• রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।। সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর ৫ প্রবাসীর মরদেহ দাফন নওগাঁর মান্দায় ভালাইন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল কালাম আজাদের ব্যাপক গণসংযোগ রাজশাহীতে ডিবির অভিযানে পালিয়েছে কুখ্যাত মাদক কারবারী মাসুম ভারতীয় সিরাপসহ প্রাইভেট কার জব্দ, গ্রেপ্তার ১২ রাজশাহীতে পথকুকুরের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন কাজল রেখা রাজশাহীতে ৫২ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারী গ্রেপ্তার বাঘায় বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, ২২ বছরের নারীকে কিশোরী দেখিয়ে থানা থেকে ছাড়ার দাবি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে মেয়েরা, ৩৯ কলেজে কেউ পাস করেনি নওগাঁর মান্দায় এমপির সঙ্গে প্রসাদপুর দলিল লেখক সমিতির নতুন কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়

বাগেরহাটে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হলেন ঝুমা ভট্টাচার্য

দিনকাল বিডি ২৪ / ১১৩ Time View
প্রকাশঃ শুক্রবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৪

বাগেরহাট প্রতিনিধি।।

বাগেরহাটের কচুয়ায় অবৈধ উপায়ে ভোটার পরিবর্তন করে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হলেন ঝুমা ভট্টাচার্য।

প্রত্যক্ষ সুত্রে জানাযায়,গত ২০২৩ সালে ২৩ মার্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এর সার্কুলার প্রকাশ হলে বাগেরহাট সদর উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা হওয়া স্বত্বেও কচুয়া উপজেলার বাসিন্দা হয়ে কাগজপত্র জালিয়াতি করে আবেদন করে শিক্ষিকা ঝুমা ভট্টাচার্য।

এদিকে ২০২৪ সালে ৩রা ফেব্রুয়ারী লিখিত পরিক্ষার তারিখ প্রকাশ হলে তরিঘরি করে শিক্ষিকার স্বামী বিপ্লব গোস্বামী কচুয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসে চাকরির সুবাধে ২৯ ফেব্রুয়ারী ভোটার পরিবর্তন করার জন্য স্বামী স্ত্রী উভয় আবেদন করেন কিন্তু অলৌকিক উপায়ে মাত্র ২ দিনের মধ্যে ০২ মার্চ ভোটার আইডি কার্ড হাতে পায় বলে জানা যায়।

এ বিষয়ে কচুয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার হিমাশু কুমার বিশ্বাস ভোটার পরিবর্তন ও কাগজ পত্র বিষয় সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এই বিষয়ে স্পষ্ট ভাবে জানিনা তবে আবেদনের জন্য সাধারনত জায়গা জমির দলিল,বিদ্যুৎ বিলের কাগজ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রত্যয়ন ও সনাক্তকারী থাকতে হয়।

তবে সেখানে সাংবাদিকরা তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করলে নির্বাচন অফিসার গুরুত্বপূর্ণ কাগজ পত্র দেখাতে পারেনি। তবে নির্বাচন অফিসে চাকরিরত বিপ্লব গোস্বামীকে কাগজ পত্র আনার জন্য নির্বাচন অফিসার নির্দেশ দিলেও চালাকি করে স্টরের চাবি নেই বলে। তবে সাংবাদিকরা সিসি ক্যামেরা ফুটেজে স্টোর ঘরে তালা মারতে দেখে।

এই বিষয়ে কচুয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিকদার হাদিউজ্জামান হাদিজ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন সাধারনত প্রত্যয়ন নিতে গেলে স্থানীয় বাসিন্দা হতে হয় সেখানে জায়গা জমির দলিল বা রেজিষ্টিকৃত টোকেন দেখাতে হয় তবে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কিছু দেখাতে পারেনি।

এই বিষয়ে ব্যাবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হলে চেয়ারম্যান বলেন সে যদি জায়গার দলিল বা টোকেন না দেখাতে পারে আমি তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিব বলে জানান।

সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায় অবৈধভাবে ৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা হওয়ার জন্য প্রত্যয়ন পত্র দিলেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরির জন্য চুড়ান্ত কাগজপত্রর জন্য চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট দেন ৪ নং ওয়ার্ডের । এলাকাবাসী বলছে ঝুম্পা প্রকৃত কোন ওয়ার্ডের নাগরিক? সকল বিষয়ে অনুসন্ধান করে দেখা যায় পুরো চাকরিটা নিয়েছেন জালজালিয়াতি মাধ্যমে।

এ বিষয় ঐ শিক্ষিকার স্বামী বিপ্লব গোস্বামী কাছে চাকরির আবেদন ২৩ সালে , ভোটার পরিবর্তন ২৪ সালে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি উত্তর দিতে পারেনি এছাড়া তিনি কোন ওয়ার্ডের বাসিন্দা সেটাও ঠিকমত বলতে পারেনি।তবে জায়গা জমির বিষয়ে জানতে চাইলে রেগে গিয়ে বলেন আমার জায়গা আছে।তবে জায়গার দলিল অথবা টোকেন দেখানোর কথা বললে দেখাতে পারেনি।

কচুয়া উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক চাকরি প্রত্যাশীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা স্থানীয় বাসিন্দা হয়েও ভাইভা বোর্ড থেকে কষ্ট নিয়ে ফিরতে হয়। কিন্তু অনেকে জাল জালিয়াতের মাধ্যমে অবৈধভাবে আবেদন করে চাকরি নেয়। এ বিষয়ে বাগেরহাট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে সঠিকভাবে তদারকি করে দেখার জন্য অনুরোধ জানান।

তবে স্থানীয় সুশীল সমাজের ব্যাক্তিবর্গ এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন ভোটার আইডি কার্ড পরিবর্তন করার আগে কিভাবে কচুয়া উপজেলার নাম উল্লেখ্য করেছে এই বিষয়ে সঠিক তদন্ত করার জন্য বাগেরহাট জেলা পুলিশ প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানান।

দেখাযায় এই চাকরি নেওয়া প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত কাগজ পত্র জাল-জালিয়াতী করে চাকরি নিয়েছেন।

বাগেরহাট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ডিপিও)বলেন এই বিষয়ে এখনো কোন তথ্য পায়নি তবে বিষয়টি যদি সঠিক হয়ে থাকে তাহলে বাগেরহাট জেলা শিক্ষা অফিস প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবে ।

এদিকে কচুয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোসাঃ শামসুন্নাহার বলেন জালিয়াতি করে চাকরি নেওয়ার কোন সুযোগ নেই, কারন নিয়োগ পত্রে স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ্য আছে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে যদি চাকরি বিষয়ে অবৈধ ও কাগজপত্র জালিয়াতির প্রমান পাওয়া যায় তাহলে নিয়োগ বোর্ড চাকরি থেকে অব্যাহতি দিতে বাধ্য থাকিবে।

বাজার ব্যবসায়ী মোঃ নুরুল ইসলাম বলেন, আসলে এই বিষয় সঠিক তদন্তর মাধ্যমে বিষয়টি সুরহা হওয়ার দরকার, কারন এত ওভার কনফিডেন্সে ভোটার পরিবর্তন করা সহ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category