আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : আদমদীঘির সান্তাহার রেলওয়ের বিবাদমান যুগিপুকুরে মাছ ধরা ঘটনায় প্রতিপক্ষের হুমকির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়েরের পর পুনরায় বিবাদীরা বাদীর পুকুরে মাছ ধরা, মারধর ও টাকা ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গত ৩ ডিসেম্বর হেলাল উদ্দির বাদি হয়ে শফিকুল ইসলাম ও আনারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে আদমদীঘি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ওসি বাদীর অভিযোগটি সান্তাহার ফাঁড়ির উপ পরিদর্শক রাকিব হোসেনকে তদন্তভার দিয়েছেন।
অভিযাগে জানাযায়, সান্তাহার যোগী পুকুর এলাকার হেলাল উদ্দিন গত ২০১২ সালের ৩ এপ্রিল রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগ থেকে সান্তাহার পৌর শহরের যোগীপুকুর নামক একটি পুকুর পজেশন নিয়ে ভোগ দখল করে আসছিলেন। গত ২৭ নভেম্বর বিবাদী শফিকুল ইসলাম ও আনার ওই পুকুরে চাষকৃত মাছ গুলো জোরপূর্বক ধরার হুমকি দেয়ায় ঘটনার পরের দিন ২৮ নভেম্বর তাদের বিরুদ্ধে বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলা দায়েরের পর বিবাদীরা পুনরায় ২ ডিসেম্বর উক্ত পুকুরে জোড়পূর্বক মাছ ধরে। এসময় বাদী হেলাল উদ্দিন ও তার ছেলে মিঠু বাধা দিলে বিবাদীরা ক্ষিপ্ত হয়ে গালিগালাজ ও মারধরে পিতাপুত্রকে আহত করে। তাদের কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং পুকুরে থাকা প্রায় লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ২০ থেকে ২৫ মন মাছ ধরে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় আদমদীঘি থানায় হেলাল উদ্দিন বাদী হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ তদন্তকারি উপ পরিদর্শক রাকিব হোসেন অভিযোগ পাওয়া নিশ্চিত করে বলেন, তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।