মুন্সি ইকবাল।
চাঁদাবাজি, জবরদখল, ডাকাতি ও মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত এলাকার ঘরজামাই। নূর আলম (রেনুয়ার)। বাড়ি টাংগাইল জেলায়। পিতার নাম আবু বকর সিদ্দিক। বিয়ে করছেন ময়মনসিংহ জেলার পাগলা থানার প্রসাদপুর গ্রামে। এরপর থেকে তিনি শ্বশুরবাড়িতে থেকে যায় ঘরজামাই হিসেবে। তার চলাফেরা শুরু হয় এলাকার আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সাথে।
তিনি বাংলাদেশ সেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক গফরগাঁও উপজেলার মশাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল মনি ও আওয়ামী লীগের উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিদের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হয়ে ওঠেন ভূমিদস্যু। ওই এলাকার মানুষের জমি জোর করে দখলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে হয়েছে মামলাও।
ওই গ্রামের সাধারণ মানুষ জানান, ঘরজামাই নূর আলম খান (রেনুয়ার) চাঁদাবাজি, জবরদখল, ডাকাতি ও মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত।
সব অপরাধ করেও ধরা ছোঁয়ার বাইরে এখনো। পাগলা থানার পুলিশও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেনি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, প্রসাদপুর গ্রামের সূর্য্যত আলীর পৈত্রিক সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করে নূরে আলম বেনুয়ার। সূর্য্যত আলীর স্ত্রী রাজিয়া খাতুন ও ছেলের বৌকে মেরে রক্তাক্ত করে পালিয়ে যায় নূরে আলম বেনুয়ার। এ বিষয়ে মশাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল খান মনি বলেন, বিষয়টি আসলে তাদের পারিবারিক।
সরকার পরিবর্তন হওয়ায় কিছু লোক এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানে এবং ওই এলাকায় একটু জমি কিনে বেনুয়ার বাড়ি করছে। মূলত রাস্তা নিয়ে এক পক্ষ বাধা দেয়।
এ বিষয়ে জানতে বেনুয়ারের বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো ফেরদৌস আলম বলেন, এ ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থ নেওয়া হবে।