এম, এ কাশেম জেলা প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :
চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় চরম জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে হাজার হাজার নারী-পূরুষ ঘর/বাসা-বাড়িতে আটকা পড়ে রয়েছে। কোথাও বের হতে পারছে না। শহরের বিভিন্ন অলিগলি ও রাস্তা-ঘাট পানিত ডুবে একাকার হয়ে পড়েছে। অধিক প্রয়োজনের তাগিদে কেউ ঘর/বাসা-বাড়ি থেকে বের হয়ে কাজ সারাতে গিয়ে পড়ছে নানা: দুর্ভোগ ও বিড়ম্বনার মধ্যে। এক শ্রেণীর সুবিধা বাদী লোক সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে গিয়ে থৈ থৈ পানিতে নৌকা ভাসিয়ে তা দিয়ে এদিক-সেদিক আনা-নেয়া এবং পারাপার করে দিতে দ্বিগুণ-তিনগুণ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে মানুষ জনের কাছ থেকে।
আজ সকালে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা ঘর/বাসা-বাড়িতে আটকা পড়ে থাকা নারী-পুরুষরা ছোট ছোট শিশুদের নিয়ে জানালার ফাঁক দিয়ে বাইরের থৈ থৈ পানির দৃশ্য দেখছেন। কোথাও কোথাও বিয়ে হওয়ার কমিউনিটি সেন্টার/ক্লাব গুলো পানিতে ডুবে রয়েছে। অবশ্য, তা শুধুমাত্র নিচ তলায় বসবাসকারীদের জন্য। আর যারা কোনো বিল্ডিং এ থাকতে না পেরে কোনো রকম মাথা গুঁজার ঠাই করে নিয়েছেন তাদের কি শোচনীয় অবস্থা তা নিজ চোখে না দেখা পর্ত বিশ্বাস করা ও কষ্টসাধ্য ব্যাপার।
বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরা গুলো পানির নিচে তলিয়ে থাকায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত ঠিক তেমনি আহার গ্রহনকারীরা ও একেবারে বে-কায়দায়।
চট্টগ্রাম শহরের ব্যস্ততম: এলাকা গুলোর আগ্রাবাদ, নিউমার্কেট, কাজীর দেউরি, বহদ্দারহাট, কদমতলী, জুবলী রোড, নন্দনকানন, চেরাগী পাহাড় মোড়, কেসি দে রোড়, কোর্ট বিল্ডিং এলাকা, নাসিরাবাদ, দেওয়ানহাট মোড়, চকবাজার, মেডিকেল কলেজ এলাকা, পতেঙ্গা, সি-বিজ এলাকা, সিইপিজেড সহ প্রভৃতি এলাকার চিত্র দেখে সবার- ই খারাপ লাগার কথা হলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা কি করছেন তা তারা এবং আল্লাহ বলতে পারেন বলে অনেকে-ই মন্তব্য করেছেন।
চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় নাম দেয়া একটি খাবার হোটেলের সাইনবোর্ড এ লেখা রয়েছে ‘মজ্জান হাইলে আইয়ূন’। কিন্তু, ওই হোটেল টির সাইনবোর্ড বাকি রেখে আর বাকি সব কিছু ডুবে রয়েছে তে
‘ হাঁচুরি হাঁচুরি-ডুব মারি ডুব চিটাইঙা মেজ্জান হাইলে আইযনগই আঁরা বেগ্গিন রেডি গরি রাইক্ষি। বেগ্গুন সরে সরে আইযনগই।
ফ্যাক্ট সামান্য বৃষ্টি হলে-ই জলাবদ্ধতার পড়ে নাকাল অবস্থার মধ্যে পড়ে সিপাহীন দুর্ভোগ পঝহাতে হয়/ হচ্ছে।তে হয়
আর তাদের এই সিপাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়/ হচ্ছে এবং হতে হবে আর কতো তা জানতে চায় সবাই।