এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম থেকে :
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় পুলিশের কাছ থেকে আটক করা আসামি যুবলীগ নেতা কে ছিনিয়ে নিয়েছে তার দলীয় নেতা-কর্মীরা।
শনিবার (৮ জুন )রাত ১১ টার দিকে টানেল সড়কের চাতরী-চৌমুহনী প্রান্তের’ ভোজন বাড়ি’ রেস্টুরেন্টের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় আসামির পরিবারের স্বজন ও নেতা-কর্মীদের সাথে বাকবিতণ্ডা এবং হামলায় পুলিশের একাধিক সদস্য আহত হয়েছেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
এমন কি ঘটনায় অতিরিক্ত হিসেবে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পাঠানো রিজার্ভ পুলিশের গাড়ি ও ভাঙচুর করে করা হয়। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশের ধাওয়া খেয়ে অবশেষে হামলা কারীরা পালিয়ে যায় বলে প্রাপ্ত খবরে প্রকাশ।
উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশকে ফাঁকা গুলি ছুঁড়তে হয়েছে বলে জানা গেছে। বিপরীতে উত্তেজিত নেতা-কর্মীরা ও ফাঁকা গুলি ছুঁড়েছেন বলে স্থানীয় লোকজন জানান।
পরে সিএমপি’র কর্ণফুলী থানা পুলিশ রেস্টুরেন্ট টি ঘিরে রাখেন। ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিএমপি বন্দর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শাকিলা সোলতানা।তিনি বলেন, পুলিশের কাছ থেকে ‘আসামি ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনাটি সত্য। তবে, সংঘটিত ঘটনার স্পটটি আনোয়ারা থানার অধীন। বর্তমানে আনোয়ারা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।’তবে, এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়নি। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে এক বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত টানেল মুখে আনোয়ারা থানার অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।বর্তমানে সেখানে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে বলে একাধিক সূত্র জানান দেন। তথ্য সূত্র আরো জানায়, ছিনিয়ে নেয়া ওই আসামির নাম মোঃ মোজাম্মেল হক। তিনি স্থানীয় আওয়ামী যুবলীগ নেতা এবং নব নির্বাচিত আনোয়ারা উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুসারী বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আনোয়ারা সার্কেল এএসপি সোহানুর রহমান সোহাগ সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ ধরণের খবর শোনে আমি ঘটনাস্থলে এসেছি। এরচেয়ে বেশি কিছু জানি না। বিস্তারিত পরে জানাতে পারবো।’