• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবার মান বাড়াতে কমিশনারের নির্দেশনা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দায় কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত নওগাঁ জেলা জামায়াতের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন আমির মাহফুজুর রহমান নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য হলেন প্রভাষক আবু সাঈদ কুষ্টিয়ায় মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল বরাদ্দ ফুলবাড়ী উপজেলার মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাণীনগরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু কৃষকের ঘরে আসছে নতুন সোনালী ফসল রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।।

ধামইরহাটে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে চলছে ৪৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়

দিনকাল বিডি / ১৯৯ Time View
প্রকাশঃ শনিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২২

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি
নওগাঁর ধামইরহাটে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে রয়েছে প্রধান শিক্ষকের শুন্যতা। সহকারী শিক্ষক পদেও ব্যাপক শিক্ষক সংকট রয়েছে। উপজেলার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৪৫টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ও ৪৮টি সহকারী শিক্ষকের পদ শুন্য রয়েছে। ফলে এসব বিদ্যালয় গুলোতে শিক্ষক সংকটের কারণে কোমলমতি শিশুদের মান সম্মত পড়ালেখা ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়ন ও শতভাগ প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করণের লক্ষে সরকার নিরলসভাবে কাজ করলেও সেদিক থেকে কিছুটা পিছিয়ে আছে ধামইরহাট উপজেলা। যদিও এখন প্রায় শতভাগ প্রাইমারী স্কুলেই রয়েছে নবনির্মিত স্কুল ভবন।

প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এই উপজেলায় ১১২টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৪৫টি বিদ্যালয় এখন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। একদিকে বিদ্যালয়ে পাঠদান, অপরদিকে দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত থাকতে হয় প্রধান শিক্ষককে। আবার অনেক শিক্ষক অফিস কাজের অজুহাতে সঠিক সময়ে বিদ্যালয়ে আগমনও প্রস্থানে বিঘœঘটারও অভিযোগ রয়েছে বিস্তর। এর মুল কারণ হিসেবে বলা যায়, প্রায় সকল বিদ্যালয়ের ডিজিটাল হাজিরা এখন প্রায় অকার্যকর। অপরদিকে ৪৮ জন সহকারী শিক্ষকের পদও শুন্য রয়েছে এই উপজেলায়। অনেক সময় কিছু শিক্ষক অসুস্থ্য এবং কিছু শিক্ষক মাতৃত্ব ছুটিতে থাকেন, আবার কেউ কেউ থাকেন পিটিআই ট্রেনিংয়ে। যার ফলে শিক্ষক সংকট ও স্বল্পতার কারণে দায়িত্বরত শিক্ষকগণকে পাঠদানে হিমশিম খেতে হয়। এ অবস্থায় একজন শিক্ষককে একটানা ৫ ঘন্টার অধিক সময় শ্রেনিতে পাঠদানে ব্যস্ত থাকতে হয়।
শিক্ষক সংকটের সত্যতা স্বীকার করে উপজেলা শিক্ষা অফিসার আজমল হোসেন বলেন, ‘মৃত এবং অবসর জনিত কারণে শিক্ষক শুন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তবে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চুড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে অচিরেই এই সমস্যার সমাধান হবে, প্রাণ ফিরে পাবে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category