• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।। সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর ৫ প্রবাসীর মরদেহ দাফন নওগাঁর মান্দায় ভালাইন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল কালাম আজাদের ব্যাপক গণসংযোগ রাজশাহীতে ডিবির অভিযানে পালিয়েছে কুখ্যাত মাদক কারবারী মাসুম ভারতীয় সিরাপসহ প্রাইভেট কার জব্দ, গ্রেপ্তার ১২ রাজশাহীতে পথকুকুরের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন কাজল রেখা রাজশাহীতে ৫২ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারী গ্রেপ্তার বাঘায় বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, ২২ বছরের নারীকে কিশোরী দেখিয়ে থানা থেকে ছাড়ার দাবি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে মেয়েরা, ৩৯ কলেজে কেউ পাস করেনি নওগাঁর মান্দায় এমপির সঙ্গে প্রসাদপুর দলিল লেখক সমিতির নতুন কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়

প্রাথমিক শিক্ষায় মান নিয়ন্ত্রণ: বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

দিনকাল বিডি ২৪ / ৩৪২ Time View
প্রকাশঃ সোমবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৫

জুনায়েদ রহমান ( চন্দন ) স্টাফ রিপোর্টার :

শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড—এই প্রবাদটি শুধু কথার কথা নয়, বরং একটি দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির মূল চাবিকাঠি। আর সেই শিক্ষার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয় প্রাথমিক স্তরে।

একজন শিক্ষার্থীর মানসিক, নৈতিক ও জ্ঞানগত বিকাশের শুরু এখান থেকেই। তাই প্রাথমিক শিক্ষার মান কেবল শিক্ষার্থীর নয়, বরং পুরো জাতির ভবিষ্যতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বাংলাদেশে শিক্ষার সার্বজনীনতা অর্জনের ক্ষেত্রে সাফল্য এলেও মান নিয়ন্ত্রণে এখনো ঘাটতি রয়ে গেছে। এই অবস্থায় ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কার্যকর বাস্তবায়ন কৌশল সময়োপযোগী হয়ে উঠেছে।

বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ২ কোটিরও বেশি শিশু প্রাথমিক শিক্ষার আওতায় রয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বিদ্যালয় সংখ্যা বেড়েছে, ভর্তি হারও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

তবে প্রশ্ন থেকে যায়—এই সংখ্যাগত উন্নয়ন কী আদৌ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে পেরেছে? বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষা খাতে অনেক অগ্রগতি হলেও এখনো নানা ধরনের সমস্যায় ভুগছে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো। এই সমস্যাগুলো শিক্ষার্থীর মানসিক বিকাশ, শেখার গুণমান এবং স্কুলে টিকে থাকার হারকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করে।

শিক্ষকের সংকট ও মানহীনতা বাংলাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম। অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত অস্বাভাবিকভাবে বেশি, ফলে ব্যক্তিগত মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয় না। অনেক শিক্ষক যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নন, ফলে মানসম্মত পাঠদানের অভাব দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে একজন শিক্ষককে একাধিক শ্রেণির দায়িত্ব নিতে হয়।

অবকাঠামোগত দুর্বলতা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আরেকটি প্রধান সমস্যা। অনেক বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ নেই, একটি কক্ষে দুই বা তিনটি শ্রেণির পাঠদান হয়। সুপেয় পানি, স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট, বিদ্যুৎ, খেলার মাঠের অভাব প্রকট। প্রাকৃতিক দুর্যোগে (বন্যা, ঘূর্ণিঝড়) অনেক স্কুলে পাঠদান বন্ধ থাকে। আবার, মানসম্মত পাঠ্যবই ও উপকরণের ঘাটতি রয়েছে। পাঠ্যবই সময়মতো বিতরণ হলেও অনেক সময় বিষয়বস্তুর মান ও বয়স অনুযায়ী উপযোগিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। শিক্ষার্থীদের শেখার উপকরণ যেমন চার্ট, লার্নিং টুল, মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট অনুপস্থিত বা অপর্যাপ্ত।

ঝরে পড়ার হার বেশি। অনেক শিশু দারিদ্র্য, শিশুশ্রম, পারিবারিক অবহেলা বা বাল্যবিবাহের কারণে স্কুল ছেড়ে দেয়। মেয়ে শিশুরা অনেক ক্ষেত্রে মাধ্যমিকে যাওয়ার আগেই ঝরে পড়ে। মনোযোগের অভাব ও পাঠে আগ্রহ না থাকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আরেকটি সমস্যা। পাঠ্যক্রম অনেক ক্ষেত্রে বর্ণনামূলক ও মুখস্থনির্ভর, যা শিশুদের আগ্রহ তৈরি করে না ।একঘেয়েমি ও কম শিক্ষণমূলক কার্যক্রমের কারণে শিশুরা সহজেই বিরক্ত হয়ে পড়ে।
শিক্ষকরা যথাযথ প্রযুক্তির ব্যবহার না জানা প্রাথমিক বিদ্যালয় এর আরেকটি প্রধান সমস্যা।সকল বিদ্যালয়ে কম্পিউটার বা ডিজিটাল লার্নিং সুবিধা নেই।আবার শিক্ষকরাও অনেক ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ নন। শিক্ষকদের দায়িত্ববোধ ও উৎসাহেরও যথেষ্ট অভাব রয়েছে । অনেক শিক্ষক বেতন-ভাতা কম হওয়া বা পদোন্নতির সীমাবদ্ধতার কারণে পেশাগতভাবে উৎসাহী নন।

সৃজনশীলতা বা উদ্ভাবনী শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে তাদের আগ্রহ কম।তাছাড়াও অভিভাবক ও সামাজিক সচেতনতার অভাব রয়েছে। অনেক অভিভাবক শিশুদের নিয়মিত স্কুলে পাঠান না বা পড়াশোনার দিকে নজর দেন না। সমাজে এখনো ছেলে-মেয়েদের শিক্ষায় বৈষম্য বিদ্যমান।

এই সমস্যাগুলো দীর্ঘদিনের এবং সমাধানের জন্য প্রয়োজন ব্যবস্থাগত সংস্কার, বাজেট বাড়ানো, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার। শিক্ষক প্রশিক্ষণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, ডিজিটাল শিক্ষা, অভিভাবক অংশগ্রহণ এবং শিশুবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন আনা সম্ভব।

শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধি: শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ প্রদান করে তাদের পেশাগত দক্ষতা উন্নত করা। এটি শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নিম্নলিখিত পরিকল্পনাগুলো গ্রহণ করা যেতে পারে:

• নিয়মিত ও বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ: শিক্ষকদের জন্য নির্দিষ্ট সময় অন্তর প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা।

• অনলাইন প্রশিক্ষণ প্ল্যাটফর্ম: দূরবর্তী অঞ্চলের শিক্ষকদের জন্য অনলাইন প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু করা।

• প্রশিক্ষণের মান মূল্যায়ন: প্রশিক্ষণের কার্যকারিতা মূল্যায়ন করে তা উন্নত করা।

• উদ্ভাবনী প্রশিক্ষণ কৌশল: নতুন ও সৃজনশীল প্রশিক্ষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করা।

শ্রেণিকক্ষের পরিবেশ উন্নয়ন: বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নত করে সুস্থ ও নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টি করা। এতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও মনোযোগ বৃদ্ধি পাবে। শ্রেণিকক্ষের পরিবেশ উন্নয়নের জন্য নিম্নলিখিত পরিকল্পনাগুলো গ্রহণ করা যেতে পারে:
• আলোকসজ্জা ও বায়ু চলাচল নিশ্চিত করা: প্রাকৃতিক আলো ও বায়ু চলাচলের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা রাখা।

• পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা: নিয়মিত শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং শিক্ষার্থীদের পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন করা।
• শিক্ষাসামগ্রী ব্যবহার: চার্ট, পোস্টার, মডেল ইত্যাদি ব্যবহার করে পাঠদানকে আকর্ষণীয় করা।

• আসবাবপত্রের সঠিক বিন্যাস: শিক্ষার্থীদের বসার জায়গা আরামদায়ক ও উপযুক্তভাবে বিন্যস্ত করা।
• প্রযুক্তির ব্যবহার: প্রয়োজনে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ল্যাপটপ ইত্যাদি ব্যবহার করে পাঠদানকে আরও জীবন্ত করা।

প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি: শিক্ষায় তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয় করে ডিজিটাল লার্নিং উপকরণ ব্যবহার করা। এটি শিক্ষার্থীদের শেখার আগ্রহ ও দক্ষতা বাড়াবে। প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ভবিষ্যতে নিম্নলিখিত পরিকল্পনাগুলো গ্রহণ করা যেতে পারে:

• সকল বিদ্যালয়ে প্রযুক্তি সরবরাহ: দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোতেও ল্যাপটপ, প্রজেক্টর ও ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান।
• ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম উন্নয়ন: শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে তাদের শেখার সুযোগ বৃদ্ধি।

• শিক্ষক-শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ: প্রযুক্তি ব্যবহারে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ আয়োজন।

• ডিজিটাল কনটেন্ট সমৃদ্ধকরণ: নতুন ও যুগোপযোগী ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করে পাঠ্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করা।

শিক্ষাক্রমের আধুনিকায়ন: শিক্ষাক্রমকে যুগোপযোগী করে বাস্তবমুখী ও সৃজনশীল শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়া। এতে শিক্ষার্থীরা বাস্তব জীবনের সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম হবে। শিক্ষাক্রমের আধুনিকায়নে ভবিষ্যতে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে:
• প্রযুক্তির সমন্বয়: শিক্ষাক্রমে তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয় করে ডিজিটাল লার্নিং উপকরণ অন্তর্ভুক্ত করা।
• জীবনমুখী শিক্ষা: শিক্ষাক্রমে বাস্তব জীবনের সমস্যার সমাধানমূলক বিষয়বস্তু সংযোজন করে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করা।
• বৈচিত্র্যময় মূল্যায়ন পদ্ধতি: শুধুমাত্র লিখিত পরীক্ষার পরিবর্তে প্রকল্পভিত্তিক মূল্যায়ন, উপস্থাপনা এবং ব্যবহারিক কাজের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা।
মূল্যায়ন পদ্ধতির পরিবর্তন: পরীক্ষা নির্ভর মূল্যায়নের পরিবর্তে ধারাবাহিক মূল্যায়ন পদ্ধতি গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করা। মূল্যায়ন পদ্ধতির পরিবর্তনে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে:
• শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ: নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা।
• প্রযুক্তির ব্যবহার: মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করে কার্যকারিতা নিশ্চিত করা।

• অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি: অভিভাবকদের নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি সম্পর্কে সচেতন করা, যাতে তারা শিক্ষার্থীদের সহায়তা করতে পারেন
অভিভাবক ও সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততা: শিক্ষা কার্যক্রমে অভিভাবক ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। এটি শিক্ষার্থীদের প্রতি দায়িত্ববোধ ও শিক্ষার মান উন্নত করতে সহায়তা করবে। অভিভাবক ও সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততা বাড়াতে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে:

1. অভিভাবক প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা বৃদ্ধি: বিদ্যালয়ে অভিভাবকদের জন্য নিয়মিত সভা ও কর্মশালার আয়োজন করে তাদের সচেতনতা ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
2. সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করা: স্থানীয় সমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কার্যক্রমে সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যেতে পারে।

3. বিদ্যালয়ের মালিকানাবোধ সৃষ্টি: অভিভাবক ও সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্যালয়ের প্রতি মালিকানাবোধ সৃষ্টি করে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যেতে পারে।
প্রাথমিক শিক্ষা একটি জাতির ভিত্তি নির্মাণের প্রধান স্তম্ভ। এই স্তরেই শিশুরা মৌলিক জ্ঞান ও নৈতিকতার প্রথম পাঠ গ্রহণ করে। বর্তমান বাস্তবতায় প্রাথমিক শিক্ষায় মান নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে অনেক অগ্রগতি ঘটলেও এখনও বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে, যেমন: শিক্ষকের প্রশিক্ষণের অভাব, শ্রেণিকক্ষের অনুপযুক্ত পরিবেশ, পাঠ্যবই ও উপকরণের ঘাটতি, এবং মূল্যায়ন পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা।

এসব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে হলে পরিকল্পিত উদ্যোগ, যথাযথ বাজেট বরাদ্দ এবং নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় প্রাথমিক শিক্ষাকে মানসম্পন্ন করার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, শিক্ষক প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন, পাঠ্যক্রম আধুনিকায়ন এবং শিখন-শেখানো পদ্ধতিকে আরও শিক্ষার্থীবান্ধব ও অংশগ্রহণমূলক করে তোলা জরুরি। সরকারের পাশাপাশি অভিভাবক, সমাজ এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি টেকসই ও মানসম্পন্ন প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। এর মাধ্যমেই একটি আলোকিত ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজের ভিত্তি রচনা হবে।

লেখক: বিজয় কুমার
সহকারী শিক্ষক
লোহাচুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
রানীনগর ,নওগাঁ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category