• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।। সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর ৫ প্রবাসীর মরদেহ দাফন নওগাঁর মান্দায় ভালাইন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল কালাম আজাদের ব্যাপক গণসংযোগ রাজশাহীতে ডিবির অভিযানে পালিয়েছে কুখ্যাত মাদক কারবারী মাসুম ভারতীয় সিরাপসহ প্রাইভেট কার জব্দ, গ্রেপ্তার ১২ রাজশাহীতে পথকুকুরের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন কাজল রেখা রাজশাহীতে ৫২ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারী গ্রেপ্তার বাঘায় বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, ২২ বছরের নারীকে কিশোরী দেখিয়ে থানা থেকে ছাড়ার দাবি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে মেয়েরা, ৩৯ কলেজে কেউ পাস করেনি নওগাঁর মান্দায় এমপির সঙ্গে প্রসাদপুর দলিল লেখক সমিতির নতুন কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়

উলিপুরে রিক্সা চালকের সন্তান পেয়েছে জিপিএ – ৫

দিনকাল বিডি / ২২৪ Time View
প্রকাশঃ বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২২

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের উলিপুরে প্রায় ৪০ বছর থেকে রিক্সা চালিয়ে ঘাম ঝড়িয়ে সংসার চালান জহুরুল। ৬ শতকের বাড়িটিই তাঁর ঠিকানা। আবাদি জমি ১শতকও নেই। ঘুম ভাঙ্গে সংসার চলবে কিভাবে আর সেই ঘুমের সঙ্গে থাকে কিভাবে সন্তান মানুষ হবে। তিন সন্তানের জনক জহুরুল বড় দুই মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন রিক্সা চালিয়েই। এই অভাব ও সংকটের সাথে সংগ্রাম করা রিক্সা চালক জহুরুলের পুত্র আল আমিন অলি হোসেন ২০২২ সালের এসএসসি পরিক্ষায় উলিপুর এমএস স্কুল এন্ড কলেজ থেকে জিপিএ – ৫ পেয়েছে। রিক্সা চালক পিতা স্বপ্ন দেখছেন দেশের সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করে মানুষের মত মানুষ হয়ে উঠুক। এদিকে সন্তান আল আমিন অলি হোসেনও স্বপ্ন দেখছেন পড়া-লেখা শেষ করে পিতা-মাতা ও শিক্ষকদের মুখে হাসি ফুটাবেন। জহুরুলের সংসার চলে রিক্সা চালিয়ে এবং তাঁর স্ত্রী উলিপুরে কারু পণ্য নামের একটি বে-সরকারি প্রতিষ্ঠানে মাসিক ৩ হাজার টাকার চুক্তিতে কাজ করে। এই কাজের বিনিময় মাসের শেষে যা পায় তা দিয়ে সন্তানের পড়া-লেখার খরচ বহন করা ওই পিতা-মাতার পক্ষে দুঃসাধ্য হয়ে দাড়িয়েছে। জহুরুল দুঃখ কষ্ট করে সংসার চালালেও এ সময় এসে কিছুটা নির্বিকার। তবুও আশা করছেন সন্তানের পড়া-লেখা শেষ না পর্যন্ত একটি বৃত্তির ব্যবস্থা কেউ করলে মন্দ হয় না।
বুধবার (৩০ নভেম্বর) রাতে অলি হোসানের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, একটি জ্বীর্ণ রুমে তার পড়-লেখা করার টেবিল, এলোমেলো বই-খাতা। সে সময় কথা হয় অলি হসেনের সাথে। অলি জানায়, আমি সকল বিষয়ে জিপিএ – ৫ পেয়েছি আমার একান্ত চেষ্টা থেকে। পিতা রিক্সা চালালেও এবং আমার মা গার্মেন্টস কর্মী হলেও আমি আমার পিতা-মাতার বাধ্য সন্তান। আমার পিতা-মাতা যেভাবে আমার কাছে আশা করছিলেন আমি চেষ্টা করেছি মাত্র। শিক্ষকদের কুর্ণিশ করে অলি হোসেন জানায়, আমার শিক্ষা জীবনের সকল স্যারদের দোআ ও আর্শ্বিাদে এইটুকু পথ পাড়ি দিয়েছি, সামনে এর থেকেও বড় পথ আছে আমি সকলের কাছে দোআ কামনা করছি যেনো সেই পথগুলোও সঠিকভাবে পাড়ি দিতে পাড়ি। অলি হোসানের বাবা-মা সন্তানের জন্য দোআ ও সহযোগিতা কামনা করে বলেন, খুব কস্ট করে আমরা আমাদের সন্তানটিকে তৈরি করার চেষ্টা করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category