• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবার মান বাড়াতে কমিশনারের নির্দেশনা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দায় কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত নওগাঁ জেলা জামায়াতের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন আমির মাহফুজুর রহমান নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য হলেন প্রভাষক আবু সাঈদ কুষ্টিয়ায় মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল বরাদ্দ ফুলবাড়ী উপজেলার মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাণীনগরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু কৃষকের ঘরে আসছে নতুন সোনালী ফসল রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।।

রাজশাহী পদ্মা নদীর পাড়ে বিক্রি হচ্ছে তাজা মাছ

দিনকাল বিডি ২৪ / ১৮৭ Time View
প্রকাশঃ শুক্রবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৩

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: প্রতি বছরই পদ্মা নদীর পানি কমতে শুরু করলে হরেক রকমের মাছ ধরা পড়ে জেলেদের জালে। সেই মাছ এবারও ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে। সারারাত নৌকা আর জাল দিয়ে পদ্মার বুক চিরে চষে বেড়িয়ে মাছ ধরে খুব ভোরবেলা পদ্মা নদীর পাড়েই জমজমাট হাট বসিয়ে মাছ কেনাবেচা হচ্ছে।

আর এসব তাজা মাছ বিক্রি হচ্ছে রাজশাহী নগরীর শ্রীরামপুর এলাকায়। প্রতিদিন ভোর ৫টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে এসব মাছ। নদীর বিভিন্ন ধরনের তাজা মাছ বিক্রি হচ্ছে বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে।

জেলেদের ভাষ্য, নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে নদীতে মাছ কম ধরা পড়ে, আর পানি কমলে নদীতে বেশি মাছ ধরা পড়ে। এখন পদ্মা নদীর পানি কমার সাথে সাথে নদীতে বেশি মাছ ধরা পড়তে শুরু করেছে। কথাটি বাস্তবে পরিণত হয়েছে।

মাস দুয়েক আগেও হু হু করে উত্তাল পদ্মার পানি বাড়ছিল। সে সময় নদীতে মাছের দেখা পাওয়া ছিল কষ্টকর। জেলে পরিবারগুলোতেও হতাশা নেমে এসেছিল। পদ্মার পানি কমার সাথে সাথে মাছ ধরা বেশি পড়ছে। পদ্মা নদীর মাছ ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে। আবার এই মাছ আড়তেও যাচ্ছে। তবে কিছু সংখ্যক জেলে মাছ ধরে পদ্মার পাড়েই বিক্রি করে দিচ্ছেন।

শ্রীরামপুর বাঁধে দেখা যায় মাছের বাজার। জেলেরা বিভিন্ন রকমের মাছ বিক্রি করছেন। সারারাত নৌকা নিয়ে পদ্মায় জাল ফেলে তারা মাছ ধরছেন। এই মাছ ভোরবেলায় নিয়ে এসে বিক্রি করছেন। জেলের জালে উঠছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। এর মধ্যে ছোট বাঘাইড়, পাবদা, ছোট চিংড়ি, চিতল, রিটা, মলা, ট্যাংড়া ও পিয়ালিসহ বিভিন্ন জাতের।

জেলে রুবেল ইসলাম বলেন, নদীতে মাছ ধরা শুরু হয় রাত থেকেই। সন্ধ্যার পর জাল ও নৌকা প্রস্তুত করে আবহাওয়া বুঝে রাত ১০টার দিকে চলে যায়। সারারাতই মাছ ধরি। ভোরবেলায় মাছ নিয়ে এসে এখানেই বিক্রি করি। এতে আমাদের লাভও বেশি হয়।

তিনি আরও বলেন, আড়ত বা বাজার থেকে এখানে মাছ বিক্রি করে লাভ বেশি হয়। আবার পরিশ্রমও সার্থক মনে হয়। আড়তে মাছ বিক্রি করতে গেলে খাজনা দিতে হয়, তখন দাম বেড়ে যায়। বাজারেও তাই। তাই এখানে বসে মাছ বিক্রি করে দিই।

জামিল উদ্দিন নামের আরেক জেলে বলেন, এখানে কোনো ঝঞ্ঝাট ছাড়াই মাছ বিক্রি করা যায়। শীতকাল চলে আসলে হয়তো আর সেভাবে সম্ভব হবে না মাছ ধরা। আমাদের এখান থেকে পাইকারি ও খুচরা মাছ বিক্রেতাও মাছ কিনে নিয়ে গিয়েও বিক্রি করেন। তবে আমাদের এখানে সাধারণ ক্রেতারা বেশি মাছ কেনেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category