ফজলে মওলা,বদলগাছী (নওগাঁ)প্রতিনিধিঃ
নওগাঁর বদলগাছীতে ব্যাপক অনিয়োমের
অভিযোগ উপজেলার ৫টি হাটে খাস আদায়ের । প্রশাসন রহস্যজনকভাবে নীরব
রয়েছে বলে এলাকার কৃষক-জনতার অভিযোগে জানা গেছে। জানা যায়
২২/২/২৬,০৩/০৩/২৬, ৩০/০৩/২৬ ও ০৮/০৪/২৬ পর পর চার বার টেন্ডার আহবান করা হয়।
সরকার নির্দ্ধারিত মুল্যে কেউ টেন্ডার দাখিল না করায় কোলা হাট, ভান্ডারপুর
হাট,বদলগাছী হাট ,চাঁনপুরহাট ও পারসোমবাড়ী হাট সরকারী ভাবে খাস
আদায়ের তহসিলদারদের উপর ন্যাস্ত করা হয়েছে। সেখানে স্থানীয় লোকজনদের
সহযোগিতায় খাস আদায় করা হচ্ছে বলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইশরাত
জাহান ছনি বলেন। ২৩ জুলাই ও ২৪ জুলাই/২৬ ভান্ডারপুর ও কোলা হাটে সরজমিনে
গিয়ে দেখা যায় তহসিল অফিসের কোনও লোক নাই। স্থানীয় বিএনপির লোকজন
টোল বা রাজস্ব আদায় করছে। তালিকা অনুযায়ী পোটল ,আলু , মরিজ (কাঁচা) মন
প্রতি ৬ টাকা হিসাবে আদায়ের কথা থাকলেও মন প্রতি ২০ টাকা করে কৃষকদের
নিকট থেকে টোল বা রাজস্ব আদায় করা হচ্ছে। অপর দিকে কৃষি পণ্য-দ্রব্য ৪২
কেজিতে মন হিসাবে ওজনে নেওয়া হচ্ছে বলে কৃষকদের ভাষ্যে জানা যায়। ভান্ডারপুর
ও কোলা হাটে এক সপ্তাহে শুধু পোটল আমদানি হয় ৮ হাজার মন বলে ক্রেতারা
জানান। ২০ টাকা মন হিসাবে পোটলে সপ্তাহে ১৬০০০০/টাকা । ৮সপ্তাহে বা ২
মাসে আদায় হয় ১২৮০০০০/ টাকা । বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী অফিস সুত্রে
জানা যায় গত ১৪ এপ্রিল থেকে ১৫ জুন/২৬ পর্যন্ত ৮ সপ্তাহে বা দুই মাসে
ভান্ডারপুর হাট হতে ৫২৫৫০/টাকা ও কোলা হাট থেকে ১৩২৮৫৪০/টাকা সরকারী
কোষাগারে জমা হয়েছে। যা প্রকৃত আয়ের চেয়ে অনেক কম। পর পর চারবার টেন্ডার
আহবানের পর সরকার নির্দ্ধারিত মুল্যে টেন্ডার না পাওয়ার মুল কারণ রহস্যজনক বলে
এলাকার সচেতন জনতার ভাষ্যে প্রকাশ। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোঃ পলাশ
উদ্দিন এবিষয়ে আমি সঠিক জানিনা ইউএনও স্যার জানেন। উপজেলা নির্বাহী
অফিসার ইসরাত জাহান ছনি বলেন স্থানীয় লোক জন নিয়ে খাস আদায় করা হচ্ছে।