• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।। সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর ৫ প্রবাসীর মরদেহ দাফন নওগাঁর মান্দায় ভালাইন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল কালাম আজাদের ব্যাপক গণসংযোগ রাজশাহীতে ডিবির অভিযানে পালিয়েছে কুখ্যাত মাদক কারবারী মাসুম ভারতীয় সিরাপসহ প্রাইভেট কার জব্দ, গ্রেপ্তার ১২ রাজশাহীতে পথকুকুরের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন কাজল রেখা রাজশাহীতে ৫২ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারী গ্রেপ্তার বাঘায় বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, ২২ বছরের নারীকে কিশোরী দেখিয়ে থানা থেকে ছাড়ার দাবি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে মেয়েরা, ৩৯ কলেজে কেউ পাস করেনি নওগাঁর মান্দায় এমপির সঙ্গে প্রসাদপুর দলিল লেখক সমিতির নতুন কমিটির শুভেচ্ছা বিনিময়

যত্ন ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে উঠা ভাঁট ফুল

দিনকাল বিডি / ৮৪ Time View
প্রকাশঃ মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ, ২০২৫

আব্দুল হামিদ মিঞা,বাঘা
বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ না হলেও মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে ভাঁট ফুল। ডালের শীর্ষে পুষ্পদন্ডে ফোটা এই ফুলের রয়েছে মিষ্টি সৌরভ। গ্রামের মেঠো পথের ধারে,পুকুর পাড়ে কিংবা পতিত কোন জমিতে কোনরূপ যতœ ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠে ভাঁট। গ্রামবাংলার অতি পরিচিত একটি বুনো উদ্ভিদ, ভাঁট, ভাইট, বনজুঁই বা ঘেটু। (বৈজ্ঞানিক নাম- ঈষবৎড়হফবহফৎড়হ ারংপড়ংঁস)। দেখতে কিছুটা পানপাতার আকৃতির ও খসখসে।
বসন্ত থেকে গ্রীষ্ম অবধি ফুল ফোটে। ফুল ফোটার পর মৌমাছিরা ভাঁট ফুলের মধু সংগ্রহ করে। পাপড়ির রং সাদা এবং এতে বেগুনি রঙের মিশেল আছে। ভাঁট গাছের প্রধান কান্ড সোজাভাবে দন্ডায়মান। লম্বা ২ থেকে ৪ মিটার । পাতা ৪ থেকে ৭ ইঞ্চি লম্বা।

জীবনানন্দ দাশের একটি কবিতায় ভাঁট গাছের প্রসঙ্গ এসেছে,
“ভাঁট আঁশ শ্যাওড়ার বন,বাতাসে কী কথা কয় বুঝি নাকো, বুঝি নাকো চিল কেন কাঁদে,
পৃথিবীর কোনো পথে দেখি নাই আমি হায়, এমন বিজন”।

কৃষি সস্প্রসারন অধিদপ্তরের বাঘা উপজেলা অফিসার কৃষিবীদ শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, ভাঁট গাছ ঔষধি গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। এছাড়াও সনাতন ধর্মালম্বীরা ভাঁট ফুল দিয়ে ভাঁটি পূজার আয়োজন করে থাকে। হাওড়,খাল-বিল না থাকার কারণে ভাঁট গাছ আগের মতো জন্মায় না। বসন্ত থেকে গ্রীষ্ম অবধি ফুল ফোটে মিষ্টি সৌরভ ছড়ানো ভাঁঁট ফুলের চারিদিকে গুনগুন করতো মৌমাছির দল।
যতœ ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে উঠা ভাঁট ফুল
আব্দুল হামিদ মিঞা,বাঘা
বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ না হলেও মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে ভাঁট ফুল। ডালের শীর্ষে পুষ্পদন্ডে ফোটা এই ফুলের রয়েছে মিষ্টি সৌরভ। গ্রামের মেঠো পথের ধারে,পুকুর পাড়ে কিংবা পতিত কোন জমিতে কোনরূপ যতœ ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠে ভাঁট। গ্রামবাংলার অতি পরিচিত একটি বুনো উদ্ভিদ, ভাঁট, ভাইট, বনজুঁই বা ঘেটু। (বৈজ্ঞানিক নাম- ঈষবৎড়হফবহফৎড়হ ারংপড়ংঁস)। দেখতে কিছুটা পানপাতার আকৃতির ও খসখসে।
বসন্ত থেকে গ্রীষ্ম অবধি ফুল ফোটে। ফুল ফোটার পর মৌমাছিরা ভাঁট ফুলের মধু সংগ্রহ করে। পাপড়ির রং সাদা এবং এতে বেগুনি রঙের মিশেল আছে। ভাঁট গাছের প্রধান কান্ড সোজাভাবে দন্ডায়মান। লম্বা ২ থেকে ৪ মিটার । পাতা ৪ থেকে ৭ ইঞ্চি লম্বা।

জীবনানন্দ দাশের একটি কবিতায় ভাঁট গাছের প্রসঙ্গ এসেছে,
“ভাঁট আঁশ শ্যাওড়ার বন,বাতাসে কী কথা কয় বুঝি নাকো, বুঝি নাকো চিল কেন কাঁদে,
পৃথিবীর কোনো পথে দেখি নাই আমি হায়, এমন বিজন”।

কৃষি সস্প্রসারন অধিদপ্তরের বাঘা উপজেলা অফিসার কৃষিবীদ শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, ভাঁট গাছ ঔষধি গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। এছাড়াও সনাতন ধর্মালম্বীরা ভাঁট ফুল দিয়ে ভাঁটি পূজার আয়োজন করে থাকে। হাওড়,খাল-বিল না থাকার কারণে ভাঁট গাছ আগের মতো জন্মায় না। বসন্ত থেকে গ্রীষ্ম অবধি ফুল ফোটে মিষ্টি সৌরভ ছড়ানো ভাঁঁট ফুলের চারিদিকে গুনগুন করতো মৌমাছির দল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category