• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবার মান বাড়াতে কমিশনারের নির্দেশনা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দায় কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত নওগাঁ জেলা জামায়াতের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন আমির মাহফুজুর রহমান নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য হলেন প্রভাষক আবু সাঈদ কুষ্টিয়ায় মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল বরাদ্দ ফুলবাড়ী উপজেলার মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাণীনগরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু কৃষকের ঘরে আসছে নতুন সোনালী ফসল রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।।

মধুমাস জ্যৈষ্ঠ না আসতেই বাজারে লিচু, গবেষকরা বলছেন, কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো

দিনকাল বিডি / ১৪৬ Time View
প্রকাশঃ সোমবার, ১ মে, ২০২৩

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: মধুমাস জ্যৈষ্ঠের অন্যতম রসালো ফল লিচু। কিন্তু রাজশাহীর বাজারে অসময়ে দেখা মিলছে রসালো ফল লিচু। বেশি দামের আশায় সামান্য রঙ আসতেই গাছ থেকে লিচু পাড়তে শুরু করেছেন কিছু ব্যবসায়ী। দামও বেশ চড়া। এসব লিচুর আকার ও স্বাদ নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। আর এখনই লিচু না কেনার পরামর্শ দিচ্ছেন রাজশাহী ফল গবেষণাকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা।

তারা জানিয়েছেন, কেমিক্যাল না দিলে এখন লিচু পাকবে না।
রোববার মহানগরীর সাহেববাজার ও কোর্টবাজার ধুরে দেখা যায়, খুচরা ব্যবসায়ীরা ১০০টি লিচুর দাম হাঁকছেন ৩০০ থেকে সাড়ে ৪০০ টাকা পর্যন্ত। লিচুগুলো দেখেই বোঝা যাচ্ছে, পুষ্ট হয়নি। সামান্য রঙ এসেছে। ব্যবসায়ীরাও টকমিষ্টি লিচু বলেই বিক্রি করছেন।

লিচু ব্যবসায়ী আকবর আলী জানান, তিনি লিচুগুলো শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যানের গাছ থেকে কিনে এনেছেন। লিচুগুলোতে রং এসেছে। খাওয়া যাবে। কিন্তু খেতে টক হবে। মিষ্টি হবে না।
আরেক ব্যবসায়ী কামাল হোসেন জানান, তিনি নগরীর মতিহার থানার মির্জাপুর এলাকার একটি বাগান থেকে লিচু কিনে এনেছেন। লিচুগুলো টকমিষ্টি। আর নতুন, তাই দাম একটু বেশি।

এদিকে রাজশাহী ফল গবেষণাকেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সবার আগে বারি-১ লিচু পাকে। তবে এখনো এই লিচু পরিপক্ব হওয়ার সময় হয়নি। মে মাসের মাঝামাঝি থেকে লিচু বাজারজাত করার মতো হবে। এখন লিচু পাকবে না। বাজারে যেগুলো পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলো কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো হতে পারে। এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। শুধু লিচুই নয়; সাহেববাজারের দু’একজন দোকানি পাকা আমও বিক্রি করছেন। ওইসব ফল পুষ্টই হয়নি।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ রাজশাহীর কর্মকর্তা শাকিল আহম্মেদ বলেন, এখন তো অগ্রিম লিচুও পাকবে না। কেউ অপরিপক্ব লিচুকে কেমিক্যাল দিয়ে পাকিয়ে বিক্রি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
মধুমাস জ্যৈষ্ঠ না আসতেই বাজারে লিচু, গবেষকরা বলছেন, কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো
মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: মধুমাস জ্যৈষ্ঠের অন্যতম রসালো ফল লিচু। কিন্তু রাজশাহীর বাজারে অসময়ে দেখা মিলছে রসালো ফল লিচু। বেশি দামের আশায় সামান্য রঙ আসতেই গাছ থেকে লিচু পাড়তে শুরু করেছেন কিছু ব্যবসায়ী। দামও বেশ চড়া। এসব লিচুর আকার ও স্বাদ নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। আর এখনই লিচু না কেনার পরামর্শ দিচ্ছেন রাজশাহী ফল গবেষণাকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা।

তারা জানিয়েছেন, কেমিক্যাল না দিলে এখন লিচু পাকবে না।
রোববার মহানগরীর সাহেববাজার ও কোর্টবাজার ধুরে দেখা যায়, খুচরা ব্যবসায়ীরা ১০০টি লিচুর দাম হাঁকছেন ৩০০ থেকে সাড়ে ৪০০ টাকা পর্যন্ত। লিচুগুলো দেখেই বোঝা যাচ্ছে, পুষ্ট হয়নি। সামান্য রঙ এসেছে। ব্যবসায়ীরাও টকমিষ্টি লিচু বলেই বিক্রি করছেন।

লিচু ব্যবসায়ী আকবর আলী জানান, তিনি লিচুগুলো শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যানের গাছ থেকে কিনে এনেছেন। লিচুগুলোতে রং এসেছে। খাওয়া যাবে। কিন্তু খেতে টক হবে। মিষ্টি হবে না।
আরেক ব্যবসায়ী কামাল হোসেন জানান, তিনি নগরীর মতিহার থানার মির্জাপুর এলাকার একটি বাগান থেকে লিচু কিনে এনেছেন। লিচুগুলো টকমিষ্টি। আর নতুন, তাই দাম একটু বেশি।

এদিকে রাজশাহী ফল গবেষণাকেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সবার আগে বারি-১ লিচু পাকে। তবে এখনো এই লিচু পরিপক্ব হওয়ার সময় হয়নি। মে মাসের মাঝামাঝি থেকে লিচু বাজারজাত করার মতো হবে। এখন লিচু পাকবে না। বাজারে যেগুলো পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলো কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো হতে পারে।

এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। শুধু লিচুই নয়; সাহেববাজারের দু’একজন দোকানি পাকা আমও বিক্রি করছেন। ওইসব ফল পুষ্টই হয়নি।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ রাজশাহীর কর্মকর্তা শাকিল আহম্মেদ বলেন, এখন তো অগ্রিম লিচুও পাকবে না। কেউ অপরিপক্ব লিচুকে কেমিক্যাল দিয়ে পাকিয়ে বিক্রি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category