• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবার মান বাড়াতে কমিশনারের নির্দেশনা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দায় কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত নওগাঁ জেলা জামায়াতের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন আমির মাহফুজুর রহমান নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য হলেন প্রভাষক আবু সাঈদ কুষ্টিয়ায় মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল বরাদ্দ ফুলবাড়ী উপজেলার মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাণীনগরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু কৃষকের ঘরে আসছে নতুন সোনালী ফসল রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য, উপ-উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে ফের আন্দোলনে শিক্ষক সমিতি

দিনকাল বিডি ২৪ / ১৫১ Time View
প্রকাশঃ রবিবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৪

এম, এ কাশেম, চট্টগ্রাম থেকে : উপাচার্য অধ্যাপক শিরীণ আখতার ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক বেনু কুমার দে পদত্যাগের দাবিতে আবারও লাগাতার আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি।

এর অংশ হিসেবে রবি, সোম ও মঙ্গলবার টানা অবস্থান কর্মসূচি পালন করার কথা জানিয়ে শনিবার বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে শিক্ষকদের এ সংগঠন।সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান ছিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল হক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বিভিন্ন ‘অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার’ অভিযোগ আনা হয়েছে বর্তমান প্রশাসনের শীর্ষ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে।

এতে বলা হয়েছে, লিখিত ও মৌখিকভাবে দাবি জানানোর পরও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন লঙ্ঘন করে বাংলা ও আইন বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ এবং বোর্ড বাতিলের দাবিতে এ আন্দোলন চলমান ছিলো।এর পর ৯ জানুয়ারি সমিতির সাধারণ সভায় শীতকালীন ও জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে ছুটির পর পুনরায় আন্দোলনে ফিরে আসার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

সভায় আন্দোলন কর্মসূচি নির্ধারণ ও ঘোষণার দায়িত্ব সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দেয়া হয়।সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল হক জানান, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় এ আন্দোলন স্থগিত ছিলো।

তিনি বলেন, “উপাচার্য আমাকে ও সভাপতিকে আলোচনার জন্য ডেকেছিলেন। কিন্তু সাধারণ সভায় সিদ্ধান্ত হওয়ায় সকল শিক্ষক এই আন্দোলনের অংশীদার। কাজেই যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে গেলে সকল শিক্ষকের মতামতের ভিত্তিতে প্রতিনিধি হিসেবে যদি আমাদের যেতে বলে তাহলে আমরা যেতে পারবো।”

আইন ও বাংলা ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে প্ল্যানিং কমিটির সুপারিশ ছাড়া নিয়োগ না দেওয়া এবং নিয়োগ বোর্ড বাতিলের দাবিতে এর আগে স্মারকলিপিও দেয় শিক্ষক সমিতি।

পরে ২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি, নিয়োগ বোর্ড বাতিলের দাবিতে শিক্ষক সমিতির নেতারা উপাচার্য শিরীণ আখতারের সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি কথা না বলে চেয়ার ছেড়ে চলে যান।

এরপর ক্ষুব্ধ শিক্ষকরা উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের অপসারণ দাবি করে পরদিন প্রশাসনিক ভবনে অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category