এম, এ কাশেম, জেলা প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :: চট্টগ্রাম শহরে চাকুরী, ব্যবসা সহ যে কোনো ভাবে বসবাসকারীদের নিয়ে গঠিত ‘চট্টগ্রামস্থ মীরসরাই এসোসিয়েশন’ নামক সংগঠনটি কে একেবারেই দলীয় করন ও দুর্নীতি এবং সেচ্চাচারীতার ‘আখড়া’ বানিয়ে ফেলেছিলো ক্ষমতার দাম্ভিকতা দেখানো আওয়ামী লীগ নেতারা! সু’দীর্ঘ ১৬-১৭ বছর চরম বৈষম্যের কবলে পড়েছিলো উক্ত সংগঠনটি। বলতে গেলে হাতে গোনা দু’চিরজন দালাল ও বাটপার ছাড়া ওই সময়ে আওয়ামী বিরোধী কোনো মত এর ঠাঁই হয়নি উক্ত সংগঠনটিতে। তেমন কেউ পায়নি সেখানকার কমিটিতে স্থান। তথাপি, উক্ত সংগঠনটি কে ভালোবেসে গিয়েছিলো চট্টগ্রাম শহরে বসবাসকারী মীরসরাই উপজেলার বাসিন্দারা। এবং বৈষম্যের শিকার প্রায় সবাই অপেক্ষায় থেকেছিলেন সময় একদিন আসবে তার দিকে। অবশেষে গত ৫ আগষ্ট শেখ হাসিনার পলায়ন ও আওয়ামী সরকারের পতনের পর দীর্ঘদিনের অপেক্ষাকৃত সেই খুশির দিন এসে হাতে ধরা দেয়ার মতো অবস্থার সৃষ্টি করে বৈষম্যের কবলে পড়া বঞ্চিতদের। অনেক কে পালাতে হয়, আবার যারা থেকে গিয়েছে তারা হয়ে পড়ে কোণঠাসা। কিন্তু, থেকে যাওয়া আওয়ামী দোসররা গত প্রায় ৬ মাস অতিবাহিত হয়ে যাওয়ার প্রাক্কালে আবার যেনো মাথা ছাড়া দিয়ে উঠে! দীর্ঘদিন বঞ্চিত হয়ে থাকা অনেক খে তৎপর হয়ে উঠতে দেখে নড়চড়ে বসে আওয়ামী দোসররা। ইতিমধ্যে বঞ্চিত সবাই একত্রিত হয়ে একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করে সংগঠনটি কে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেন। সে মোতাবেক নির্বাচনী সিডিউল ও ঘোষণা করা হয়। এতে একেকজন একেক ভাবে তাদের প্রার্থীতা ও ঘোষণা করে।
সে নিরীখে নির্বাচনী কার্যক্রম ও এগিয়ে চলে পুরোদমে। কিন্তু, বাঁধ সাধে আওয়ামী দোসররা। আর তাতে পুরো নির্বাচনী কার্যক্রমের উপর অশনি থাবা ও আঁচড়ে পড়ে। লন্ডভন্ড হয়ে যায় পুরো নির্বাচনী পরিবেশ!
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত (গতকাল) নির্বাচনী প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে ইলেকশনের পরিবর্তে পূর্বেকার মতো সিলেকশনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করার দিকে এগুতে থাকায় দীর্ঘ বছরের পর বছর যারা চরম বৈষম্যের শিকার হয়ে উক্ত চট্টগ্রামস্থ মীরসরাই এসোসিয়েশনের বাইরে থাকতে হয়েছিলো তাদের মধ্যে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। আর এতে কোনো না কোনো অঘটন ঘটনার জন্ম নিতে পারে বলে ও অনেকে সন্দিহান।
এমন সময়তে বিএনপি ও জামায়াত সহ তাদের অন্যান্য সহযোগী নের্তৃবৃন্দরা ঐকৃবদ্ধতায় থাকার মানসিকতা দেখিয়ে এক টেবিলে বসে আলাপ- আলোচনার মাধ্যমে বিগত ১৬-১৭ বছরের দুঃশাসনামলে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বঞ্চিত হয়ে পড়া সবাই কে নিয়ে সুন্দর একটি কমিটি গঠন করে সংগঠনটি কে সৈরাচারী কায়দা থেকে মুক্ত করে দিতে এগিয়ে আসা উচিত বলে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যাক্তি বিশেষরা মনে করেন।