• শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
উ‌দ্বেগজনক হা‌রে বাড়‌ছে সাইবার ক্রাইম । রাজশাহী প্রেসক্লাব থেকে সেচ্ছায় অব্যাহতি নিলেন রেজাউল করিম ও শামসুল রহমান রাজশাহী প্রেসক্লাব থেকে সেচ্ছায় অব্যাহতি নিলেন রেজাউল করিম ও শামসুল রহমান নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: রাজশাহী প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাধারণ সদস্যপদ থেকে সেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছেন রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. রেজাউল করিম এবং সাধারণ সম্পাদক শামসুল রহমান। শনিবার (৪ এপ্রিল) এক লিখিত পত্রের মাধ্যমে তারা এ সিদ্ধান্ত জানান। পত্রে রেজাউল করিম উল্লেখ করেন, গত ৩০ মার্চ প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে অভিযোগ করা হয়, তিনি একটি মানববন্ধন থেকে প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে সম্মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই বলে দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ ও দাবি উপস্থাপন করা তার সাংবিধানিক অধিকার। তার ওপর সংঘটিত হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত ওই মানববন্ধনে কেবল ন্যায়বিচার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। সেখানে প্রেসক্লাবের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়Ñএমন কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। চিঠিতে তিনি তার ওপর হামলার ঘটনায় প্রেসক্লাবের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা না নেওয়া এবং সামাজিক মাধ্যমে তাদের পরিচয় বহাল রাখাকে গঠনতন্ত্রবিরোধী বলে উল্লেখ করেন। রেজাউল করিম আরও অভিযোগ করেন, প্রেসক্লাবের বর্তমান কার্যক্রমে গঠনতন্ত্র যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না এবং একপাক্ষিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে নীতিগত অবস্থান থেকে তিনি কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাধারণ সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান। তিনি বলেন, পত্রটি গ্রহণের পর থেকে রাজশাহী প্রেসক্লাবের সঙ্গে তার কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক থাকবে না। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে রেজাউল করিম বলেন, আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে মানববন্ধনে অংশ নিয়ে আমার ওপর সন্ত্রাসী হামলার বিচার দাবি করেছি। সেখানে কোনোভাবেই প্রেসক্লাবের সম্মানহানিকর বক্তব্য দেইনি। নোটিশটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও একপাক্ষিক বলে মনে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমার ওপর হামলার ঘটনায় ন্যায়বিচার চাওয়াই যদি অপরাধ হয়, তাহলে বিষয়টি দুঃখজনক। বরং প্রশ্ন হচ্ছে,সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না। উল্লেখ্য, মোঃ রেজাউল করিম বর্তমানে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নেত্রকোণায় হামের উপসর্গে ৭১ জন হাসপাতালে, ৪ জনের অবস্থা সংকটাপন্ন বাঘায় ৭৪০ জন কৃষক পেল সার-বীজ, প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের টাকা পেল ২৪৩জন হাম প্রতিরোধে রাজশাহীতে বিশেষ কর্মসূচি, টিকা দেবে রাসিক হাম মোকাবিলায় প্রস্তুত রাজশাহী, বললেন রাসিক প্রশাসক যানবাহনের হর্নে অতিষ্ঠ রাজশাহী নগরী, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি রাজশাহীতে বিপুল পরিমান ফেনডিলসহ দুই মাদককারবারি গ্রেফতার মহাদেবপুরে ৩০ কোটি টাকার ব্রিজ কোনো কাজে আসছে না সংযোগ সড়কের অভাবে যাতায়াত বন্ধ এলাকাবাসীর ভরসা সেই বাঁশের সাঁকো মান্দায় পাটবীজ ও সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

উ‌দ্বেগজনক হা‌রে বাড়‌ছে সাইবার ক্রাইম ।

দিনকাল বিডি / ১৬৯ Time View
প্রকাশঃ মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬

অ‌্যাড‌ভো‌কেট মোঃ এনামুল হক
বাকস্বাধীনতার নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত আক্রমণ, চরিত্রহনন এবং পরিকল্পিত অপপ্রচার বেড়েই চলেছে। এক‌টি প্রশি‌ক্ষিত গো‌ষ্টি এ কাজটি পরিকল্পিতভাবে শুরু করেছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। ভিন্নমতকে যুক্তি দিয়ে মোকাবিলা না করে অনেকেই বেছে নিচ্ছেন মিথ্যা তথ্য ছড়ানো, বিকৃত উপস্থাপন বা গুজব তৈরির পথ। ফলে একটি সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তে তৈরি হচ্ছে বিভাজন, অবিশ্বাস ও ঘৃণার পরিবেশ।
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যা-ই প্রকাশ করা হোক না কেন, তার দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। অনলাইনেও আইন প্রযোজ্য, এবং অপতথ্য ছড়ানোর জন্য জবাবদিহি করতে হবে।
হাইপ তুল‌তে প্রশি‌ক্ষিত ব‌্যক্তিগু‌লোর ফেসবুক পোস্টগুলো দেখে মনে হয়, প্রশি‌ক্ষিত ওই কর্মীরা মানসিকভাবে প্রচন্ড অসুস্থ। রাজনৈতিক যত নোংরা গুনাবলী আছে তার সবই এ‌দের ফেসবুক পোস্টে স্থান পেয়ে‌ছে/পায়। ফ্যাক্টচেক ছাড়া কোনো তথ্য শেয়ার করা এখন শুধু অনৈতিকই নয়, অনেক ক্ষেত্রে তা আইনগত অপরাধ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। একটি ভুয়া পোস্ট মুহূর্তের মধ্যে হাজারো মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়ে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা রাজনৈতিক দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে। এমনকি সামাজিক অস্থিরতাও তৈরি হতে পারে। এক্ষেত্রে আইন ব‌সে থাক‌তে পা‌রে ন‌া। ব্যবহারকারীদের বুঝতে হবে-বাকস্বাধীনতা মানে যা খুশি তাই বলার অধিকার নয়; বরং তা সত্য, দায়িত্বশীল এবং যুক্তিনির্ভর মতপ্রকাশের সুযোগ। অন্যের সম্মান ও অধিকার ক্ষুণ্ন করে কোনো স্বাধীনতাই টেকসই হতে পারে না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে সুস্থ ও ইতিবাচক রাখতে হলে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব নিতে হবে। ডিজিটাল যুগে বাকস্বাধীনতা রক্ষার পাশাপাশি অপব্যবহার রোধ করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায়, এই স্বাধীনতাই আমাদের সমাজকে বিষাক্ত করে তুলবে-যার ক্ষতি শেষ পর্যন্ত সবারই। সমালোচনার ভাষা এবং প্রচারণার তথ্য সম্পর্কে দায়িত্বশীল না হলে, তাদের জন্য কোন কিছুই স্বাধীন ভাবে ভোগ বা উপভোগ্য নয়।
আই‌নের শাসন প্রতিষ্টায় সাইবার ক্রাইম ইন‌ভে‌স্টি‌গেশন সেল-‌কে এই জায়গায় আ‌রো বে‌শি তৎপর হ‌তে হ‌বে ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category




Recent Posts

Recent Comments

No comments to show.

রাজশাহী প্রেসক্লাব থেকে সেচ্ছায় অব্যাহতি নিলেন রেজাউল করিম ও শামসুল রহমান নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: রাজশাহী প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাধারণ সদস্যপদ থেকে সেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছেন রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. রেজাউল করিম এবং সাধারণ সম্পাদক শামসুল রহমান। শনিবার (৪ এপ্রিল) এক লিখিত পত্রের মাধ্যমে তারা এ সিদ্ধান্ত জানান। পত্রে রেজাউল করিম উল্লেখ করেন, গত ৩০ মার্চ প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে অভিযোগ করা হয়, তিনি একটি মানববন্ধন থেকে প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে সম্মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই বলে দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ ও দাবি উপস্থাপন করা তার সাংবিধানিক অধিকার। তার ওপর সংঘটিত হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত ওই মানববন্ধনে কেবল ন্যায়বিচার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। সেখানে প্রেসক্লাবের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়Ñএমন কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। চিঠিতে তিনি তার ওপর হামলার ঘটনায় প্রেসক্লাবের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা না নেওয়া এবং সামাজিক মাধ্যমে তাদের পরিচয় বহাল রাখাকে গঠনতন্ত্রবিরোধী বলে উল্লেখ করেন। রেজাউল করিম আরও অভিযোগ করেন, প্রেসক্লাবের বর্তমান কার্যক্রমে গঠনতন্ত্র যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না এবং একপাক্ষিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে নীতিগত অবস্থান থেকে তিনি কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাধারণ সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান। তিনি বলেন, পত্রটি গ্রহণের পর থেকে রাজশাহী প্রেসক্লাবের সঙ্গে তার কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক থাকবে না। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে রেজাউল করিম বলেন, আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে মানববন্ধনে অংশ নিয়ে আমার ওপর সন্ত্রাসী হামলার বিচার দাবি করেছি। সেখানে কোনোভাবেই প্রেসক্লাবের সম্মানহানিকর বক্তব্য দেইনি। নোটিশটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও একপাক্ষিক বলে মনে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমার ওপর হামলার ঘটনায় ন্যায়বিচার চাওয়াই যদি অপরাধ হয়, তাহলে বিষয়টি দুঃখজনক। বরং প্রশ্ন হচ্ছে,সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না। উল্লেখ্য, মোঃ রেজাউল করিম বর্তমানে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।