,বদলগাছী(নওগাঁ)প্রতিনিধি নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা সাবরেজিস্টার শাকিলের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্তীতির অভিযোগ উঠেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায় দায়িত্ব পাওয়ার পর কিছু দিন তিনি ভাল ছিলেন এর পর নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন।এই সাব রেজিস্ট্রারের অনিয়মের কারণে সরকার শত শত কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। তিনি সব ধরনের দলিলে খাজনা, নামজারি, ডিসিআর ছাড়া দলিল নিবন্ধন করেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়াও তিনি সময়ক্ষেপণ করে দলিল নিবন্ধন করায় বিকেল তিন টার পর প্রতি দলিলে অতিরিক্ত ২ হাজার টাকা দাবি করেন। অনিয়মে সহযোগিতা করেন সাব রেজিস্ট্রি অফিসের নকলনবিশ সুজাউল ইসলাম। সাব রেজিস্ট্রারের এসব কর্মকান্ডে কিছু দলিল লেখক, দলিলদাতা ও গ্রহীতারা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।
এছাড়া সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের সংখ্যা দিন দিন কমে আসছে। ফলে সরকার বিশাল অংকের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
বদলগাছী উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার শাকিল আহমেদ যোগদানের পড় থেকেই অনিয়ম করে আসছে। কিন্তু দিন দিন তার অনিয়মের মাত্রা বেড়েই চলেছে।অনিয়মের জন্য ইতিপূর্বে দলিল লেখকদের সাতে বিবাদ সৃষ্টি হয়েছিল।
কয়েক জন জমি দাতা এবং গ্রহীতা বলেন দুর্তীনিতি বাজ সাব রেজিস্ট্রার শাকিল আহমেদ বদলি না হলে জমি রেজিষ্টেরি করা সম্ভব নয়। বিশৃঙ্খলা এড়ানোর জন্য দলিল লেখকরা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তারা মনের ক্ষোভে বলেন ইতি পৃর্বে এই রকম দুর্তীনিতিবাজ সাব রেজিস্ট্রার দেখিনি।
বর্তমান দেশের পরিস্থিতি জন্য আমরা চুপ করে আছি। একটি সুত্রে জানা যায় বেলা তিনটার আগে কোন দলিল নিবন্ধন হলে ১২,১৪ শ টাকা দাখিলা দিলেই হবে। তার পরে হলে তার অফিস নকল নবিশ বা কেরানীর মাধ্যমে প্রতি দলিলে ২ হাজার টাকা অতিরিক্ত দিলে রাত ১০টা পর্যন্ত হলেও দলিল নিবন্ধন করেন।
সূত্র জানায়, ২০০৪ সালের রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ মোতাবেক আরএস রেকর্ড মূলে মালিক হলে দলিল নিবন্ধনে কোনো খাজনা, নামজারি ও ডিসিআর লাগবে না। দলিল মূলে মালিক হলে শুধু ডিসিআর ও নামজারি জমা ভাগ লাগবে। আমমোক্তার, বিনিময়, বণ্টন, দানের ঘোষণা, হেবা ঘোষণা, বিলওয়াজ হেবা, অছিয়ত, ভুল সংশোধন, ঘোষণাপত্র, না দাবি ক্ষেত্রে খাজনা, নামজারি ও ডিসিআর লাগবে দলিল নিবন্ধনে এমন কোনো অধ্যাদেশ জারি হয়নি।
সাব রেজিস্ট্রার শাকিল আহমেদ দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি নিজের মনগড়া আইন তৈরি করে দলিল লেখক, দাতা ও গ্রহীতাকে চাপিয়ে দিচ্ছেন। সাব রেজিস্ট্রারের নিয়মমতো কোনো দলিল না হলেই তিনি দলিল নিবন্ধনে টালবাহানা শুরু করেন। নকলনবিশ বা কেরানী কাছে জমা করার পর পেন্সিলের মাধ্যমে নম্বর সংকেত দিলেই তিনি দলিল নিবন্ধন করেন। এতে করে ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেছেন দলিল লেখক, দাতা ও গ্রহীতারা।
নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক একজন দলিল লেখক বলেন, নকল নবিশ বা কেরানীর পেন্সিলের সংকেত না পেলে রেজিস্ট্রার দলিল নিবন্ধন করেন না। বদলগাছী দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মোকলেছার রহমান বলেন সময় পার হলে র্চাজ বেশি দিতেই হবে। সাব রেজিস্ট্রারের অনিয়ম ও উৎকোচ নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্যার সব দলিলে এমন করেন না। তবে কিছু কিছু দলিলে এমন সমস্যা সৃষ্টি করেন। এব্যাপারে বদলগাছী উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার শাকিল আহমেদকে ফোন দেওয়া হলে ফোন রিসিব করেননি।