• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কৃষিপণ্য আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য: কৃষিমন্ত্রী রাজশাহীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সেবার মান বাড়াতে কমিশনারের নির্দেশনা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দায় কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত নওগাঁ জেলা জামায়াতের নেতৃত্বে পরিবর্তন, নতুন আমির মাহফুজুর রহমান নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য হলেন প্রভাষক আবু সাঈদ কুষ্টিয়ায় মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল বরাদ্দ ফুলবাড়ী উপজেলার মাদিলাহাট ব্যবসায়ী সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাণীনগরে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু কৃষকের ঘরে আসছে নতুন সোনালী ফসল রাণীনগরে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত ফুলবাড়ীতে রাজমিস্ত্রি রুহুল আমিন হত্যার বিচারের দাবিতে লাশ সামনে রেখে মানববন্ধন।।

যত্ন ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে উঠা ভাঁট ফুল

দিনকাল বিডি / ৮৬ Time View
প্রকাশঃ মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ, ২০২৫

আব্দুল হামিদ মিঞা,বাঘা
বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ না হলেও মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে ভাঁট ফুল। ডালের শীর্ষে পুষ্পদন্ডে ফোটা এই ফুলের রয়েছে মিষ্টি সৌরভ। গ্রামের মেঠো পথের ধারে,পুকুর পাড়ে কিংবা পতিত কোন জমিতে কোনরূপ যতœ ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠে ভাঁট। গ্রামবাংলার অতি পরিচিত একটি বুনো উদ্ভিদ, ভাঁট, ভাইট, বনজুঁই বা ঘেটু। (বৈজ্ঞানিক নাম- ঈষবৎড়হফবহফৎড়হ ারংপড়ংঁস)। দেখতে কিছুটা পানপাতার আকৃতির ও খসখসে।
বসন্ত থেকে গ্রীষ্ম অবধি ফুল ফোটে। ফুল ফোটার পর মৌমাছিরা ভাঁট ফুলের মধু সংগ্রহ করে। পাপড়ির রং সাদা এবং এতে বেগুনি রঙের মিশেল আছে। ভাঁট গাছের প্রধান কান্ড সোজাভাবে দন্ডায়মান। লম্বা ২ থেকে ৪ মিটার । পাতা ৪ থেকে ৭ ইঞ্চি লম্বা।

জীবনানন্দ দাশের একটি কবিতায় ভাঁট গাছের প্রসঙ্গ এসেছে,
“ভাঁট আঁশ শ্যাওড়ার বন,বাতাসে কী কথা কয় বুঝি নাকো, বুঝি নাকো চিল কেন কাঁদে,
পৃথিবীর কোনো পথে দেখি নাই আমি হায়, এমন বিজন”।

কৃষি সস্প্রসারন অধিদপ্তরের বাঘা উপজেলা অফিসার কৃষিবীদ শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, ভাঁট গাছ ঔষধি গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। এছাড়াও সনাতন ধর্মালম্বীরা ভাঁট ফুল দিয়ে ভাঁটি পূজার আয়োজন করে থাকে। হাওড়,খাল-বিল না থাকার কারণে ভাঁট গাছ আগের মতো জন্মায় না। বসন্ত থেকে গ্রীষ্ম অবধি ফুল ফোটে মিষ্টি সৌরভ ছড়ানো ভাঁঁট ফুলের চারিদিকে গুনগুন করতো মৌমাছির দল।
যতœ ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে উঠা ভাঁট ফুল
আব্দুল হামিদ মিঞা,বাঘা
বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ না হলেও মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে ভাঁট ফুল। ডালের শীর্ষে পুষ্পদন্ডে ফোটা এই ফুলের রয়েছে মিষ্টি সৌরভ। গ্রামের মেঠো পথের ধারে,পুকুর পাড়ে কিংবা পতিত কোন জমিতে কোনরূপ যতœ ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠে ভাঁট। গ্রামবাংলার অতি পরিচিত একটি বুনো উদ্ভিদ, ভাঁট, ভাইট, বনজুঁই বা ঘেটু। (বৈজ্ঞানিক নাম- ঈষবৎড়হফবহফৎড়হ ারংপড়ংঁস)। দেখতে কিছুটা পানপাতার আকৃতির ও খসখসে।
বসন্ত থেকে গ্রীষ্ম অবধি ফুল ফোটে। ফুল ফোটার পর মৌমাছিরা ভাঁট ফুলের মধু সংগ্রহ করে। পাপড়ির রং সাদা এবং এতে বেগুনি রঙের মিশেল আছে। ভাঁট গাছের প্রধান কান্ড সোজাভাবে দন্ডায়মান। লম্বা ২ থেকে ৪ মিটার । পাতা ৪ থেকে ৭ ইঞ্চি লম্বা।

জীবনানন্দ দাশের একটি কবিতায় ভাঁট গাছের প্রসঙ্গ এসেছে,
“ভাঁট আঁশ শ্যাওড়ার বন,বাতাসে কী কথা কয় বুঝি নাকো, বুঝি নাকো চিল কেন কাঁদে,
পৃথিবীর কোনো পথে দেখি নাই আমি হায়, এমন বিজন”।

কৃষি সস্প্রসারন অধিদপ্তরের বাঘা উপজেলা অফিসার কৃষিবীদ শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, ভাঁট গাছ ঔষধি গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। এছাড়াও সনাতন ধর্মালম্বীরা ভাঁট ফুল দিয়ে ভাঁটি পূজার আয়োজন করে থাকে। হাওড়,খাল-বিল না থাকার কারণে ভাঁট গাছ আগের মতো জন্মায় না। বসন্ত থেকে গ্রীষ্ম অবধি ফুল ফোটে মিষ্টি সৌরভ ছড়ানো ভাঁঁট ফুলের চারিদিকে গুনগুন করতো মৌমাছির দল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category