• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবার মান বাড়াতে কমিশনারের নির্দেশনা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দায় কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত নওগাঁ জেলা জামায়াতের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন আমির মাহফুজুর রহমান নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য হলেন প্রভাষক আবু সাঈদ কুষ্টিয়ায় মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল বরাদ্দ ফুলবাড়ী উপজেলার মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাণীনগরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু কৃষকের ঘরে আসছে নতুন সোনালী ফসল রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।।

মাদারগঞ্জে বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ে কৃষকের মাথায় হাত

দিনকাল বিডি ২৪ / ১৩৪ Time View
প্রকাশঃ রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০২৪

এম আর সাইফুল, মাদারগঞ্জ, জামালপুর:
দেশের প্রধান খাদ্যশস্য ধানের প্রায় ৬০ শতাংশই আসে বোরো মৌসুম থেকে। এ জন্য এ মৌসুমের আবাদে কোনো কারণে বিঘ্ন ঘটলে ধানের ঘাটতি দেখা দেয় দেশে। বেড়ে যায় চালের দাম। এবারের বোরো মৌসুমের শুরু থেকেই নানা রকম সংকট সঙ্গে নিয়েই আবাদে নামতে হয়েছে দেশের কৃষককে।

ডিজেলের দাম বৃদ্ধি, সারের দাম বৃদ্ধি, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বোরো আবাদে কৃষকের ব্যয় এবার অনেক বেড়ে গেছে। এর পাশাপাশি বীজের দাম বৃদ্ধি, কীটনাশকের দাম বৃদ্ধি, শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধিসহ আনুষঙ্গিক আরও অনেক খরচ বেড়ে গেছে।

সব মিলিয়ে গত বছরের চেয়ে এবারের বোরো মৌসুমে বিঘাতে প্রায় ৩ হাজার টাকা এবং একরে ৯ হাজার টাকা বেশি ব্যয় করতে হয়েছে কৃষককে। এতে করে ব্যয় বৃদ্ধির চাপে এবার কৃষকদের দিশাহারা অবস্থা। সকল ব্যয় কাটিয়ে উঠলেও নতুন সমস্যার মুখে পড়েছেন কৃষকরা। দির্ঘসময় ধরে বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ের কারনে সেচ পাম্প চালানো সম্ভব হচ্ছেনা। ফলে ফসলি জমি ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে নস্ট হয়ে যাচ্ছে ফসল।

উপজেলার পশ্চিম সুখনগড়ী এলাকার কৃষক হুমায়ুন কবির বলেন আমি এবার ৮ বিঘা জমি বোরো আবাদ করে বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ে হতাশায় আছি। দিন রাত মিলে ৩ ঘন্টাও বিদ্যুৎ থাকেনা ফসলি জমিগুলো ফেটে চৌরচির হয়ে যাচ্ছে।

উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল্লাহ বলেন বোরো চাষে সকল খরচা বেশি তার মধ্যে আবার বিদ্যুৎ লোডশেডিং। এই লোডশেডিংয়ের কারনে ফসলি জমি শুকিয়ে ফেটে যাচ্ছে। দ্রুত এর সমাধান না হলে ফসলের মুখ দেখা কঠিন হয়ে পরবে।

উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা কৃষিবিদ শাহাদুল ইসলাম বলেন, বোরো ধান ক্ষেতে সেচের বিকল্প নেই যে কারনে বিদ্যুৎ অফিসে বলা আছে যাতে বোরো মৌসুমে কৃষকের সেচে কোন রকম বিঘ্ন না ঘটে। প্রয়োজনে রাতের ১১টা থেকে ভোর রাত পর্যন্ত নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দিবে।

জমালপুর পল্লী বিদ্যৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম ওবায়দুল্লাহ্ আল মাসুম বলেন চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যৎ কম পাচ্ছি যে কারনেই সমস্যা হচ্ছে। আলোচোনা চলছে খুব শিগ্রই এটার সমাধান হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category