এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম ::
উত্তর চট্টগ্রামের বারইয়ারহাট জেনারেল হাসপাতালের বিরুদ্ধে অন্তহীন অভিযোগের মাঝে পাওয়া গেলো সু’খবর।
পাওয়া খবরে প্রকাশ-বারইয়ারহাট জেনারেল হাসপাতালের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবত একের পর এক অভিযোগ পাওয়া যায়। কিন্তু, ব্যাপক তথ্যানুসন্ধান চালিয়ে ঝিমিয়ে থাকা সত্যতার কারণে তা আর তুলে ধরা হয়নি।
অবশ্য, অল্প কয়েকদিন আগে ডেলিভারি করা একটা বাচ্চা নিয়ে লংকা কান্ড ঘটে যায়।
এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকে লিখতে লিখতে বিষয়টি ভাইরাল ও হয়ে যায়।
অন্যদিকে বিষয়টি বিভিন্ন সংবাদ পত্রে ও ঠাই করে নেয়।
উক্ত শিশুটির বিষয় সম্পর্কে জানা গিয়েছিলো-সদ্য এক নবজাতকের ডেলিভারির সময় চোখের পাতা কেটে দিয়েছে ডেলিভারির কাজে নিয়োজিতরা। এ নিয়ে তুমুল বাদ-প্রতিবাদের ঝড় ও বয়ে যায়।
ঘটনা প্রসঙ্গে হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম, কামাল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, মানুষ মাত্র-ই ভুল করতে পারে, ভুলের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। তিনি বলেন, আমাদের হাসপাতালে কোনো রকম ভুল-ত্রুটি যদি জানা থাকে তা আমাদের কে জানালে আমরা তা শুধরে নিতে যথেষ্ট আন্তরিক। আর ওই শিশু সম্পর্কিত বিষয়ে পুরোটা জানার চেষ্টা করে যতোটুকু জানতে পেরেছি তাতে অভিযোগের পুরোটা সত্য নয়। তার পর ও আমরা দ্রুত পরিচালনা পরিষদের সবাই কৈ নিয়ে বৈঠক করে শিশুটির সব রকম চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে ছিলাম। এমন সময় হাসপাতালে উপস্থিত থাকা একাধিক জ জানান, এমনও কিছু মানুষ রয়েছে তিলকে তাল বানিয়ে তা প্রচার করে তৃপ্তি পায়! কিন্তু, তারা ভালো কাজ নিয়ে তেমন কোনো মাতামাতি করেনা !
অতি সম্প্রতি বারইয়ারহাট পৌরসভা এলাকার জামাল পুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম এর স্ত্রী বিবি জুলেখা কে ডেলিভারি করানোর জন্য উক্ত বারইয়ারহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, অভিজ্ঞ নার্স অভি বিশ্বাস এবং তার গ্রুপের অন্যান্যদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নরমাল ডেলিভারিতে জামালপুর দু’টি জমজ দুটি সন্তানের জন্মদান করাতে সক্ষম হন্।
সূত্র মতে সাধারণত টুইন বেবি গুলা সিজার ছাড়া হয় না। অথচ, এখানে তা করা হয়েছে।
এ রিপোর্ট লেখার পূর্ব মুহুর্ত্ব পর্যন্ত বাচ্চা ও তাদের জন্মদাত্রী মা’ সুস্থ্য রয়েছেন।
বারইয়ারহাট জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম, কামাল উদ্দিন এ প্রতিবেদককে জানান, আমাদের হাসপাতালের সু’নাম ক্ষুন্ন করতে একটি মহল তৎপর। অথচ, এমন বড়ো ধরনের সাকসেসফুল একটি কর্ম নিয়ে তো তেমন কারো মাথা ব্যথা দেখা যাচ্ছে না! তিনি বলেন, আমরা আমাদের সাধ্যমতো সকল রোগীদের কে আন্তরিকতা সেবা প্রদান করে যেতে বদ্ধ পরিকর।