এম, এ কাশেম, জেলা প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :: উত্তর চট্টগ্রামের আওয়ামী রাজনীতিতে বিবিধ: অবৈধ কর্মের হোতা এবং সন্ত্রাসী চক্রের মহারাজ খ্যাত, ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী সরকারের শাসনামলে সন্ত্রাসীদের যুবরাজ নামে নামে ও যার পরিচিতির ব্যাপক আধিক্য রয়েছে। এবং সর্ব শ্রেণী ও পেশার মানুষের কাছে যে কি না ইয়াবা সম্রাট উপাধিতে ভূষিত সেই সন্ত্রাসী গুরু উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার বারইয়াহাট পৌরসভার বিনাভোটের মেয়র ও পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম খোকন। তাকে মোটা অঙ্কের পার্সেন্টেসিস না দেয়া হলে পৌরসভা এবং এর পাশ্ববর্তী এলাকায় কেউ ব্যবসা-বানিজ্য সহ কোনো ধরনের কাজ ও করতে বা করাতে পারতো না!
শুধুমাত্র একজন সন্ত্রাসী হিসেবে দলের একাংশের কাছে তার কদর ছিলো বেশী। আর যার কারণে তাকে পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বানানো হয়েছিলো। এবং তৎ পরবর্তী তাকে বারইয়ারহাট পৌরসভার মেয়রের মনোনয়ন দিয়ে বিনা ভোটে মেয়র ও নির্বাচিত করে দেয়া হয়েছিলো।
অভিযোগ রয়েছে- ওই আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউল করিম খোকন হাজার কোটি টাকার মালিক বনে গেছে শুধুমাত্র সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের গডফাদার হওয়ার কারণে।
গত ৫ আগষ্ট তার দলের নেত্রী ও তাদের দলীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত পলায়ন ও সরকারের পতনের পষঘটার পর এলাকার দু’এক টাকা লোভী রাজনৈতিক দলীয় নেতাকে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে এলাকা থেকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পের এখন ঢাকায় অবস্থান করে লুকিয়ে রয়ছে বলে বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানায়।
তার বিরুদ্ধে অনেক মামলা ও রয়েছে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে থেকে জানা গেছে।
ক্ষমতায় থাকাবস্থায় সে এবং তার সাথে থাকা সন্ত্রাসী বাহিনী র্যাব ৭ এর একটি টিম থেকে অস্ত্র ও কেড়ে নিয়েছিলো এবং সে ঘটনায় মামলা চলমান রয়েছে বলে সূত্র জানায়।
এমন কু’কৃত্তির মহানায়ক খ্যাত এবং সন্ত্রাস-চাঁদাবাজী সহ নানাবিধ: অঘটন ঘটানোর নায়ক উত্তর চট্টগ্রামের বারইয়ারহাট পৌরসভার ওই সাবেক ময়র ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম খোকন এখনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে কেনো? এমন প্রশ্ন বারইয়ারহাট পৌরসভা এলাকা সহ সমগ্র মীরসরাই উপজেলাবাসীর।
বর্তমান সময়তে ‘ডেভিল হান্ট’ পরিচালনাকারী যৌথ বাহিনীর প্রতি এতদাঞ্চলের মানুষজন উক্ত কুখ্যাত সন্ত্রাসী গডফাদার খোকন কে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার কার জোর দাবি জানিয়েছেন।
এ ছাড়া তির বিরুদ্ধে এতো অভিযোগ/মামলা থাকার পর ও স্থানীয় জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ এখনো কেন নীরব ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে তা ও খতিয়ে দেখার এলাকার মানুষ যৌথ বাহিনীর সু’দৃষ্টি কামনা করেছেন।
একাধিক মাধ্যমে থেকে প্রাপ্ত সংবাদে জানা গেছে, তার সাথে যে সব পুলিশ অফিসারদের গোপন সখ্যতা ছিলো তারা এখনো বহাল তবিয়তেই রয়েছে! অবৈধ কর্মের হোতার সাথে গোপন সখ্যতা রাখা ব্যাক্তিরা বহাল তবিয়তে থাকেন কি ভাবে?
এমন কি কারো কারো সাথে এখনো রয়েছে তার ওই গোপন সম্পর্কের আলোকে যোগাযোগ ও রয়েছে! তাদের বিরুদ্ধে ও খোঁজ নেয়ার দাবি উঠেছে বারইয়ারহাট পৌরসভা সহ সমগ্র মীরসরাই উপজেলা থেকে।