• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবার মান বাড়াতে কমিশনারের নির্দেশনা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দায় কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত নওগাঁ জেলা জামায়াতের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন আমির মাহফুজুর রহমান নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য হলেন প্রভাষক আবু সাঈদ কুষ্টিয়ায় মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল বরাদ্দ ফুলবাড়ী উপজেলার মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাণীনগরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু কৃষকের ঘরে আসছে নতুন সোনালী ফসল রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মীরসরাই অংশে বাহারি ফুলের সমারোহ: দৃষ্টি নন্দিত ঠেকছে সবার মাঝে

দিনকাল বিডি ২৪ / ৬৬ Time View
প্রকাশঃ রবিবার, ২৫ মে, ২০২৫

এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম ::

ঢাকা – চট্টগ্রাম মহাসড়ক মানে বাহারি ফুলের স্বর্গরাজ্য’ যে, সে কথা এখন অনায়াসেই বলা যেতে পারে ফুলের বাহারী সমারোহ দেখে।
ফুল সবাই ভালো বাসে, কিন্তু, ফুল যে ভালোবাসে না এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া ও কষ্টকর।
বলাবাহুল্য, যদি ফুল বাগানের পাশ দিয়ে দীর্ঘ যাত্রা হয়, তাহলে তো কথা-ই নেই! আর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মীরসরাই উপজেলার অংশ দিয়ে চলাচল করা যে কোনো গাড়ির যাত্রীরা এখন প্রতিনিয়ত: ফুল গাছগুলোর মনোমুগ্ধকর পরিবেশে দৃষ্টি নন্দিত হয়ে-ই যাতায়াত করে যাচ্ছেন।
গ্রীষ্মের শুরুতে উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে বিরাট অংশের মহাসড়কে বাহারি ফুলের চোখ ধাঁধানো সমারোহ/সৌন্দর্যমন্ডিত পরিবেশ যাত্রীদের হ্রদয় কেড়ে নিতে সক্ষমতার হাতছানি দিয়ে যাচ্ছে।
এখানে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল চোখ ধাধিয়ে দিচ্ছে সবাই কে। তার মধ্যে সর্বাল্লেখযোগ্য- সোনালু, কৃষ্ণচূড়া, জারুল আর রাধাচূড়া ফুলের সারিবদ্ধতার রাজ্যে যেনো খানিকটা চোখ আটকে যায়/যাচ্ছে সবার। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক’র মীরসরাই অংশ এখন যেনো আর দীর্ঘক্ষণ গাড়িতে বিরক্তিকর অবস্থা নয়, যেনো ফুল গাছগুলোর ফুলের মুহু মুহু সু’ঘ্রাণ বিমোহিত করে স্বস্তিদায়র সুনির্মল ছায়া ছড়িয়ে দিচ্ছে।।
দেশের প্রধান বন্দরনগরী চট্টগ্রামের প্রবেশদ্বার মীরসরাই উপজেলার ধুমঘাট ব্রীজ’র এ প্রান্ত থেকে বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজার অতিক্রম করে উপজেলার দক্ষিণ শেষপ্রান্ত বড়দারোগারহাট পর্যন্ত প্রায় ২৬ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সড়ক বিভাজনে ফুটন্ত ফুলের দোল খাওয়া দেখে মনে এক প্রশান্তির উদভব হবে/হচ্ছে ও যে কারো। এবং প্রকৃতির উষ্ণ অভ্যর্থনায় যে কোনো বয়েসীদের আবেগ- অনুভূতি ও প্রকাশ পেতে সাহায্য করবে/করে যাচ্ছে নিঃসন্দেহে। এক নিদারুণ ও অপূর্ব সংমিশ্রণে ফুটে থাকা এই ফুলরাশিগুলো শুধু চোঁখ ধাঁধানো বা চোখ জুড়ানোর মাধ্যমে সৌন্দর্যই সীমাবদ্ধ নয়, ওই সব ফুলের গাছ পরিবেশ রক্ষা ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ও সহায়ক ভূমিকা রাখে। যান্ত্রিক শহরের ব্যস্ততা, যানজট, আর ক্লান্তিকর যাত্রার মাঝখানে জারুল-সোনালুর ফুল যেনো কিছুটা প্রশান্তি এনে দেয়। চলমান এই সময়টাতে বাংলার প্রকৃতিতে বাহারি ফুল অনন্য শোভা ছড়িয়ে চলেছে। রক্তিম লালে উত্তাপ ছড়াচ্ছে কৃষ্ণচূড়া। আর জারুল ফুলের বেগুনি রঙ মনমাতানো অপরূপ শোভা যে কারো মনকে ছুঁয়ে যায়/যাচ্ছে নিঃসন্দেহে। রং ধনুর সাত রং এ লাল, নীল, হলুদ, বেগুনি সাদা ফুল, রাধাচড়া, কাঞ্চন, হৈমন্তী, কুর্চি সহ বিভিন্ন প্রজাতির ফুল ফুটায় মনে হয় যেনো বর্ণিল সাজে সেজেছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মীরসরাই উপজেলার বিরাট অংশ।
মহাসড়কের সৌন্দয্যবর্ধনের জন্য সরকারি ভাবে সোনালু, জারুল, কৃষ্ণচূড়া সহ বিভিন্ন প্রজাতির ফুল গাছ লাগানো হয়েছে। এ গুলো দেখে মন ছুঁয়ে যায় অনেকের। গ্রীষ্মকালের এই গাছের কারণে ছায়া থাকে সবচেয়ে বেশি। মানুষ ওই গাছগুলোর ছায়ার মধ্যে বসে একটু বিশ্রাম নিতে পারে, এবং নিচ্ছে ও। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পর্যটকরা এখানকার ঝরণা গুলোতে ঘুরতে এসে সোনালু, জারুল আর কৃষ্ণচূড়া ফুলের সাথে নিজেকে চাপিয়ে ধরে ছবি তুলেন। পর্যটকদের সবচেয়ে বেশি আকর্ষন ফুলের গাছগুলোর প্রতি।
বিশেষ করে বৃষ্টির দিনে এই ফুলগুলো দেখতে খুব বেশি সুন্দর লাগে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক যখন ফোর লেইন করা হয়, তখন সড়কের সৌন্দর্য্য বাড়াতে নানা রকম ফুলের গাছ লাগানো হয়েছে। উন্নত: বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মহাসড়কের সাথে তাল মিলিয়ে রাতের অন্ধকারে বিপরীতমুখী গাড়ির হেড লাইটের আলো নিয়ন্ত্রণ করে দুর্ঘটনা রোধে এ পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়। বিভিন্ন গাছের পাশাপাশি ফুল গাছ রোপন সৌন্দর্য্য বর্ধনের প্রচেষ্টা বলে ও অভিহিত করা হয়।
বলাবাহুল্য, যদি ফুল বাগানের পাশ দিয়ে দীর্ঘ যাত্রা হয়, তাহলে তো কথা-ই নেই! আর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মীরসরাই উপজেলার অংশ দিয়ে চলাচল করা যে কোনো গাড়ির যাত্রীরা এখন প্রতিনিয়ত: ফুল বাগানের মনোমুগ্ধকর পরিবেশে দৃষ্টি নন্দিত হয়ে-ই যাতায়াত করে যাচ্ছেন।
গ্রীষ্মের শুরুতে উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে অংশের মহাসড়কে বাহারি ফুলের চোখ ধাঁধানো সমারোহ/সৌন্দর্যমন্ডিত পরিবেশ যাত্রীদের হ্রদয় কেড়ে নিতে সক্ষমতার হাতছানি দিয়ে যাচ্ছে।
এখানে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল চোখ ধাধিয়ে দিচ্ছে। তার মধ্যে সর্বাল্লেখযোগ্য- সোনালু, কৃষ্ণচূড়া, জারুল আর রাধাচূড়া ফুলের সারিবদ্ধতা রাজ্যে যেনো খানিকটা চোখ আটকে যায়/যাচ্ছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক’র মীরসরাই অংশ এখন যেনো আর দীর্ঘক্ষণ গাড়িতে বিরক্তিকর অবস্থা নয়, যেনো ফুল বাগানের মুহু মুহু সু’ঘ্রাণ বিমোহিত করে স্বস্তিদায়র সুনির্মল ছায়া ছড়িয়ে দিচ্ছে।।
দেশের প্রধান বন্দরনগরী চট্টগ্রামের প্রবেশদ্বার মীরসরাই উপজেলার ধুমঘাট ব্রীজ’র এ প্রান্ত থেকে বারইয়ারহাট পৌরসভা বাজার অতিক্রম করে উপজেলার দক্ষিণ শেষপ্রান্ত বড়দারোগারহাট পর্যন্ত প্রায় ২৬ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সড়ক বিভাজনে ফুটন্ত ফুলের দোল খাওয়া দেখে মনে এক প্রশান্তির উদভব হবে। এবং প্রকৃতির উষ্ণ অভ্যর্থনায় যে কোনো বয়েসী দের আবেগ- অনুভূতি ও প্রকাশ পেতে সাহায্য করবে। এক নিদারুণ ও অপূর্ব সংমিশ্রণে ফুটে থাকা এই ফুলরাশিগুলো শুধু চোঁখ ধাঁধানো বা চোখ জুড়ানোর মাধ্যমে সৌন্দর্যই সীমাবদ্ধ নয়, ওই সব ফুলের গাছ পরিবেশ রক্ষা ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ও সহায়ক ভূমিকা রাখে। যান্ত্রিক শহরের ব্যস্ততা, যানজট, আর ক্লান্তিকর যাত্রার মাঝখানে জারুল-সোনালুর ফুল যেনো কিছুটা প্রশান্তি এনে দেয় সবার মাঝে।
চলমান এই সময়টাতে বাংলার প্রকৃতিতে বাহারি ফুল অনন্যা শোভা ছড়িয়ে চলেছে মীরসরাই উপজেলার এ প্রান্ত থেকে সে প্রান্তে। রক্তিম লালে উত্তাপ ছড়াচ্ছে কৃষ্ণচূড়া তার মনমাধূরী মিশানো স্নিগ্ধ হাসিতে। এ ছাড়া-জারুল ফুলের বেগুনি রঙের অপরূপ শোভা যে কারো মনকে ছুঁয়ে দিবে নিঃসন্দেহে। রং ধনুর সাত রং এ লাল, নীল, হলুদ, বেগুনি সাদা ফুল, রাধাচড়া, কাঞ্চন, হৈমন্তী, কুর্চি সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ তার বংশোদ্ভূত ফুল ফুটিয়ে সবার মনে জায়গা করে নিতে ব্যস্ততমতার পাখা মেলিয়ে দিচ্ছে। মনে হয় যেনো এক অপরুপ-বর্ণিল সাজে সেজেছে মীরসরাই অংশের ঢাকা-চট্টগ্রাম’র এই মহাসড়ক।
স্ব চোখে দেখে আসা মীরসরাই বাজারের এক ফুল রশিক ব্যাক্তি তার আবেগীয় ভাব প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কের মীরসরাই অংশের এই সৌন্দয্য বর্ধনের জন্য সরকারি ভাবে সোনালু, জারুল, কৃষ্ণচূড়া সহ বিভিন্ন প্রজাতির ফুল গাছ লাগিয়েছে ঠিক-ই কিন্তু এর পরিচর্যার জন্য তেমন কোনো প্রদক্ষেপিয় ভুমিকা রাখছেন না! যার আরো সৌন্দর্য বিস্তারের ওপর হুমকি হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
এগুলো দেখে খুবই ভালো লাগে বলে তিনি তার অনুভূতিতে প্রকাশ করেন। গ্রীষ্মকালের এই গাছগুলোর কারণে ছায়া থাকে মানুষের জন্য অক্সিজেনিয় বিষয়টি ও প্রাধান্য যোগ্য। মানুষ ওই সব গাছগুলোর ছায়ার মধ্যে বসে একটু বিশ্রাম ও নিতে পারে, এবং নিচ্ছে ও। সরকারি ভাবে পদক্ষেপ এর পাশাপাশি এই গাছগুলো রক্ষণাবেক্ষণ, তথা- পরিচর্যা করা স্থানীয় সচেতন ব্যাক্তিদের উচিত বলে মনে করেন অনেকেই।
অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন এলাকায থেকে আগত পর্যটকের সবচেয়ে বেশি আকর্ষন ওই সব ফুলের গাছগুলো প্রতি।
মহাসড়কের মাঝখানে ফুলগুলো দেখে দেখে অনেকেরই মন জুড়িয়ে যায়। বিশেষ করে বৃষ্টির দিনে এই ফুলগুলো দেখতে খুব বেশি সুন্দর দেখায়।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক যখন ফোর লেইন করা হয়, তখন সড়কের সৌন্দর্য্য বাড়াতে নানা রকম ফুলের গাছ লাগানো হয়েছে সরকারি ভাবে। উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মহাসড়কের সাথে তাল মিলিয়ে রাতের অন্ধকারে বিপরীতমুখী গাড়ির হেড লাইটের আলো নিয়ন্ত্রণ করে দুর্ঘটনা রোধে এ পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সূত্র জানায়। বিভিন্ন গাছের পাশাপাশি ফুল গাছ রোপন সৌন্দর্য্য বর্ধনের প্রচেষ্টা বলে অভিহিত করা হয়। ডিভাইডারে গাছ পরিচর্যায় মাঝে মধ্যে গুটি কতেক শ্রমিকদের কাজ করতে দেখা যায়। তা নিয়মিত করণ হলে এই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মীরসরাই অংশের সৌন্দর্য আরো অনেক গুন বৃদ্ধি পেতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে ও মনে করেন অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যাক্তিরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category