• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবার মান বাড়াতে কমিশনারের নির্দেশনা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দায় কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত নওগাঁ জেলা জামায়াতের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন আমির মাহফুজুর রহমান নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য হলেন প্রভাষক আবু সাঈদ কুষ্টিয়ায় মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল বরাদ্দ ফুলবাড়ী উপজেলার মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাণীনগরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু কৃষকের ঘরে আসছে নতুন সোনালী ফসল রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।।

প্রযুক্তির কল্যাণে হারিয়ে গেছে আবেগ-অনুভূতির চিঠি ও লাল ডাক বাক্স

দিনকাল বিডি ২৪ / ২৩২ Time View
প্রকাশঃ বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

সোহেল রানা,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

একটা সময় ছিলো যখন দূর দেশে কর্মরত স্বামীর কাছ থেকে পাঠানো টাকা আর চিঠির খবর নিতে সময় হওয়ার আগেই ছেলেকে মা পাঠাতেন ডাকঘরে। মানুষ ডাকযোগে চিঠিপত্র,টাকা,দলিলাদি দেশের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে প্রেরণ করত। দূর-দূরান্ত থেকে কত শত আনন্দ বেদনার খবর যে বয়ে নিয়ে আসত চিঠি। প্রিয়জনের চিঠি,সন্তানের চিঠি,মা-বাবার চিঠি কত চিঠির জন্য কত অগণিত মানুষের নিত্য কাটত কত অগণিত অপেক্ষার প্রহর তার কোনো কূল-কিনারা নেই। চিঠির অপেক্ষার তর সইতে না পেরে কখনো কখনো মানুষ চলে যেত ডাকঘরে। ডাক পিয়ন কোন পাড়া-মহল্লায় গেলে মানুষ ছুটে এসে ডাক পিয়নের কাছে জিজ্ঞাসা করতো তার কোন চিঠিপত্র এসেছে কিনা। আবার অনেকে কাকডাকা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতো কখন ডাক পিয়ন আসবে। চিঠি ছিল গ্রামবাংলা এমনকি শহুরে জীবনের অংশ। প্রতিদিনকার জীবনের সাথে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে ছিল ডাকঘর আর রানার। মোবাইল,ইন্টারনেট,ফেসবুকসহ তথ্যপ্রযুক্তির নানাবিধ ব্যবহারে মানুষের জীবন থেকে দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে চিঠি আর চিঠিকেন্দ্রিক কর্মকাণ্ড। প্রযুক্তির যুগে জন্ম নেয়া নতুন প্রজন্মের অভিজ্ঞতায়ই নেই চিঠি লেখা আর খাম খুলে প্রিয়জনের হাতে লেখা চিঠি পড়া, আপনজনের চিঠির জন্য অপেক্ষার মধুর আনন্দ বেদনার মুহুর্ত। অথচ হাতে লেখা চিঠিই ছিল শত বছর ধরে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম। দেশের বিভিন্নস্থানে গাছে, দেয়ালে,ষ্টেশনে, ফ্লাটফর্মে ডাকবাক্স চোখে পড়তো। বিভিন্ন ডাকঘর ও উপ-ডাকঘরের সামনে পাশাপাশি থাকতো আলাদা ডাকবক্স। একটি দেশে বিতরণের জন্য, অন্যটি বিদেশে বিতরণের জন্য। ডাক বিভাগের লোকজন দিনে একবার ডাকবাক্স খুলে চিঠিপত্র সংগ্রহ করে নিত এবং সঠিক সময়ে নির্দিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছে দিতো সে চিঠি। সরকারি বিভিন্ন সেবাসংস্থা, বিভিন্ন ব্যাংক, এনজিও বছরে লাখ লাখ চিঠি বিতরণ করে। এসবের মধ্যে অনেক চিঠি তারা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বিতরণ করেন। ব্যক্তিগত চিঠি প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই কদর কমে গেছে চিঠির বাক্সগুলোর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category