স্টাফ রিপোর্টারঃ নওগাঁর মহাদেবপুরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহৎতম শারদীয় দুর্গোৎসবের নবমী তিথিতে গতকাল ৪ অক্টোবর মঙ্গলবার মন্দিরে মন্দিরে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীড়। এ উৎসবকে ঘিরে প্রতি বছরের মতো এবারো বিজয়া দশমীর দিন বুধবার দেবী দুর্গার বিসর্জন অন্তে উপজেলা সদরের আত্রাই নদীতে ঐতিহাসিক নৌকা বাইচ ও নদীর তীরবর্তী স্থানে মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
ইতিমধ্যেই আত্রাই নদীর তীরবর্তী স্থান গুলোতে মিষ্টি, প্রসাধনী, এবং বিভিন্ন রকমারী দোকান বসতে শুরু করেছে। উৎসব মুখোর পরিবেশে মন্দির গুলোতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীড় সামলাতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।উপজেলার সদরসহ ১০ ইউনিয়নের ১৫৪ টি দুর্গা মন্দিরে ষষ্ঠী তিথির আগের বিকেল থেকে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি আনসার বাহিনীর নারী ও পুরুষ সদস্যগন সার্বক্ষনিক দ্বায়িত্ব পালন কর আসছেন।
এদিন বিকেলে উপজেলা সদরের কেন্দ্রীয় শ্রী শ্রী রঘুনাথ জীউ মন্দিরসহ শহরের কয়েকটি দুর্গা মন্দির পরিদর্শন করেন রাজশাহী অঞ্চলের দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত পুলিশ বিভাগের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) মোঃ আব্দুল বাতেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মোঃ রশিদুল হক রাশেদ, থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আজম উদ্দিন মাহমুদ, উপজেলা পুজা উৎযাপন কমিটির সভাপতি বাবু অজিত কুমার মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক বাবু প্রভাত কুসুম ব্যানার্জী বাবুল। দুর্গা মন্দিরে প্রতিমা দর্শনে আগত শত শত সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী ও পুরুষ এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষদের মতে এবছর উপজেলার মন্দির গুলোতে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতে যে ব্যবস্থা নিয়েছেন
এতে তারা খুশি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হাসান জানান, দুর্গা পুজা শুরু থেকে মেলার দিন ৫ অক্টোবর বুধবার আত্রাই নদীতে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন না হওয়া পর্যন্ত আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি আনসার ভিডিপি এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা পুলিশ তাদের দ্বায়িত্ব পালন করবেন। এ ব্যাপারে উপজেলা পুজা উৎযাপন কমিটির সদস্যসহ এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। #