বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : দৈনিক ‘দিনকাল’ পত্রিকা একটি নাম। জাতীয়তাবাদী প্রকাশনা লিমিটেড কর্তৃক প্রকাশিত এবং বিএনপি’র বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ‘তারেক রহমান’ সম্পাদিত এই ‘দিনকাল’ পত্রিকাটি ছিলো পতিত আওয়ামী সরকারের পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মহাতংকের একটি নাম। যার কারণে শেখ হাসিনার আওয়ামী গুন্ডা বাহিনী দৈনিক দিনকাল’র হেড অফিসে দায়িত্ব রত: ও সারাদেশে দায়িত্ব পালন করে যাওয়া নিজস্ব প্রতিনিধি/সাংবাদিকর ওপর তার-ই নির্দেশানুসারে চালানো হয়েছিলো অকত্য নির্যাতন। এবং হামলা-মামলা, জেল-জুলুম ও অত্যাচার-চালিয়ে ও যখন দমাতে পারেনি তখন দৈনিক দিনকাল’র অফিসটি সিলগালা করে দেয়। তাতে ফলদায়ক না হওয়ার ক্ষোভ-দুঃখে পড়ে অবশেষে দিনকাল’র ‘ডিক্লারেশন’ ও বাতিল করে দেয়া হয়েছিলো। আল্লাহর অশেষ রহমতিয়-কেরামতির গুনে শেখ হাসিনার পলায়ন এবং তার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী সরকারের পতন ঘটার পর বিএনপি’র একমাত্র মূখোপত্র ‘দৈনিক দিনকাল’ প্রাণ ফিরে পেয়ে পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে।
‘দিনকাল’ পত্রিকাটি বিএনপি’র সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদৈর আশা-ভরসা এবং দেশের নির্যাতিত-নিষ্পেষিত মানুষের ভালোবাসার মুর্ত প্রতীক হিসেবে মাথা উঁচু করে আছে ‘দৈনিক ‘দিনকাল’। সংবাদপত্র জগতে এক অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করে সকল সংবাদপত্র- মালিক, সম্পাদক এবং সাংবাদিকদের মধ্যে রিতি মতো থাকে লাগিয়ে অবস্থার সৃষ্টি করে দিয়েছে দৈনিক দিনকাল’!
দৈনিক ‘দিনকাল’ পত্রিকায় সাংবাদিকতা ( নিজস্ব প্রতিনিধি মীরসরাই, চট্টগ্রাম) করতে গিয়ে পুরো চট্টগ্রামে আওয়ামী গুন্ডাদের হাতে সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হওয়া সাংবাদিক এম, এ কাশেম ইত্তৈকার সময়ে অগ্রাধিকার পাওয়ার কথা হলে ও তা থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত!
আর পত্রিকাটির মায়ার বাঁধনে আবদ্ধ হয়ে থাকার কারণে এই প্রতিবেদক তার প্রাণাধিক প্রিয় দৈনিক ‘দিনকাল’ এর আগামী দিনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।
তবে, দুঃখ লাগে তখন, যখন দেখা যায়/যাচ্ছে-দলের এমন পত্রিকাটি দলীয় নেতা-কর্মীদের কাছে অবহেলিত- উপেক্ষিত! এবং সেই সাথে দলীয় পত্রিকাটির সাংবাদিকরা ও দলীয় নেতা-কর্মীদের কাছে অব মূল্যায়িত!!!
বিষয়টি অত্যাধিক গুরুত্বপূর্ণ মনে করে কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলা সহ দলের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের ভাবনার বিষয়ের খোরাক হিসেবে মনে করার দরকার বলে অভিজ্ঞ জনরা মনে করেন।