• রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৫:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জোরপূর্বকভাবে ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ মহাদেবপুরে ন্যায় বিচারের আশায় পথে পথে ঘুরছে একটি অসহায় পরিবার কুষ্টিয়ায় মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়াতে গিয়ে জামায়াত-বিএনপি’র ৫ নেতা থানা হেফাজতে রাণীনগরে ১ কোটি ২০ লাক্ষ টাকার পল্লী সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি রেজু জাতীয় অর্থনীতিতে কৃষি ও কৃষি ব্যাংকের অবদান সাইবার ট্রাইব্যুনালের মামলা ঘিরে নতুন বিতর্ক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি যুবদল নেতার কৃষির মতো মৎস্য ও প্রাণিসম্পদেও ঋণ মওকুফের দাবি নওগাঁর খামারিদের মান্দায় মাদ্রাসার আড়ালে ব্যবসার অভিযোগ: মুফতি মিলনের অর্থের উৎস নিয়ে রহস্য সমাজের অনৈতিক অবক্ষয় রোধে ইমামদের ভূমিকা অপরিহার্য: এমপি রেজাউল ইসলাম রেজু নওগাঁয় ছেঁড়া-ফাটা নোট ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধে রাকাবের কর্মশালা ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবি কর্তৃক ১,৬৯,০০০/- টাকা মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানী মালামাল আটক

কৃষির মতো মৎস্য ও প্রাণিসম্পদেও ঋণ মওকুফের দাবি নওগাঁর খামারিদের

দিনকাল বিডি ২৪ / ১৭ Time View
প্রকাশঃ শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

মাহবুবুজ্জামান সেতু,নওগাঁ প্রতিনিধিঃ

সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফের সুবিধায় নওগাঁর প্রায় ১১ হাজার কৃষকের মাঝে স্বস্তি ফিরলেও ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে বড় ঋণগ্রহীতা ও ক্ষুদ্র খামারিদের মাঝে। কৃষির পাশাপাশি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ক্ষুদ্র ঋণ মওকুফ এবং দীর্ঘদিনের বকেয়া ঋণের সুদ কমানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় চাষিরা।
জেলায় ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফের আওতায় এসেছেন ১১ হাজার কৃষক। এমন সংবাদে সদর উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামের কৃষক সাগর হোসেন বলেন, “বাবা ২০০৫ সালে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক থেকে ১০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর সেই ঋণের বোঝা আমার ওপর পড়ে। পারিবারিক সংকটে সেই ঋণ শোধ করতে পারিনি, জমির কাগজও তুলতে পারিনি। এখন মওকুফের খবর শুনে অনেক ভালো লাগছে।”
একই উপজেলার তিলকপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের সাত্তার মন্ডলও দীর্ঘ বছর ঋণের ঘানি টানার পর সরকারের এই সিদ্ধান্তে খুশি। তবে জেলায় প্রায় ২৫ হাজার কৃষক রয়েছেন যারা ১০ হাজার টাকার বেশি ঋণ নিয়েছেন। তাদের দাবি, দীর্ঘ সময় পার হওয়ায় সুদের পরিমাণ আসলের চেয়ে তিন গুণ ছাড়িয়ে গেছে। সুদটুকু মাফ করলে তারা আসল পরিশোধ করে ব্যাংক মামলার দায় থেকে মুক্তি পেতে চান।
নওগাঁর মৎস্য ও পোল্ট্রি খামারিরা জানান, অনেক সময় লোকসানের মুখে পড়ে তারা ক্ষুদ্র ঋণ পরিশোধ করতে পারছেন না। কৃষি ঋণের মতো এই খাতেও ঋণ মওকুফের জন্য সরকারের সু-নজর প্রত্যাশা করেন তারা।

এবিষয়ে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) নওগাঁ জোনাল কার্যালয়ের জোনাল ব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. রুহুল আমিন বলেন, “১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণগ্রহীতাদের তথ্য এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনা এলেই তাদের জামানত ফেরত দেওয়া হবে। সরকার চাইলে ১০ হাজার টাকার বেশি ঋণগ্রহীতা এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ক্ষুদ্র ঋণ মওকুফ সংক্রান্ত তথ্যও আমরা পাঠাতে পারি।”
ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নওগাঁয় ১০ হাজার টাকার বেশি ঋণের পরিমাণ প্রায় ২৫০ কোটি টাকা। এই টাকার বিপরীতে বর্তমানে সুদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৮০ কোটি টাকা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category