• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবার মান বাড়াতে কমিশনারের নির্দেশনা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দায় কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত নওগাঁ জেলা জামায়াতের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন আমির মাহফুজুর রহমান নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য হলেন প্রভাষক আবু সাঈদ কুষ্টিয়ায় মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল বরাদ্দ ফুলবাড়ী উপজেলার মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাণীনগরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু কৃষকের ঘরে আসছে নতুন সোনালী ফসল রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।।

নওগাঁয় বড় বোনের মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার ছোট ২ বোন ও ভগ্নীপ্রতি

দিনকাল বিডি / ১৯৭ Time View
প্রকাশঃ রবিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৩

    ওমর ফারুক,ষ্টাফ-রিপোর্টারঃ-নওগাঁয় বড় বোনের মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার ছোট ২ বোন ও ভগ্নীপ্রতি। সদর উপজেলার চক আবরুশ গ্রামের মোঃ এরশাদ আলীর স্ত্রী জোসনা বেগম বাদী হয়ে মোকাম নওগাঁ ফৌজদারী আমলী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। তার নিজ ছোট দুই বোন ও ভগ্নীপ্রতি বিরুদ্ধে।

    জানা গেছে,মামলার বাদীনির মা আয়েশা বেগম তার মেঝ মেয়ে তারা বেগমকে নিয়ে তার নিজ বাড়িতে বসবাস করেন। সেখানে বসবাস করা অসস্থায় আয়েশা বেগম এর জমি তিন মেয়ে জোসনা বেগম, তারা বেগম ও রশিদা বেগমকে সমান ভাগে রেজিষ্ট্রী করে দেন।

    বড় মেয়ে তার ভাগের জমি বিক্রয় করে দেন।আরো কিছু জমি মেঝ মেয়ে তারার বড় সন্তান আকাশ আলীকে লেখে দেন তারার মা।তারার স্বামী বিদেশে থাকায় মায়ের সাথেই থাকেন এবং দেখাশুনা করতেন।

    পরবর্তীতে আয়েশা বেগম অসুস্থ্য হওয়ার পরে মেঝ মেয়ে তারা বেগম দেখাশুনা ও চিকিৎসা করেন। এবং বেশি অসুস্থ্য হওয়ার পরে তার চিকিৎসার জন্য তারা বেগম ও ছোট মেয়ের স্বামী ফায়সাল আলী মিলে আয়েশা বেগম এর রেখে যাওয়া ৪ লক্ষ ১০ হাজার টাকা জমি বন্ধক নেওয়া ছিল।

    অসুস্থ্য সময়ে বন্ধকিয় জমির টাকা ফেরৎ না পেয়ে তিন মেয়েদের পরামর্শ ক্রর্মে টাকা মেঝ মেয়ে তারা বেগম ও ছোট মেয়ের স্বামী ফায়সাল আলী প্রায় ৭ লক্ষ টাকা চিকিৎসা ব্যয় করেন। যেহেতু চিকিৎসা ব্যায় ফায়সাল করেছে তাই ৪ লক্ষ ১০ হাজার টাকা জমি বন্ধক নেওয়া জমির টাকার কাগজ করে দেন ফায়সাল এর মেয়ে মোছাঃ ফাহমিদা খাতুনের নামে। কিছুদিন চিকিৎসা চলা কালে আয়েশা বেগম মারা যান।

    আয়েশা বেগম মারা যাবার পরে বড় মেয়ে তার মায়ের ৪ লক্ষ ১০ হাজার টাকা আছে গরু আছে বলে দাবী করেন ।এবং স্থানীয় ভাবে বৈঠকও হয়। সেখানে সমাধান না হলে আদালকে মামলা করেন। মামলা সূত্রে সেখানে গিয়ে মামলার স্বাক্ষীদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, মামলায় তাদের স্বাক্ষী বানিয়েছে সেটা কেউ কিছুই জানে না।

    এবিষয়ে মামলার বাদী জোসনা বেগম বলেন,আমি আমার মা কে দেখাশুনা করেছি। আর মায়ের হাতে রেখে যাওয়া গরু জমি ও নগদ টাকা ছিল আমাকে ফাঁকি দিয়ে আমার দুই বোনসহ ছোট বোনের স্বামী ফায়সাল আলী আত্নসাৎ করার চেষ্টা করছে। তাই আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি।

    মামলার স্বাক্ষী মোয়াজ্জেম মোল্লা বলেন,আমি এ ঘটনার কিছুই জানি না। আমাকে না জানিয়ে এই মামলার স্বাক্ষী দিয়েছে। যে বিষয়ে মামলা করেছে এটা পুরোই মিথ্যা ।

    মামলার স্বাক্ষী ফুটু মোল্লার স্ত্রীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, আমার বাড়ির পাশে বাড়ি তাদের আর মামলা করবে সেখানে আমার স্বামীকে বলেনি,আমার স্বামী ঢাকায় রিক্সা চালায়। কোন ঘটনায় হয়নি। আমারা যে মামলা স্বাক্ষী তার কিছু্ই জানি না।আর মামলাটাও মিথ্যা তাই এখনো আমাদের বলেনি।

    এবিষয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফায়সাল বিন আহসান বলেন,এ মামলা তদন্ত এসেছিল,তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া ছিল। এবং তদন্ত রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category