আব্দুল হামিদ মিঞা বাঘা (রাজশাহী) থেকে,
শরৎকালে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় চর অঞ্চলে কাশফুলের দেখা পাওয়া যায়। যেসব জায়গায় কাশফুল জন্মে সেসব জায়গায় মানুষ ঘুরতে পছন্দ করে। কাশফুল সাধারণভাবে ৩ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। নদীর ধারে বা বিভিন্ন চর অঞ্চলে কাশফুল ফোটে। যার মাধ্যমে প্রকৃতির সৌন্দর্য আরো অনেক বৃদ্ধি পায়। শরৎ আসলেই চারপাশে এই কাশফুলের দেখা পাওয়া যায়।
যার জন্য মানুষ বিভিন্ন জায়গায় শরৎকালে কাশফুলের খোঁজ করে থাকে। দেখা যায় এই দিনগুলোতে বেশিরভাগ মানুষ কাশফুল আছে এমন জায়গায় ভ্রমণ করতে পছন্দ করে। আপনি হয়তো আপনার প্রিয় মানুষকে নিয়ে জনপ্রিয় কাশফুল আছে এমন
প্রকৃতির রূপ-রস আর আমাদের জীবনযাপন হয়ে ওঠে । শরৎ ঋতু তাতে ভিন্ন মাত্রা দিয়ে করে বিমোহিত। শরৎ উপভোগের অপার অনুষঙ্গ হলো কাশফুল। দক্ষিণের পদ্মা নদীর পাশ দিয়ে পথে পথে হাসছে কাশফুল। সবুজের বুকে সাদা মেঘের ছোঁয়া প্রকৃতিতে ছড়াচ্ছে মুগ্ধতা।
খালবিলের তীরে কাশফুল খোলা জায়গাও । সব কাশফুলের সমাহারই জানান দিচ্ছে প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ। স্বচ্ছ নীল আকাশে সাদা মেঘের সৌন্দর্য সুধা নিতে কাশবনে ভিড় করেন প্রকৃতিপ্রেমীরা। বিকেল হলেই তরুণ-তরুণীর চোখে পড়ার মতো। কাশফুলের রূপে ঢাকা পড়েছে বাঘা উপজেলার পদ্মা পাড়ের চরঅঞ্চল এলাকা। পদ্মা নদীর দাদপুর, চকরাজাপুর সংলগ্ন নদীর এক’পাশ ছেয়ে গেছে কাশফুলে, যেন প্রকৃতি নিজ হাতে রঙে ঢেলে সাজিয়েছে নদী ।
নদীর পাড়ে উন্মুক্ত খুলা আকাশের নীচে বাতাসে দুলছে কাশফুল। চরাঞ্চল চকরাজাপুর সর্বত্র এখন এমন দৃশ্য। সৌন্দর্য পিপাসুরা সপরিবারে ঘুরে বেড়ায় বাড়ির পাশের কাশবনে। শ্যামল অঙ্গ ঝলিছে অমল শোভাতে। শরৎকালের প্রভাতে বেড়াতে আসাদের নিঃসন্দেহে শরৎ নিয়ে কবিগুরুর এমন পঙক্তিমালা মন ছুঁয়ে দিচ্ছে!
উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফাতেমা খাতুন লতা বলেন, পদ্মা নদীর পাড় দিয়ে সবুজ ঘাসের ডগায় থোকায় থোকায় কাশফুল সবাইকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে। নদীর পাড়ে ঘুরে কাশফুলের ছোয়ায় ফিরি অফুরান প্রাণশক্তি নিয়ে ।
চকরাজাপুর ইউনিয়নের মেম্বার জহুরুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছরের এই সময়ে পদ্মা নদীর পাশ দিয়ে এলাকায় কাশফুল চির পাতার দু’পাশ বেশ ধারালো। নদীতীর, চরাঞ্চল, শুকনো এলাকা, কিংবা মাঠের উঁচু জায়গায় কাশের বেঁড়ে ওঠে। সৌন্দর্যের পাশাপাশি কাশফুলের বেশ কিছু ঔষধি গুণ রয়েছে। গাছের অর্থন উপাদান দিয়ে তৈরি তেমন ওষুধ নিয়মিত সেবনে শেটের জটিলতা কমে। কাশফুল খেটে চন্দনের মতো শরীরে মাখলে দূর হয় দুর্গন্ধ। কাশ দিয়ে ঝড়, ভালি, মাদুর তৈরি হয়। দূর করে এমন বিশ্বাসে অনেকে শুভ কাজে এটির ফুল ও পাতা ব্যবহার করেন।