মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী:
রাজশাহী মহানগরীর
বোয়ালিয়া থানার ষষ্টিতলা এলাকা থেকে রাজশাহী সিটি
করপোরেশন (রাসিক) ১৩ নং ওয়ার্ডের তিন বারের সফল
কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা মোঃ রবিউল আলম মিলুকে
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) মেয়র পদে দেখতে
চায় দলের নেতা-কর্মীরা।
তিনি সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বোয়ালিয়া থানা
বিএনপি গত আগস্ট ২০২৪ সালে পুলিশ বিনা অপরাধে
গ্রেফতার করে এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া
গেছে।
পুলিশ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে রাখা অভিযোগে বলা হয়েছে,
গ্রেফতারের সময় তাকে জামা-কাপড় পরিধান করতে দেয়া
হয়নি, যা স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে বিরল ও লজ্জাস্বরূপ
ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গ্রেফতারের পর রবিউল
আলম মিলুকে একাধীক মামলা দিয়ে কারাগারে প্রেরণ করা
হয়।
রাজনীতির কোন্দলে জড়িয়ে তিনি দীর্ঘদিনও কারাবাস
করেছেন; তাঁর বিরুদ্ধে ১২টি রাজনৈতিক মামলা রয়েছে
বলে জানা গেছে।
তবে রাজশাহী মহানগরীর রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে
রবিউল আলম মিলুর পরিচিতি ব্যাপক। ২০০৫ থেকে ২০১৪
সাল পর্যন্ত তিনি বোয়ালিয়া থানা যুবদলের সভাপতি এবং
২০১৫ ও ২০২৪ সালে বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সাধারণ
সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৯ থেকে
২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনবার ধারাবাহিকভাবে তিনি রাসিক
(১৩ নং) ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন।
১৯৯০ সালে ছাত্র ও যুবদলের মধ্য দিয়ে সৈরাচার এরশাদ
সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে তিনি সর্বিক অধ্যায়নের
একজন লড়াকু নেতা ছিলেন। রাপথে থেকে স্বৈরাচার পতনের
আন্দোলন করতে গিয়ে পুলিশি নির্যাতনের ফলে
চিকিৎসার জন্য রামেক হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে
বলেও জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
রাজশাহীতে বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের
তরুণ-যুবক সমর্থকদের মধ্যে রবিউল আলম মিলুর
জনপ্রিয়তা মূলধারার। স্থানীয় নেতাকর্মীরা দাবি করেছেন,
তিনি সর্বদা সাধারণ মানুষের সমস্যার সাথে সাথে
সমাধানের উদ্দ্যোগ গ্রহণ করেন। সেই রাজনৈতীক জিবন
থেকে শুরু করে আজ আবদি বিভিন্ন সামাজিক এবং
খেলার কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে সমর্থন দিয়ে আসছেন।
রাজশাহীর একাধিক তরুণ-যুবক ও সিনিয়র নেতারা বলেন,
রবিউল আলম মিলু আমাদের সহায় সমর্থনে সবসময় ছাড়
দেন না। তিনি যে কোন সমস্যায় দ্রুত এগিয়ে আসেন।
তাকে এবার রাসিক মেয়র হিসেবে দেখতে চায়।
রাজশাহী রাজনৈতিক মহলে বর্তমানে আলোচিত একটি
নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে রবিউল আলম মিলু। জনপ্রিয়তার
সুবাদে আগামী নির্বাচনে তার ভূমিকা কী হবে, তা
নির্ধারণ করবেন দলীয় হাইকমান্ড।#