এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম ::
উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের পাহাড়ি ত্রিপুরা যুবক পটুয়াখালীর কুয়াকাটা এলাকা থেকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপ্রাপ্ত বয়স্ক এক মুসলিম যুবতীকে ফুঁসলিয়ে নিজের পাহাড়ি এলাকায় তার বাড়িতে নিয়ে আসে।
সু’চতুর ওই ত্রিপুরা যুবক মেয়েটির বয়স বাড়িয়ে ভুয়া এনআইডি, ভুয়া এপিড়এপিড় ও তৈরি করে। এবং ধর্ম পরিবর্তনের ভুয়া নথি দেখিয়ে বিয়ের নকল কাগজ তৈরি করে মেয়েটি কে তার ঘরেই রেখে দিতে ফন্দি এঁটে
মেয়েটির নাম পরিবর্তন করে পরানো হয় ত্রিপুরা পোশাক ও। কিন্তু, এলাকার এক সচেতন মুসলিম পরিবারের সন্তান বিষয়টি গোপনে আঁচ করতে পেরে তাতে হস্তক্ষেপ করলে ওই ত্রিপুরা যুবকের কৌশলী সব কিছু-ই ভেস্তে যায়।
সূত্র জানায়, মীরসরাই সদর ইউনিয়নের জামালের দোকানের পূর্ব পাশে পাহাড়ি ত্রিপুরা পল্লিতে নতুন অতিথির রহস্যজনক আচরাচরন ও চেহারা-সুযত স্থানীয় সচেতন মুসলিম পরিবারগুলোর মাঝে ব্যাপক সন্দেহের সৃষ্টি করে।
আর তাতে স্থানীয় অধিবাসীরা থানা পুলিশের সহযোগিতা চাইলে পুলিশ তাতে হস্তক্ষেপ করে। কিন্তু, আইনি জটিলতার কারণে ৭ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলে ও কিছুই করা সম্ভব হয়নি।
তবে, স্থানীয় নয়ন নামের ধর্ম প্রিয় এক মুসলিম পরিবারের সন্তান নিজে উদ্যোগী হয়ে নিজ দায়িত্বে মেয়ের বাবার ঠিকানা সংগ্রহ করে পরিবারের অন্যান্যদের সাথে যোগাযোগ করেন এবং ঘটনা সংক্রান্ত বিষয়ে থানায় জিড়ি করে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় লোকজন নিয়ে গতকাল ২৫ এপ্রিল (শুক্রবার) জুমা’র নামাজের পর উক্ত ত্রিপুরা পাড়ায় গিয়ে অনেক তর্ক-বিতর্কের পর মেয়েটিকে সেখান থেকে উদ্ধার করে মীরসরাই থানা পুলিশের মধ্যস্থতায় পরিবারের হাতে হস্তান্তর করতে সমর্থ হন।
ঘটনা টি পুরো মীরসরাই ব্যাপী ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হয়।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উক্ত ত্রিপুরা যুবক এলাকায় অবস্থান করলে ও তির বিরুদ্ধে সামাজিক ও প্রশাসনিক ভাবে কোনো ব্যবস্থা নেয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তার কারণে স্থানীয় ভাবে মুসলিম পরিবার গুলোর মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।