব্যাপক গণসংযোগ রাজশাহীতে ডিবির অভিযানে পালিয়েছে কুখ্যাত মাদক কারবারী মাসুম ভারতীয় সিরাপসহ প্রাইভেট কার জব্দ, গ্রেপ্তার ১২ রাজশাহীতে পথকুকুরের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন কাজল রেখা রাজশাহীতে ৫২ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারী গ্রেপ্তার বাঘায় বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, ২২ বছরের নারীকে কিশোরী দেখিয়ে থানা থেকে ছাড়ার দাবি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে মেয়েরা, ৩৯ কলেজে কেউ পাস করেনি নওগাঁর মান্দায় এমপির সঙ্গে প্রসাদপুর দলিল লেখক সমিতির নতুন কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়

৪ঠা ডিসম্বের দিনাজপুরের ফুলবাড়ী মুক্ত দিবস।।

দিনকাল বিডি ২৪ / ১৩৯ Time View
প্রকাশঃ বুধবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৪

মোঃ আশরাফুল আলম , দিনাজপুর ফুলবাড়ী প্রতিনিধি
আজ বুধবার ৪ঠা ডিসম্বের দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের ৪ ডিসম্বের শুক্রবার মুক্তিযোদ্ধারা প্রাণপণ লড়াই করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে ফুলবাড়ী উপজেলে থেকে হটিয়ে দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
মুক্তিযোদ্ধারা জানান, ১৯৭১ সালের র্মাচ মাসে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দেশব্যাপী উত্তাল আন্দোলনের সময় ফুলবাড়ীতে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা এবং বাঙালি ও অবাঙালিদের মধ্যে যেন কোনও সংঘাত সৃষ্টি না হয় সেই লক্ষ্যে গঠিত হয় র্সবদলীয় সংগ্রাম কমিটি ২৪ র্মাচ র্পযন্ত শান্তিপূর্ণ পরবিশে বজায় থাকলে ও ২৬ র্মাচ দেশব্যাপী হত্যাযজ্ঞের খবরে স্থানীয়দের মধ্যে চরম উত্তজেনার সৃষ্টি হয়। ওই দিন সকাল থেকে র্সবদলীয় সংগ্রাম কমিটি উদ্যোগে ফুলবাড়ী শহরে বরে হয় এক বিশাল প্রতিবাদ মিছিল। মিছিলটি শান্তিপূর্ণভাবে রেলস্টেশন থেকে কাঁটাবাড়ী বিহারীপট্টি হয়ে বাজারে ফেরার পথে বিহারীপট্টিতে মিছিলকে লক্ষ্য করে কে বা কারা গুলি র্বষণ করলে সংঘাতরে সৃষ্টি হয়। শুরু হয় বিহারীদরে বাড়িতে ব্যাপক অগ্নিসংযোগ ও লুটতারাজ।
এপ্রিলের ২ তারখি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ফুলবাড়ী আক্রমন শুরু করে পুরো ফুলবাড়ীকে নিয়ন্ত্রণ করে নেয়। এরপর থেকে শুরু হয় বাঙালিদের ওপর দখলদার বাহিনির নির্মম অত্যাচার, হত্যা, লুটতরাজ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা।
র্দীঘ ৯ মাস পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে পরর্বতীতে পরকিল্পনা অনুযায়ী ফুলবাড়ীকে হানাদারমুক্ত করার জন্য ১৯৭১ সালের ৪ ডিসম্বের মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সেনাবাহিনী যৌথভাবে বেতদিঘী কাজিহাল, এলুয়াড়ী, জলপাইতলী, পানিকাটা রুদ্রানী, আমড়া ও রানীনগর এলাকার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রবশে করে র্চতুমুখী আক্রমণ চালায়। মত্রি বাহিনীরা হাতে নিশ্চিত পরাজয় জেনে ও ফুলবাড়ী শহরে তাদের প্রবেশ ঠেকাতে ওই দিন বিকাল সাড়ে ৩টায় ছোট যমুনার ওপর লোহার ব্রিজটির র্পূবাংশ শক্তিশালী ডিনামাইট দিয়ে উড়িয়ে দেয় পাকিস্তিনি হানাদার বাহিনী। ব্রিজ ধ্বংসের কারণে মিত্র বাহিনী ফুলবাড়ী শহরে প্রবেশ করতে দেরিহয়। আর এই সুযোগে অবাঙালিরা বশিষে ট্রেনে করে ফুলবাড়ী থেকে সৈয়দপুর চলে যায়। ট্রেনটি ধ্বংসরে জন্য মুক্তিযুদ্ধারা কয়েকটি র্মটারশেল নিক্ষেপ করলে তাওর্ব্যথ হয়ে যায়।
মুক্তিযোদ্ধাদের ওই সময় দায়ত্বি দেওয়া হয়েছিল ২০ নম্বর ব্রিজটি উড়িয়ে দেওয়ার জন্য। কন্তিু নানা কারণে সেই চেষ্ট র্ব্যথ হয়। ফুলবাড়ী স্বাধীন হওয়ার তিন দিন পর ৭ ডিসম্বের ভারতীয় সেনাবাহীনিরা সাঁজোয়া যান যমুনা নদী পার হয়ে চকচকা রাইস মিলরে ওপরে রাস্তায় এসে দাঁড়ালে পাকিস্তানিরা পুতে রাখা মাইন বিস্ফরণে যানটি বিধ্বস্ত হয়। সাঁজোয়া যানে থাকা ভারতীয় সেনাবাহিনীরা এক অফিসারসহ তিন জন নিহত হন। নিহত তিন ভারতীয় সেনা সদস্যকে ছোট যমুনা নদীর তীররে সরকারি কলেজ সংলগ্ন স্থানে সমাধস্তি করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধকালীন জুনিয়র কমান্ডিং অফিসার ও সাবেক মন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মনসুর আলী সরকার জানান, ‘মূলত ৪ ডিসম্বের ফুলবাড়ীতে মুক্তিযোদ্ধাদরে সঙ্গে পাকিস্তানি বাহিনীর বেশ কয়েকটি যুদ্ধ হয়। এরপর পরাজয় নিশ্চিত ভেবে হানাদাররা ফুলবাড়ী ত্যাগ করে।তাই ফুলবাড়ী ৪ ডিসম্বেরই মুক্ত দবিস হিসেবে পালিত হয়ে আসছ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category