এম, এ কাশেম জেলা প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :
শুধুমাত্র বিএনপি করার অপরাধে ব্যবসা-বানিজ্য ছেড়ে জীবনের চরম নিরাপত্তা হীনতায় দীর্ঘ বছরের পর বছর পার করে যেতে হয়েছে উত্তর চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ বাজারের প্রবীণ ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা বায়েজিদ আলম চৌধুরী! স্বাধীন বাংলাদেশের ক্ষণজন্মা এক কালজয়ী নেতা, স্বাধীনতা যুদ্ধের অগ্র বীর সেনানী/ বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্বাধীনতার মহান ঘোষক, সাবেক সেনাবাহিনীর প্রধান, ও সাবেক প্রেসিডেন্ট শহীদ জিয়াউর রহমান এর নিজ হাতে গড়া রাজনৈতিক দল, দেশ-মাটি ও মানুষের অস্তিত্ব রক্ষার অতন্দ্র প্রহরী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ‘র প্রতি আকৃষ্ট হয়ে বিগত ১৯৮৭ সাল তিনি বিএনপি’র রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন।
ধীরে ধীরে তিনি রাজনৈতিক যোগ্যতা বলে নিজ ওয়ার্ড- ইউনিয়ন এবং বর্তমানে উপজেলা পর্যায়ে ও নের্তৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন।
বায়েজিদ আলম চৌধুরী তার নিজ এলাকার বাজার জোরারগঞ্জে ছোটো খাটো একটা ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু, তার রাজনৈতিক দল বিএনপি’র এন্ট্রি আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের বিভিন্ন হুমকি-ধামকীতে ব্যবসা-বানিজ্য ও এক প্রকার ছেড়ে দিয়ে আর্থিক দৈন্যদশায় ভূগতে থাকেন বলে তিনি এ প্রতিনিধি কে জানান।
বায়েজিদ আলম চৌধুরী বিগত ১৯৮৮ সালে মীরসরাই উপজেলায় বিএনপি’র রাজনৈতিকাঙ্গনে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। এবং সর্ব সম্মতি ক্রমে তিনি ইউনিয়ন বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক পদ লাভ করেন। বর্তমানে তিনি তার নিজ এলাকা মীরসরাই উপজেলার ৩ নং জোরারগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপি’র আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক এর দায়িত্ব পালন করে দলের জন্য অনবদ্য অবদান রাখার সুবাদে তাকে মীরসরাই উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে ও দায়িত্ব পালনে রাখা হয়েছে।
বিএনপি’র নের্তৃত্বে থাকা এমন কি শুধুমাত্র বিএনপি করার অপরাধে তার ও তার পরিবারের ওপর অনবরত হুমকি-ধামকির ‘খড়গ’ চালানো হয়। প্রাণ ভয়ে তাকে ব্যবসা-বানিজ্য ও এক প্রকার ছেড়ে দিয়ে চরম আর্থিক অনটনের মাধ্যমে দিন-রজনী পার করে যেতে হয়েছে বিগত প্রায় ১৬ বছর যাবত। এতো কিছুর পর ও এবং বলতে গেলে এক প্রকার জীবনের মায়া ত্যাগ করে দলের সাধা
রণ নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে যথাসাধ্য সর্বাত্মক সহযোগিতার চেষ্টা চালিয়ে এসেছেন বলে ও তিনি দাবি করেন।
বিএনপি’র নিবেদিত প্রাণ নেতা বায়েজিদ আলম চৌধুরী এ প্রতিনিধির সাক্ষাতে বলেন, বিএনপি’র হাজার হাজার সাধারণ নেতা-কর্মী দীর্ঘ বছরের পর বছর যাবত অত্যন্ত মানবেতর জীবন-যাপন করে যেতে হয়েছে। তার মধ্যে আমি ও একজন।
অদুর ভবিষ্যতে আমার মতো আর কাউকে যেনো এমনোতর: অবস্থার শিকার হতে না হয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এক প্রশ্নের উত্তরে বিএনপি’র নিবেদিত প্রাণ বায়েজিদ আলম চৌধুরী বলেন, দলের জন্য অতিত সময়ে নিজের জীবন বাজী রেখে য
হা করে এসেছি তা যদি দল মূল্যায়ন করে আগামীতে যে কোনো দায়িত্ব অর্পণ করেন তাহলে অতিতের সকল দুঃখ-কষ্ট ভুলে দলের জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করে যাবো ইনশাল্লাহ।
বিগত ১৬ বছর ‘জগদ্দল পাথর’র ন্যায় রাষ্টিয় ক্ষমতা কুক্ষিগত করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী সরকার তার/তাদের বিরোধী বিএনপি’র নেতা-কর্মীদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতনের ষ্টিমরোলার চালিয়ে জীবনকে বিভিষিকাময় করে তুলেছিলো। শুধু বিএনপি’র নেতা-কর্মীদেরকে-ই নয় স্বয়ং দলের চেয়ারপার্সন দেশের আপামর মানুষের প্রাণ দেশ মাতা বেগম খালেদা জিয়ার জীবন থেকে কেড়ে নিয়েছে বেশ কয়েকটি বছর। এবং দলের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর ও জীবন শেষ করে দিতে চেয়েছিলো তার বড় ভাই আরাফাত রহমান কোকো’র মতো। আল্লাহর অশেষ রহমত গুনে দু’ছেলের মধ্যে এক ছেলে হারীয়ে এক ছেলে নিয়ে বেঁচে আছেন বাংলার মা’জননী।
দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ফসল হিসেবে শেখ হাসিনার পলায়ন ও আওয়ামী সরকারের পতনের পর আমার মতো হাজার হাজার বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা কিছু টা হলে ও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে যেতে পারছে বলে আল্লাহর দরবারে শেষ হীন শোকর গুজরান করে বিএনপি নেতা বায়েজিদ আলম চৌধুরী বলেন, শেখ হাসিনার পলায়ন ও আওয়ামী সরকারের পতন হলে ও এখনো পুরোপুরি স্বাধীনতা লাভ করা যায়নি।
আর সে জন্য দলের সকল নেতা-কর্মীদের ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তুলে বিএনপি কে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করার কোনো বিকল্প নেই বলে ও মনে করছেন তিনি।