• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবার মান বাড়াতে কমিশনারের নির্দেশনা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দায় কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত নওগাঁ জেলা জামায়াতের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন আমির মাহফুজুর রহমান নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য হলেন প্রভাষক আবু সাঈদ কুষ্টিয়ায় মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল বরাদ্দ ফুলবাড়ী উপজেলার মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাণীনগরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু কৃষকের ঘরে আসছে নতুন সোনালী ফসল রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।।

শ্রীবরদীতে ভিন্ন নামে নববর্ষ উদযাপন সাংস্কৃতিক মহলে ক্ষোভ

দিনকাল বিডি ২৪ / ১২০ Time View
প্রকাশঃ বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

শেরপুর প্রতিনিধি,

সারাদেশে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’র মাধ্যমে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করা হলেও শেরপুরের শ্রীবরদীতে তা পালিত হয়েছে ভিন্ন নামে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সেখানে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’র পরিবর্তে ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’ ব্যানারে বাংলা নববর্ষ বরণ করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সাংস্কৃতিক অঙ্গন ও সচেতন মহলে প্রশ্ন ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে শ্রীবরদী উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়। এতে প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করে । শোভাযাত্রাটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদে এসে শেষ হয়।

জানা গেছে, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখের সভায় বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারোসহ অন্যান্য জনগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়। সেখানে পহেলা বৈশাখ উদযাপনে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ আয়োজনের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল দেশজুড়ে অভিন্ন নামে এ উৎসব উদযাপন নিশ্চিত করা।

তবে শ্রীবরদীতে আয়োজিত শোভাযাত্রার মূল ব্যানারে স্পষ্টভাবে ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’ লেখা থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক সাংস্কৃতিক সংগঠক বলেন, “সরকারি নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও ‘বৈশাখী’ শব্দটি বাদ দেওয়া দুঃখজনক। প্রশ্ন উঠেছে, কোনো বিশেষ মহলকে সন্তুষ্ট করতেই কি প্রশাসন এ নাম ব্যবহার করেছে?”

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মণীষা আহমেদ বলেন, “আমি এ বিষয়ে কোনো প্রজ্ঞাপন পাইনি। বিষয়টি খেয়ালেও আসেনি।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category