• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবার মান বাড়াতে কমিশনারের নির্দেশনা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দায় কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত নওগাঁ জেলা জামায়াতের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন আমির মাহফুজুর রহমান নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য হলেন প্রভাষক আবু সাঈদ কুষ্টিয়ায় মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল বরাদ্দ ফুলবাড়ী উপজেলার মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাণীনগরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু কৃষকের ঘরে আসছে নতুন সোনালী ফসল রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।।

রাজশাহীর নির্মল বাতাস ধরে রেখেছে পরিবেশবান্ধব অটোরিকশা

দিনকাল বিডি / ১২৯ Time View
প্রকাশঃ মঙ্গলবার, ৬ জুন, ২০২৩

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহীর গণপরিবহন মানেই অটোরিকশা। শহরের যেখানেই তাকাবেন না কেন দেখা মেলে এ পরিবহনের। এগুলো ব্যাটারিচালিত। কোনো ধোঁয়া বের হয় না। তাই বলা চলে রাজশাহীর নির্মল বাতাস ধরে রেখেছে এ পরিবহন।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) তথ্যমতে, রাজশাহীতে ২০১০ সালে প্রথম চালু হয় পরিবেশবান্ধব অটোরিকশা। তবে শুরুতে কিছু দুর্ঘটনা ঘটে। চিকন চাকা ও ব্রেক ঠিকমতো কাজ না করায় ২০১৮ সালে আধুনিক অটোরিকশা ও তার লাইসেন্স ইস্যু করে সিটি করপোরেশন। রাজশাহী নগরীতে ছয় আসনের ১০ হাজার ও দুই আসনের পাঁচ হাজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা আছে।
অটোরিকশা চালানোর জন্য স্মার্ট লাইসেন্স ও ড্রাইভিং লাইসেন্স দেয় রাসিক। এ খাত থেকে সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য আয় ধরা হয় বাৎসরিক চার কোটি টাকা। তবে বকেয়ার কারণে আয় হয় দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা।
নগরবাসী বলছেন, নগরীতে প্রতিদিন যে পরিমাণ যানবহন চলাচল করে সেগুলোতে যদি জ্বালানি ব্যবহার করা হতো তাহলে রাজশাহীর বাতাস আর নির্মল থাকতো না। শুধু অটোরিকশা চলায় নগরীতে মিলছে বিশুদ্ধ বাতাস।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আল মারুফ বলেন, ‘২০১৮ সাল থেকে রাজশাহীতে পড়াশোনা করছি। তখন থেকেই অটোতে (অটোরিকশা) যাতায়াত করি। অটোতে যাতায়াতে খরচ কম হয়। তাই ছাত্ররা বেশিরভাই অটোতে চলাচল করেন।’
তিনি বলেন, ‘শুধু খরচ কম হয় তা নয়; আমরা যখন অন্য কোনো জেলায় যায় যেখানে সেখানে দেখা যায় একটু পর পর বাসসহ অন্যান্য যানবাহন ছেড়ে যাচ্ছে। ধোঁয়া আর গন্ধে দম বন্ধ হয়ে আসে। রাজশাহীর অটোরিকশাগুলো ব্যাটারিচালিত। বিদ্যুতে চার্জ দেওয়া হয়। এজন্য এগুলো পরিবেশবান্ধব।’
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু সালেহ মোঃ নূর-ঈ-সাইদ বলেন, আমাদের শহরে বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ১৫ হাজার অটোরিকশা চলাচল করে। এগুলো থেকে যেমন পরিবেশ রক্ষা পায়, তেমনই আমাদের রাজস্বও আসে। বর্তমানে প্রতি অর্থবছরে গড়ে চার কোট টাকা রাজস্ব আসে এ পরিবহন থেকে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) উত্তরাঞ্চলের সমন্বয়ক তন্ময় কুমায় স্যান্নাল বলেন, রাজশাহীতে শুরু থেকেই তেমন কোনো গণপরিবহন ছিল না। প্রথমে ঘোড়ার গাড়ি পরে রিকশা আসে। এখন চলছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। এটি আমাদের পরিবেশকে ঠিক রাখে। তবে ব্যাটারিগুলোর আয়ুষ্কাল শেষ হওয়ার পর সেগুলো যত্রতন্ত্র পোড়ানো হয়। এটি আমাদের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এটির জন্য নির্ধারিত একটি অঞ্চল করে দেওয়া দরকার। যাতে আমাদের নির্মল বাতাস নষ্ট না হয়ে যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category