এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ‘তারেক রহমান’ এখনো হার্ডলাইনে রয়েছেন। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে যে কোনো অনৈতিক-অবৈধ ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততা থাকলেই এবং তার প্রমাণ সাপেক্ষিক সোজা দল থেকে বহিষ্কার করে দেয়ার নির্দেশ রয়েছে। আর সে নির্দেশানুসারে ইতিমধ্যে দল থেকে প্রায় সাড়ে সাত হাজারের মতো নেতা-কর্মীকে বহিস্কার করে দেয়া হয়েছে। এবং বহিস্কারের তালিকায় রয়েছে আরো অনেকেই।
দলে থাকাবস্থায় যে বা যারা দল থেকে আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আশা পোষণ করে মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে ছিলেন তাদের মধ্যে যে বা যারা বহিস্কার হয়েছেন তাদের সেই আশা এক প্রকার ধূলোয় মিশ্রিত হয়ে গেছে। সুতরাং, দল থেকে যে বা যারা বহিস্কার হয়েছেন তারা আগে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নেয়ার ব্যাপারে কাজ করে যেতে হবে তার পর দল থেকে মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে মনোনীবেশ করতে হবে এর বাইরে আর কোনো সুযোগ নেই বলে দলের কেন্দ্রীয় দায়িত্বে থাকা একাধিক নেতা সেই মতামত ব্যক্ত করেছেন।
অনেকেই অনেক ভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকে লিখে জানার আগ্রহ দেখিয়ে যাচ্ছেন যে, যে বা যারা দল থেকে ইতিমধ্যে বহিস্কার হয়েছেন তারা কি দল থেকে মনোনয়ন পাবেন? এর উত্তরে দলের হাইকমান্ডের ইংগিতানুসারে বলাবাহুল্য যে, দলে না থাকলে দল থেকে যে নমিনেশন পাওয়ার কথা নয় যে, সেটা তো পাগলে ও বুজার কথা। মোদ্দা কথা হলো- যে বা যারা দল থেকে বহিস্কার হয়েছে তাদের কে যদি দল মনে করে দলের জন্য তাদের ভুমিকা/অবদান ছিলো এবং হয়তো বা কোনো না কোনো ভুলের কারণে বহিস্কার হয়েছে তাহলে তাদের মধ্যে যে বা যারা আগামী দিনে দলীয় শৃঙ্খলা বিরোধী কোনো কর্মের সাথে সম্পৃক্ত হবে না মর্মে অঙ্গিকার করে তাহলে তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাদেরকে দলে আবার ফিরিয়ে নিলেই তারা মনোনয়ন পেতে ইচ্ছুক হতে পারে। এর পর মনোনয়ন দেয়া বা না দেয়া তা একমাত্র দলের চেয়ারপার্সন দেশ মাতা বেগম খালেদা জিয়ার পরামর্শক্রমে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর নির্দেশানুসারে মনোনয়ন বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়ে-ই যে বা যাকে মনোনয়ন দেয়ার তাকেই দিবে বাট এর বাইরে কেউ হুক্কা হুয়া করে কোনো লাভ নেই। যতো কিছু করা হোক্ তাতে মানুষ হাসাহাসি করবে লাভের বেলায় কিছু-ই নেই এবং কিছু হওয়ার ও সম্ভাবনা নেই। বিষয়টি পুরো অনুধাবন করে বুজার দরকার সবার সবাই কে।