এম, এ কাশেম জেলা প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :
‘করোনা ভাইরাস’র উছিলায় সংখ্যা ঘরিষ্ঠ মুসলমানদের আবাসভূমি বাংলাদেশের সর্বোত্র মাসের পর মাস এবং বছর ও বন্ধ করে দেয়া হয়েছিলো স্কুল, কলেজ মাদ্রাসা সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এর প্রভৃতি সারাদেশের মতো চট্টগ্রামের সর্বোত্র ও পড়েছিলো।
‘করোনা ভাইরাস’র পর ভীনদেশী আগ্রাসনের থাবা বিস্তারের কলাকৌশল গত ভাবে অনলাইন ক্লাশের নামে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন। যার মাধ্যমে নৈতিক অবক্ষয়ের দিকে ধাবিত হতে হতে প্রায় সকল শিক্ষার্থীরা মুসলমান ঘরের সন্তান হওয়ার পর ও কারিকুলাম এ পৌঁছে গেছে ভীনদেশীয় সংস্কৃতিতে। নৈতিক অবক্ষয় আজ কুরে কুরে খাচ্ছে ওই সব ছেলে-মেয়েদের পরিবার-পরিজনকে। এমন মনোভাব ব্যাক্ত করেছেন চট্টগ্রামের অনেক শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা।
আর মুসলমানদের ধর্মীয় স্থাপনা মসজিদে ও তালা লাগানো হয়েছিলো। এবং বন্ধ রাখা হয়েছিলো এক সাথে একাধিক জনের নামাজ আদায় ও। এতে মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করতে না পারা নামাজী মুসল্লিদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও দেখা দিয়েছিলো।
এতো কিছু করার পর ও মুসলমানদের ইস্পাত কঠিন মনোবল ভাঙতে পারেনি মহল বিশেষ। এবং পারেনি পুরোপুরি শিক্ষা ব্যবস্থা ও ধ্বংস করে দিতে।
কিন্তু, থেমে থাকেনি মহল বিশেষ। সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে কতো-ই না কারিকুলাম সৃষ্টি করা হয়েছিলো! তার পর ও তারা এক প্রকার ব্যর্থ হয়ে এবার নতুন কারিকুলাম সৃষ্টি করে শিক্ষা ব্যবস্থা কে পুরোপুরি ধ্বংসের পায় তারা স্বরূপ একটানা ৫ ঘন্টা পরিক্ষার কারিকুলাম সৃষ্টি করে দিয়েছে বলে উচ্চ শিক্ষিত একাধিক ব্যাক্তি তাদের মনোভাবে প্রকাশ করেন। আর অতিতের অন্যান্য কারিকুলাম এর কথা বাদ দিলে ও অতি সম্প্রতি নতুন কারিকুলাম একটানা ৫ ঘন্টার পরিক্ষার বিষয়ে বিপাকে পড়েছে শিক্ষার্থী ও তাদের অভিবাভকরা।
বলা বাহুল্য যে এবারকার নতুন কারিকুলাম এ তারা সাকসেস হওয়ার স্বপ্ন দেখাটা অমুলক নয় বলে ও কেউ কেউ অনুমান নির্ভর হয়ে বলতে ও দ্বিধা করছেন না।
চট্টগ্রামের অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং কয়েকজন অভিবাভকের আলাপকালে তারা বলেন-একটানা ৫ ঘন্টা পরিক্ষার অনিহায় এবার এমনিতেই কমে যাবে শিক্ষার হার। এবং তারা অত্যন্ত উদ্বিগ্নতার সাথে বলেন, যারা যাহা চেয়েছিলেন তাহা-ই এবার হয়তো বা হয়ে যাবে আর কি!!!
ক্ষোভ-বিক্ষোভ নয় চট্টগ্রামের অধিকাংশ শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা সরকার এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দাবি জানাচ্ছেন একটানা ৫ ঘন্টার পরিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাদ দিয়ে কি ভাবে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটানো যায় সে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য।
এবং যাতে করে নতুন কারিকুলাম এর নামে যাচ্ছেতাই করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিমুখ যেনো না করা হয় সে ব্যবস্থা ও নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।