• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবার মান বাড়াতে কমিশনারের নির্দেশনা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দায় কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত নওগাঁ জেলা জামায়াতের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন আমির মাহফুজুর রহমান নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য হলেন প্রভাষক আবু সাঈদ কুষ্টিয়ায় মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল বরাদ্দ ফুলবাড়ী উপজেলার মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাণীনগরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু কৃষকের ঘরে আসছে নতুন সোনালী ফসল রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।।

শিকলে বন্দী জীবন, অর্থাভাবে হচ্ছে না চিকিৎসা দিপকের

Reporter Name / ১৫৮ Time View
প্রকাশঃ বৃহস্পতিবার, ২২ জুন, ২০২৩

পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

পরিবারের সদস্যদের চোখের আড়াল হলেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন দিপক (৫৩)। অকারণেই মানুষকে বিরক্ত করেন, এমন অস্বাভাবিক অবস্থা সামাল দিতে বেসামাল হয়ে পড়েছেন তার পরিবার। বাধ্য হয়ে পায়ে লোহার শিকল পরিয়ে রেখেছেন তার পরিবারটি।

১৯৯৪ সাল থেকে দীর্ঘ প্রায় ২৬ বছর আগে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন দিপক। পায়ে শিকল পরানোর পর থেকে বদ্ধভাবে জীবন কাটছে তাঁর। পরিবারের যেটুকু সামর্থ্য ছিল, তা দিয়ে দিপককে ডাক্তার-কবিরাজ দেখিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। তবে অর্থের অভাবে ভালো কোনো চিকিৎসকের কাছে তাঁকে নিতে পারেননি তাঁরা।

দিপক পত্নীতলা উপজেলার ৭ নং পাটিচড়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ডোহানগর আদিবাসী এলাকার বাসিন্দা। দিপক হেম্ব্রম এর আপনজন বলতে কেউ নেই। মা-বাবা দুজনেই মারা গেছে কয়েকবছর আগে। তার কাকাতো ভাই সাধ্য অনুযায়ী তার দেখাশোনা করেন।

দিপকের কাকাতো ভাই বিপেন হেম্ব্রম বলেন, দিপক দীর্ঘদিন ধরে মানসিক রোগে ভুগছেন। তাকে দেখাশোনা করার মতো কেউ নেই। কাকা-কাকী দুজনেই মারা গেছে। আমার এখানে খাওয়া-দাওয়া করে। তার চিকিৎসার জন্য প্রতিনিয়তই ঔষুধ খাওয়াতে হয়। আমাদের গরীব পরিবার থেকে ঔষুধ ও খাবার খাওয়াতে অনেক অসুবিধা হয়। খুব কষ্টে তাকে দেখাশোনা করি। অনেকসময় তার প্রয়োজনীয় কাপড় কিনে দেওয়া সম্ভব হয়না। যদি তার চিকিৎসা বাবদ ঔষুধ অথবা অর্থ সহযোগিতা পাওয়া যায় তাহলে তার বাকি জীবনটা ভালো কাটতো। চিকিৎসা বাবদ সরকারি সহযোগিতা অথবা কোন ভাতা পেলে তার চলার পথ সহজ ও সুগম হবে। সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরতে পারবে দিপক।

ইলিয়াস মুরমু বলেন, বসতঘর ছাড়া দিপকের নিজস্ব কোনো সহায়সম্পত্তি নেই। অভাব অনটনে তার কাকাতো ভাই তার দেখাশোনা করেন। সরকারি কোন ভাতাও পাননা তিনি। গরীব সংসারে দিপকের চিকিৎসা অনেক পরের বিষয়, দুবেলা খাবার জোগাড়ই অনেক কঠিন হয়ে যায়। এ অবস্থায় তিনি সরকার ও সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদের সহায়তা চেয়েছেন।

গত বুধবার সকালে দিপকের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, জরাজীর্ণ একটি কক্ষে বিছানায় থাকেন তিনি। অনেক রাত তাঁর নির্ঘুম কাটে। শিকলে বন্দী অবস্থায় বাড়ির আশেপাশে চলাফেরা করেন। কারও আর্থিক সহায়তায় উন্নত চিকিৎসা পেলে তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন এমটায় প্রত্যাশা প্রতিবেশীর।

সাহায্য পাঠাতে যোগাযোগ করুণ ও বিকাশ (পারসোনাল) নম্বর: 01728-051551 (দিপকের কাকা)।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category